আল মামুন জীবন, বোদা (পঞ্চগড়) থেকে

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনার আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে আউলিয়া ঘাটের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় আরও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে নারী ৩০ জন, পুরুষ ১৭ জন এবং শিশু ২১ জন।
অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট জানান, উদ্ধার হওয়া মরহেদগুলের মধ্যে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ৪৪ জন, আটোয়ারী উপজেলার দুজন, দেবীগঞ্জ উপজেলার ১৮ জন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার তিনজন এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার একজন।
বোদা উপজেলার নিহতরা হলেন, বংশীধর গ্রামের সনেকা রানী (৬০), রাজ মোহন অধিকারী (৬৫), জোগাপাড়া গ্রামের রজেন্দ্র নাথ (৫৫), মদনহাট এলাকার শ্রেয়শ্রী (১৪), ময়দানদিঘী গ্রামের সফলতা রানী (৪০), কুমারপাড়া গ্রামের হাতেম আলী (৭০), কমলাপুকুরী গ্রামের বিলাশ চন্দ্র (৪৫), বামন হাটের শ্যামলী রানী ওরফে শিমুলি (৩৫), আলোকপাড়া গ্রামের রুপসী (৮), ফুটকিবাড়ী গ্রামের শ্যামলী রানী (১৪), বংশীধর পাঁচপীর গ্রামের সুমিত্রা রাণী (৬০), সাকুয়া শিকার পুর গ্রামের ফাল্গুনী (৪৫), পাঁচপীর জয়নন্দ গ্রামের প্রমিলা দেবী (৭০), চন্দ্রনবাড়ী গ্রামের জতিষ চন্দ্র (৫৫), বামনপাড়া গ্রামের শোভা রাণী (২৭), পিয়ন্ত (২.৫), ফুটকিবাড়ী গ্রামের রুপালী ওরফে খুকি (৩৫), আরাজি শিকারপুর কবিতা রানী (৫০), আদরী (৫০), গেদীপাড়া গ্রামের বৈজ্য বালা (৫০), শালবাড়ী গ্রামের সুব্রত (২), বটতলী গ্রামের জগদ্বিশ (৩৫), কলেজপাড়া এলাকার জতি মিম্ময় রায় (১৫), বংশিধর পূজারী গ্রামের গেন্দা রানী (৫০), বটতলী গ্রামের কনিকা রাণী (৪০), কাউয়াখান গ্রামের সুমিত্রা রানী (৪৫), মালুয়া পাড়ার প্রতিমা রাণী (৫০), আবাসডাঙ্গা গ্রামের সূর্য নাথ বর্মন (১২), সাকুয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের প্রদীপ রায় (৩০), তেপুকুরী গ্রামের পারুল রানী (৩২), ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের শৈলা বালা (৪০), সনেকা (৫৫), বটতলী গ্রামের হরিকিশোর (৪৫), শিল্টু বর্মন (৩২), ভুল্লিপাড়া গ্রামের মহেন (৩০), বামন হাটের আখি রানী (১৫), গেদিপাড়ার সুমিত্রা রানী (৩৮), জয়নন্দ বড়ুয়া গ্রামের ধৃতি রানী (১০), কাউখাল গ্রামের সজিব রায় (১০), দেবীগঞ্জ উপজেলার নিহতরা হলেন, শালডাঙ্গা গ্রামের লক্ষী রাণী (২৫), মধ্য শিকারপুর গ্রামের অমল চন্দ্র (৩৫), ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের প্রমিলা রাণী (৫৫), তেলীপাড়া গ্রামের অনবালা (৬০), শালডাঙ্গা গ্রামের তারা রানী (২৫), বিষ্ণু (৩.৫), হাতীডোবা গ্রামের তনশ্রী (৫), শিকারপুর গ্রামের পিয়ন্তী (৮), দিপু বাবু (১০), শালবাড়ী গ্রামের সুচিত্রা (২২), কেকে বাড়ী গ্রামের পুষ্পা রাণী (৫০), পামলি পাড়ার হরিকেশন বর্মন (৪৫), খরিজা গ্রামের নিখিল চন্দ্র বর্মন (৬০), তেলীপাড়া গ্রামের সুশিল চন্দ্র (৬৫), ছত্র শিকারপুকুর গ্রামের রুপালী রানী (৩৮), প্রতিমা রাণী (৩৯), শিকারপুর গ্রামের পরেশ চন্দ্র বর্মন (১৭)।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার নিহতরা হলেন, হটিয়ার পাড়া গ্রামের জুথি রানী (১), আটোয়ারী উপজেলার ঝরনা রানী (৪৫), ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের দ্বিপশিখা রাণী (১০), মুন্সিরহাট গ্রামের ভুমিকা রায় পূজা (১৫)। বাকী ৮ জনের নাম ও ঠিকানা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত রোববার বেলা ৩টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নে অবস্থিত করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট থেকে শতাধিক পুণ্যার্থী নিয়ে একটি নৌকা বদ্বেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিল। নৌকাটি নদীর মাঝে গেলে মোড় নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনার আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে আউলিয়া ঘাটের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় আরও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে নারী ৩০ জন, পুরুষ ১৭ জন এবং শিশু ২১ জন।
অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট জানান, উদ্ধার হওয়া মরহেদগুলের মধ্যে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ৪৪ জন, আটোয়ারী উপজেলার দুজন, দেবীগঞ্জ উপজেলার ১৮ জন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার তিনজন এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার একজন।
বোদা উপজেলার নিহতরা হলেন, বংশীধর গ্রামের সনেকা রানী (৬০), রাজ মোহন অধিকারী (৬৫), জোগাপাড়া গ্রামের রজেন্দ্র নাথ (৫৫), মদনহাট এলাকার শ্রেয়শ্রী (১৪), ময়দানদিঘী গ্রামের সফলতা রানী (৪০), কুমারপাড়া গ্রামের হাতেম আলী (৭০), কমলাপুকুরী গ্রামের বিলাশ চন্দ্র (৪৫), বামন হাটের শ্যামলী রানী ওরফে শিমুলি (৩৫), আলোকপাড়া গ্রামের রুপসী (৮), ফুটকিবাড়ী গ্রামের শ্যামলী রানী (১৪), বংশীধর পাঁচপীর গ্রামের সুমিত্রা রাণী (৬০), সাকুয়া শিকার পুর গ্রামের ফাল্গুনী (৪৫), পাঁচপীর জয়নন্দ গ্রামের প্রমিলা দেবী (৭০), চন্দ্রনবাড়ী গ্রামের জতিষ চন্দ্র (৫৫), বামনপাড়া গ্রামের শোভা রাণী (২৭), পিয়ন্ত (২.৫), ফুটকিবাড়ী গ্রামের রুপালী ওরফে খুকি (৩৫), আরাজি শিকারপুর কবিতা রানী (৫০), আদরী (৫০), গেদীপাড়া গ্রামের বৈজ্য বালা (৫০), শালবাড়ী গ্রামের সুব্রত (২), বটতলী গ্রামের জগদ্বিশ (৩৫), কলেজপাড়া এলাকার জতি মিম্ময় রায় (১৫), বংশিধর পূজারী গ্রামের গেন্দা রানী (৫০), বটতলী গ্রামের কনিকা রাণী (৪০), কাউয়াখান গ্রামের সুমিত্রা রানী (৪৫), মালুয়া পাড়ার প্রতিমা রাণী (৫০), আবাসডাঙ্গা গ্রামের সূর্য নাথ বর্মন (১২), সাকুয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের প্রদীপ রায় (৩০), তেপুকুরী গ্রামের পারুল রানী (৩২), ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের শৈলা বালা (৪০), সনেকা (৫৫), বটতলী গ্রামের হরিকিশোর (৪৫), শিল্টু বর্মন (৩২), ভুল্লিপাড়া গ্রামের মহেন (৩০), বামন হাটের আখি রানী (১৫), গেদিপাড়ার সুমিত্রা রানী (৩৮), জয়নন্দ বড়ুয়া গ্রামের ধৃতি রানী (১০), কাউখাল গ্রামের সজিব রায় (১০), দেবীগঞ্জ উপজেলার নিহতরা হলেন, শালডাঙ্গা গ্রামের লক্ষী রাণী (২৫), মধ্য শিকারপুর গ্রামের অমল চন্দ্র (৩৫), ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের প্রমিলা রাণী (৫৫), তেলীপাড়া গ্রামের অনবালা (৬০), শালডাঙ্গা গ্রামের তারা রানী (২৫), বিষ্ণু (৩.৫), হাতীডোবা গ্রামের তনশ্রী (৫), শিকারপুর গ্রামের পিয়ন্তী (৮), দিপু বাবু (১০), শালবাড়ী গ্রামের সুচিত্রা (২২), কেকে বাড়ী গ্রামের পুষ্পা রাণী (৫০), পামলি পাড়ার হরিকেশন বর্মন (৪৫), খরিজা গ্রামের নিখিল চন্দ্র বর্মন (৬০), তেলীপাড়া গ্রামের সুশিল চন্দ্র (৬৫), ছত্র শিকারপুকুর গ্রামের রুপালী রানী (৩৮), প্রতিমা রাণী (৩৯), শিকারপুর গ্রামের পরেশ চন্দ্র বর্মন (১৭)।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার নিহতরা হলেন, হটিয়ার পাড়া গ্রামের জুথি রানী (১), আটোয়ারী উপজেলার ঝরনা রানী (৪৫), ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের দ্বিপশিখা রাণী (১০), মুন্সিরহাট গ্রামের ভুমিকা রায় পূজা (১৫)। বাকী ৮ জনের নাম ও ঠিকানা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত রোববার বেলা ৩টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নে অবস্থিত করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট থেকে শতাধিক পুণ্যার্থী নিয়ে একটি নৌকা বদ্বেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিল। নৌকাটি নদীর মাঝে গেলে মোড় নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে