
দেশের তৈরি পোশাক খাতে একের পর এক কারখানা বন্ধের আশঙ্কার মধ্যে এবার চালু থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখতে সরকারের জরুরি সহযোগিতা চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।

নতুন আইনের কিছু ধারা শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা এবং যৌথ দর-কষাকষির (সিবিএ) অধিকারকে সীমিত করতে পারে। বিশেষ করে, একটি প্রতিষ্ঠানে ইউনিয়নের সংখ্যা সর্বোচ্চ তিনটিতে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত শ্রমিক প্রতিনিধিত্ব সংকুচিত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঈদের ছুটির আগেই সব পোশাক কারখানায় ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ)। এ ছাড়া বাধ্যবাধকতা না থাকলেও ৬৪ শতাংশ কারখানা চলতি মার্চেরও আংশিক বেতন দিয়ে দিয়েছে বলেও দাবি তাদের।

মার্কিন তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকে শুল্কছাড়ের যে ব্যবস্থা, তা যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট করার অনুরোধ জানিয়েছে তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আজ রোববার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের