আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ৪৯তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী ও সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন মেটা প্ল্যাটফর্মসের সহপ্রতিষ্ঠাতা এদুয়ার্দো স্যাভেরিন, যাঁর সম্পদের পরিমাণ ৪৩ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ম্যাগাজিন ফোর্বস প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত বুধবার প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের নাগরিক আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার (১.১ বিলিয়ন ডলার)। দুই বছর আগের তুলনায় সম্পদ সামান্য কমলেও তিনি টানা কয়েক বছর সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় অবস্থান করছেন। ২০২৩ সালে তাঁর অবস্থান ছিল ৪১তম এবং ২০২২ সালে ৪২তম।
ফোর্বসের বৈশ্বিক ধনকুবেরের তালিকায় তিনি ২ হাজার ৭৯০তম স্থানে রয়েছেন। মূলত বিদ্যুৎ খাত থেকেই আজিজ খানের সম্পদের বড় অংশ এসেছে। ২০১৯ সালে তিনি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার কাছে বিক্রি করেন।
৭০ বছর বয়সী আজিজ খান এক দশকের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তবে তাঁর নেতৃত্বাধীন সামিট গ্রুপের কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র এখনো বাংলাদেশেই। বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস, রিয়েল এস্টেটসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে।
বাংলাদেশে সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ খাতের সব সম্পদ সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত হোল্ডিং কোম্পানি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী আজিজ খান তিন সন্তানের জনক।
সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ও তাঁর পরিবার দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নজরদারিতে রয়েছেন। গত মাসে হাইকোর্টের নির্দেশে দুদক তাঁর পরিবারভুক্ত সদস্যদের ১৯১টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এসব হিসাবে জমা রয়েছে ৪১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।
আজিজ খান আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের ভাই।

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ৪৯তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী ও সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন মেটা প্ল্যাটফর্মসের সহপ্রতিষ্ঠাতা এদুয়ার্দো স্যাভেরিন, যাঁর সম্পদের পরিমাণ ৪৩ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ম্যাগাজিন ফোর্বস প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত বুধবার প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের নাগরিক আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার (১.১ বিলিয়ন ডলার)। দুই বছর আগের তুলনায় সম্পদ সামান্য কমলেও তিনি টানা কয়েক বছর সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় অবস্থান করছেন। ২০২৩ সালে তাঁর অবস্থান ছিল ৪১তম এবং ২০২২ সালে ৪২তম।
ফোর্বসের বৈশ্বিক ধনকুবেরের তালিকায় তিনি ২ হাজার ৭৯০তম স্থানে রয়েছেন। মূলত বিদ্যুৎ খাত থেকেই আজিজ খানের সম্পদের বড় অংশ এসেছে। ২০১৯ সালে তিনি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার কাছে বিক্রি করেন।
৭০ বছর বয়সী আজিজ খান এক দশকের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তবে তাঁর নেতৃত্বাধীন সামিট গ্রুপের কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র এখনো বাংলাদেশেই। বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস, রিয়েল এস্টেটসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে।
বাংলাদেশে সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ খাতের সব সম্পদ সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত হোল্ডিং কোম্পানি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী আজিজ খান তিন সন্তানের জনক।
সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ও তাঁর পরিবার দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নজরদারিতে রয়েছেন। গত মাসে হাইকোর্টের নির্দেশে দুদক তাঁর পরিবারভুক্ত সদস্যদের ১৯১টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এসব হিসাবে জমা রয়েছে ৪১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।
আজিজ খান আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের ভাই।

বেজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পাঁচ একর জমিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিট স্থাপন করবে, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং গ্যাসের প্রয়োজন হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রতি চারটি দেশের মধ্যে একটি দেশ এখনো ২০১৯ সালের তুলনায় দরিদ্র। ২০১৯ সাল ছিল কোভিড-১৯ মহামারির আগের সময়। এমনটাই জানিয়েছে, বিশ্ব ব্যাংক। ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থাটি বলেছে, নিম্নআয়ের অনেক দেশ গত বছরের শেষ পর্যন্ত ৬ বছরে বড় ধরনের নেতিবাচক ধাক্কা খেয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আবুল কালাম বলেন, ‘নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েই পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরও কয়েকটি সমস্যা বিদ্যমান। পরে টাস্কফোর্সের পরামর্শ ও সুপারিশ অনুযায়ী আইপিও
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সাল জুড়ে একের পর শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই শুল্কের আঘাত সয়ে নিয়েই চীন রেকর্ড বাণিজ্য করে দেখাল। আজ বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে চীন। গত বছর দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা
৮ ঘণ্টা আগে