আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে রাশিয়ার ওপর ভারতের জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা কমিয়ে আনতে বড় ধরনের কৌশলগত চাল দিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ভেনেজুয়েলার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর এখন সেই তেল ভারতের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে এই বাণিজ্য কোনো মুক্ত বাজার নীতিতে নয়, বরং পরিচালিত হবে সরাসরি মার্কিন সরকারের তত্ত্বাবধানে এবং একটি কঠোর নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মাধ্যমে।
সম্প্রতি মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস এই তথ্য সামনে এনেছে।
গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী ধরে নিয়ে যাওয়ার পর লাতিন আমেরিকার এই দেশটির তেলের বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেছে ওয়াশিংটন। চলতি সপ্তাহে কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের (প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল) অপরিশোধিত তেল রপ্তানির বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে।
মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস্টোফার রাইট ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই তেল বিশ্ববাজারে ছাড়ার জন্য প্রস্তুত এবং ভারতসহ এশিয়া ও ইউরোপের প্রায় সব দেশের জন্যই এই সুযোগ উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে। তবে শর্ত একটাই—পুরো বিক্রয় প্রক্রিয়াটি মার্কিন সরকারের ডিজাইন করা কাঠামোর ভেতর দিয়ে হতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করা এই বিশেষ ব্যবস্থায় তেল বিক্রির অর্থ সরাসরি ভেনেজুয়েলার বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর হাতে পৌঁছাবে না। ক্রিস্টোফার রাইট পরিষ্কার করেছেন, তেল বিক্রির সমস্ত অর্থ মার্কিন নিয়ন্ত্রিত এসক্রো অ্যাকাউন্টে জমা হবে। এই অর্থ এমনভাবে ভেনেজুয়েলায় বরাদ্দ করা হবে যাতে তা সরাসরি সাধারণ মানুষের মানবিক প্রয়োজনে ও দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হয়। লক্ষ্য হলো অর্থ যাতে কোনোভাবেই দুর্নীতি বা পূর্বতন ‘রেজিম’-এর স্বার্থে ব্যবহৃত হতে না পারে।
নিষেধাজ্ঞার আগে ভারত ছিল ভেনেজুয়েলার তেলের অন্যতম প্রধান বাজার। এই নতুন প্রস্তাব ভারতের জন্য বেশ কিছু কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: ভারতের জামনগর বা পারাদ্বীপের মতো অনেক আধুনিক রিফাইনারি ভেনেজুয়েলার ভারী ও সালফার সমৃদ্ধ অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি। ফলে প্রযুক্তিগতভাবে ভারত এই তেল গ্রহণে অত্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে আছে।
এ ছাড়া বর্তমানে ভারত তার চাহিদার বড় অংশ রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে মেটায়। ভেনেজুয়েলার প্রবেশাধিকার ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুড়িকে আরও শক্তিশালী করবে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে ভারত সস্তায় রুশ তেল কিনেছে। ওয়াশিংটন এখন ভেনেজুয়েলার তেলের টোপ দিয়ে ভারতকে রাশিয়ার বলয় থেকে বের করে আনতে চাচ্ছে।
মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদিত বৈধ পন্থায় জ্বালানি বাণিজ্য পরিচালনা করা যাবে। তিনি রীতিমতো আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, ‘আপনারা হয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে তেল বিক্রি করতে পারবেন, নয়তো একেবারেই বিক্রি করতে পারবেন না।’
ইতিমধ্যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকা বা চোরাই পথে তেল পরিবহনকারী ট্যাঙ্কারগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ওয়াশিংটন কঠোর অবস্থানের প্রমাণ দিয়েছে। রাইট উল্লেখ করেন, মার্কিন নীতি কেবল ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি প্রয়োগ করার ক্ষমতাও তার রয়েছে।
বর্তমানে ভেনেজুয়েলার প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল মজুত তেল দ্রুত বাজারজাত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক ও যন্ত্রাংশ সরবরাহের পরিকল্পনাও করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শেভরন বা অন্যান্য বড় তেল কোম্পানিগুলোকে আবার ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের ধসে পড়া তেল খাত আবার ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করা।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলায় বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুত রয়েছে। অন্যদিকে ভারত বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল জ্বালানি আমদানিকারক দেশ। এই দুইয়ের সংযোগ বিশ্ব রাজনীতি ও তেলের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে রাশিয়ার ওপর ভারতের জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা কমিয়ে আনতে বড় ধরনের কৌশলগত চাল দিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ভেনেজুয়েলার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর এখন সেই তেল ভারতের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে এই বাণিজ্য কোনো মুক্ত বাজার নীতিতে নয়, বরং পরিচালিত হবে সরাসরি মার্কিন সরকারের তত্ত্বাবধানে এবং একটি কঠোর নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মাধ্যমে।
সম্প্রতি মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস এই তথ্য সামনে এনেছে।
গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী ধরে নিয়ে যাওয়ার পর লাতিন আমেরিকার এই দেশটির তেলের বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেছে ওয়াশিংটন। চলতি সপ্তাহে কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের (প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল) অপরিশোধিত তেল রপ্তানির বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে।
মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস্টোফার রাইট ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই তেল বিশ্ববাজারে ছাড়ার জন্য প্রস্তুত এবং ভারতসহ এশিয়া ও ইউরোপের প্রায় সব দেশের জন্যই এই সুযোগ উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে। তবে শর্ত একটাই—পুরো বিক্রয় প্রক্রিয়াটি মার্কিন সরকারের ডিজাইন করা কাঠামোর ভেতর দিয়ে হতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করা এই বিশেষ ব্যবস্থায় তেল বিক্রির অর্থ সরাসরি ভেনেজুয়েলার বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর হাতে পৌঁছাবে না। ক্রিস্টোফার রাইট পরিষ্কার করেছেন, তেল বিক্রির সমস্ত অর্থ মার্কিন নিয়ন্ত্রিত এসক্রো অ্যাকাউন্টে জমা হবে। এই অর্থ এমনভাবে ভেনেজুয়েলায় বরাদ্দ করা হবে যাতে তা সরাসরি সাধারণ মানুষের মানবিক প্রয়োজনে ও দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হয়। লক্ষ্য হলো অর্থ যাতে কোনোভাবেই দুর্নীতি বা পূর্বতন ‘রেজিম’-এর স্বার্থে ব্যবহৃত হতে না পারে।
নিষেধাজ্ঞার আগে ভারত ছিল ভেনেজুয়েলার তেলের অন্যতম প্রধান বাজার। এই নতুন প্রস্তাব ভারতের জন্য বেশ কিছু কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: ভারতের জামনগর বা পারাদ্বীপের মতো অনেক আধুনিক রিফাইনারি ভেনেজুয়েলার ভারী ও সালফার সমৃদ্ধ অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি। ফলে প্রযুক্তিগতভাবে ভারত এই তেল গ্রহণে অত্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে আছে।
এ ছাড়া বর্তমানে ভারত তার চাহিদার বড় অংশ রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে মেটায়। ভেনেজুয়েলার প্রবেশাধিকার ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুড়িকে আরও শক্তিশালী করবে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে ভারত সস্তায় রুশ তেল কিনেছে। ওয়াশিংটন এখন ভেনেজুয়েলার তেলের টোপ দিয়ে ভারতকে রাশিয়ার বলয় থেকে বের করে আনতে চাচ্ছে।
মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদিত বৈধ পন্থায় জ্বালানি বাণিজ্য পরিচালনা করা যাবে। তিনি রীতিমতো আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, ‘আপনারা হয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে তেল বিক্রি করতে পারবেন, নয়তো একেবারেই বিক্রি করতে পারবেন না।’
ইতিমধ্যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকা বা চোরাই পথে তেল পরিবহনকারী ট্যাঙ্কারগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ওয়াশিংটন কঠোর অবস্থানের প্রমাণ দিয়েছে। রাইট উল্লেখ করেন, মার্কিন নীতি কেবল ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি প্রয়োগ করার ক্ষমতাও তার রয়েছে।
বর্তমানে ভেনেজুয়েলার প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল মজুত তেল দ্রুত বাজারজাত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক ও যন্ত্রাংশ সরবরাহের পরিকল্পনাও করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শেভরন বা অন্যান্য বড় তেল কোম্পানিগুলোকে আবার ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের ধসে পড়া তেল খাত আবার ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করা।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলায় বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুত রয়েছে। অন্যদিকে ভারত বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল জ্বালানি আমদানিকারক দেশ। এই দুইয়ের সংযোগ বিশ্ব রাজনীতি ও তেলের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন নিয়মে উৎপাদন প্রক্রিয়ার শর্ত অনেক শিথিল করা হয়েছে। আগে নিয়ম ছিল, পোশাক তৈরির অন্তত দুটি বড় ধাপ বা প্রক্রিয়া অবশ্যই শ্রীলঙ্কার ভেতরে সম্পন্ন হতে হবে। এখন সেই বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাপী খাদ্যনিরাপত্তা যখন ক্রমেই বড় উদ্বেগ আর কৌশলগত ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে, তখন কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মানসম্মত উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানি—উভয় ক্ষেত্রেই দেশের সামনে এক বিরল সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বৈশ্বিক কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানির বাজারের আকার ৪ ট্রিলিয়ন...
১ দিন আগে
‘সরবরাহ সংকটের’ কারণে এমনিতেই নৈরাজ্য চলছিল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাজারে। এর মধ্যে এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ডাকা ধর্মঘটের কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের চরম সংকট দেখা দেয়। এ সুযোগে মজুত করা সিলিন্ডার ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করেন কিছু খুচরা ও পাইকারি...
১ দিন আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে প্রায় এক হাজার টাকা কমেছে। সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে। দাম কমার ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৭ টাকা।
১ দিন আগে