
যুক্তরাজ্যের উদার বাণিজ্যনীতির আওতায় ১ জানুয়ারি থেকে সে দেশের বাজারে বড় ধরনের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাচ্ছেন শ্রীলঙ্কার তৈরি পোশাক উৎপাদকেরা। কলম্বোয় ব্রিটিশ হাইকমিশন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার উৎপাদকেরা এখন থেকে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে শতভাগ কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারবেন এবং একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন নিয়মে উৎপাদন প্রক্রিয়ার শর্ত অনেক শিথিল করা হয়েছে। আগে নিয়ম ছিল, পোশাক তৈরির অন্তত দুটি বড় ধাপ বা প্রক্রিয়া অবশ্যই শ্রীলঙ্কার ভেতরে সম্পন্ন হতে হবে। এখন সেই বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না।
শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম আদাদেরানা জানিয়েছে, নতুন এই নীতির আওতায় ১৮টি দেশের সমন্বয়ে ‘এশিয়া রিজিওনাল কিউমুলেশন গ্রুপ’ তৈরি করা হয়েছে, যা শ্রীলঙ্কা থেকে রপ্তানি হওয়া অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যান্ড্রু প্যাট্রিক বলেন, ‘বর্তমানে কার্যকর হওয়া এই সংস্কারগুলো বাণিজ্য অংশীদারত্বের মাধ্যমে যৌথ সমৃদ্ধি অর্জনে যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। উৎস-সংক্রান্ত নিয়মাবলি সহজ করার মাধ্যমে আমরা যুক্তরাজ্যের বাজারে শ্রীলঙ্কার পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজ করছি, যা দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণে সহায়তা করবে।’
‘শ্রীলঙ্কা সরকারের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাকে আমরা গুরুত্ব দিই। তাই আমি রপ্তানিকারকদের আহ্বান জানাব, এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের আওতায় শূন্য শুল্ক সুবিধা গ্রহণ করার জন্য,’ যোগ করেন হাইকমিশনার।
এই সংস্কারকে স্বাগত জানিয়ে জয়েন্ট অ্যাপারেল অ্যাসোসিয়েশন ফোরামের মহাসচিব ইয়োহান লরেন্স বলেন, যুক্তরাজ্যের এই নতুন বাণিজ্য স্কিম কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে আগের আঞ্চলিক বিধিনিষেধগুলো তুলে নিয়েছে। এখন শ্রীলঙ্কার উৎপাদকেরা বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইন ব্যবহারের মাধ্যমে সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।
লরেন্স জানান, যুক্তরাজ্যের বাজারে শ্রীলঙ্কার মোট রপ্তানির ৬০ শতাংশই আসে পোশাক খাত থেকে এবং এই শিল্প দেশটির প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবিকার জোগান দেয়। এই নতুন ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে শ্রীলঙ্কার রপ্তানি সম্ভাবনাকে ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেবে।
আদাদেরানার প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত শ্রীলঙ্কা সরকার এবং জয়েন্ট অ্যাপারেল অ্যাসোসিয়েশন ফোরামসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই যুক্তরাজ্য এই পরিবর্তনগুলো এনেছে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য শ্রীলঙ্কার তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় বৃহৎ রপ্তানি বাজার, যার বার্ষিক মূল্য প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ কোটি মার্কিন ডলার।
নতুন এ ব্যবস্থার ফলে যুক্তরাজ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জোরপূর্বক শ্রম কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর আবার অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর মধ্যে বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের ওপর ১০ শতাংশ এবং বাকি ৪৫টি দেশের ওপর সাড়ে ১২ শতাংশ হারে শুল্ক বসানোর কথা বলা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের রপ্তানি আয়ে আবারও পতন দেখা দিয়েছে। বিদায়ী মে মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৪০ কোটি ২৮ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কম। তবে আগের মাস এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে রপ্তানি আয় প্রায় ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, যে অর্থনীতি বাংলাদেশের মানুষের বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবে এবং যে উন্নয়নের স্বপ্ন আমরা দেখাতে চেষ্টা করছি, ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমির দিকে আমরা যাচ্ছি। সেটা যাতে বাস্তবায়ন হতে পারে। সেই চেষ্টা করছি।
১৮ ঘণ্টা আগে
জোরপূর্বক শ্রমে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ আরও ৫৯টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ৬০টি দেশ থেকে আমদানির উপর ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে
১ দিন আগে