সাদ্দাম হোসেন, ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতি কেজি শসা ২ টাকা দরে বিক্রি করছেন কৃষকেরা। প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। লোকসান হওয়ায় শসা তুলে অনেকে খেতেই ফেলে দিচ্ছেন।
এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি মাসের শুরুর দিকে শসার বাজারদর বেশি ছিল। কিন্তু মাঝামাঝি সময়ে বাজারে শসার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে গেছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে জেলার সদর উপজেলার কয়েকটি মাঠে গিয়ে জানা গেছে, খেত থেকে শসা তুলছেন কৃষকেরা। কেউ পাইকারি দরে প্রতি কেজি শসা ২ টাকা দামে বিক্রি করছেন। কেউ শসা তুলে খেতেই ফেলে দিচ্ছেন।
সদর উপজেলার পূর্ব বেগুনবাড়ী গ্রামের শসাচাষি নুর হোসেন বলেন, ‘এবার ৪০ শতাংশ জমিতে শসার আবাদ করেছি। ফলন ভালো হওয়ায় খুশি হয়েছিলাম। ভাবলাম খরচ তুলে লাভ হবে। কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে হতাশ হচ্ছি।’
বাজারে শসার দাম না পাওয়ায় পুরো খেত আরেক কৃষকের কাছে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন নুর হোসেন। তিনি বলেন, ‘শসা লাগানো থেকে পরিচর্যায় খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। লোকসান হলো ২৩ হাজার টাকা।’
সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকার আরেক চাষি নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘চার বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছি। হাটে নিয়ে গেলে বিক্রি হচ্ছে না। পরে ২ টাকা দরে এক পরিচিত পাইকারের কাছে কিছু বিক্রি করেছি। তাতে লোকসানের মধ্যে থাকতে হবে।’
খরচ তুলতে কয়েক মণ শসা গত শনিবার স্থানীয় হাটে নিয়ে যান সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকার কৃষক সিদ্দিকুল। তিনি দুই টাকা দরেও শসা বিক্রি করতে পারেননি। এখন তিনি শসা তুলে ফেলে দিয়ে জমিতে অন্য শাকসবজি চাষ করবেন।
সদর উপজেলার সালন্দা এলাকার কৃষক নেন্দলা রায় ও মানিক চন্দ্র রায় বলেন, ‘শুরুর দিকে আশানুরূপ দাম পেলেও শসার বাজারমূল্যে দ্রুতই ধস নেমেছে। শুরুর দিকে ২ হাজার টাকা মণ থাকলেও এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকা মণ দরে শসা বিক্রি হচ্ছে।’
জেলা সদরের বড় খোঁচাবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ও জব্বার আলী জানান, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী তাঁরা শসা কিনছেন। সামান্য দামে শসা বিক্রি করতে হচ্ছে তাঁদের। এতে কৃষকদের লোকসান হলেও করার কিছুই নেই বলে জানান এই ব্যবসায়ীরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ে চলতি বছর শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় হাট-বাজারে আমদানিও বেশি। তাই দাম দ্রুত কমে যাচ্ছে। এতে দাম কম হওয়ায় লাভ কম হচ্ছে কৃষকদের।’

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতি কেজি শসা ২ টাকা দরে বিক্রি করছেন কৃষকেরা। প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। লোকসান হওয়ায় শসা তুলে অনেকে খেতেই ফেলে দিচ্ছেন।
এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি মাসের শুরুর দিকে শসার বাজারদর বেশি ছিল। কিন্তু মাঝামাঝি সময়ে বাজারে শসার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে গেছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে জেলার সদর উপজেলার কয়েকটি মাঠে গিয়ে জানা গেছে, খেত থেকে শসা তুলছেন কৃষকেরা। কেউ পাইকারি দরে প্রতি কেজি শসা ২ টাকা দামে বিক্রি করছেন। কেউ শসা তুলে খেতেই ফেলে দিচ্ছেন।
সদর উপজেলার পূর্ব বেগুনবাড়ী গ্রামের শসাচাষি নুর হোসেন বলেন, ‘এবার ৪০ শতাংশ জমিতে শসার আবাদ করেছি। ফলন ভালো হওয়ায় খুশি হয়েছিলাম। ভাবলাম খরচ তুলে লাভ হবে। কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে হতাশ হচ্ছি।’
বাজারে শসার দাম না পাওয়ায় পুরো খেত আরেক কৃষকের কাছে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন নুর হোসেন। তিনি বলেন, ‘শসা লাগানো থেকে পরিচর্যায় খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। লোকসান হলো ২৩ হাজার টাকা।’
সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকার আরেক চাষি নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘চার বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছি। হাটে নিয়ে গেলে বিক্রি হচ্ছে না। পরে ২ টাকা দরে এক পরিচিত পাইকারের কাছে কিছু বিক্রি করেছি। তাতে লোকসানের মধ্যে থাকতে হবে।’
খরচ তুলতে কয়েক মণ শসা গত শনিবার স্থানীয় হাটে নিয়ে যান সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকার কৃষক সিদ্দিকুল। তিনি দুই টাকা দরেও শসা বিক্রি করতে পারেননি। এখন তিনি শসা তুলে ফেলে দিয়ে জমিতে অন্য শাকসবজি চাষ করবেন।
সদর উপজেলার সালন্দা এলাকার কৃষক নেন্দলা রায় ও মানিক চন্দ্র রায় বলেন, ‘শুরুর দিকে আশানুরূপ দাম পেলেও শসার বাজারমূল্যে দ্রুতই ধস নেমেছে। শুরুর দিকে ২ হাজার টাকা মণ থাকলেও এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকা মণ দরে শসা বিক্রি হচ্ছে।’
জেলা সদরের বড় খোঁচাবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ও জব্বার আলী জানান, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী তাঁরা শসা কিনছেন। সামান্য দামে শসা বিক্রি করতে হচ্ছে তাঁদের। এতে কৃষকদের লোকসান হলেও করার কিছুই নেই বলে জানান এই ব্যবসায়ীরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ে চলতি বছর শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় হাট-বাজারে আমদানিও বেশি। তাই দাম দ্রুত কমে যাচ্ছে। এতে দাম কম হওয়ায় লাভ কম হচ্ছে কৃষকদের।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে