ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নে নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার টাঙ্গন নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ রয়েছে আরও এক শিশু।
মৃত শিশুরা হলো, উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহোর পাড়া গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে সিয়াম (৯) ও একই গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে মাসুম বিল্লাহ (১১)। অন্যদিকে শাওন (১২) নামে এক শিশু নিখোঁজ থাকায় রংপুর থেকে ডুবুরি দল এসে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেল ৪টার দিকে কহোর পাড়া এলাকার পাঁচজন শিশু বাড়ির পাশে টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে যায়। এরপর অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও তারা গোসল করে বাসায় না ফেরায় বাড়ির লোকজন তাদের খুঁজতে শুরু করে। একপর্যায়ে নদীতে মাছ ধরার জাল ফেলা হলে সিয়াম ও মাসুম জালে আটকা পড়ে। নদী থেকে উদ্ধার করে তাদের দুজনকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করে। পরে স্থানীয় ও স্বজনেরা নদীতে আরও খোঁজাখুঁজি করে আরও দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে। তবে তাদের সঙ্গে গোসল করতে যাওয়া শাওন নামের আরেক শিশু নিখোঁজ থাকায় রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল খবর দেওয়া হয়।
স্থানীদের অভিযোগ অবৈধভাবে নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় টাঙ্গন নদীসহ জেলার অন্য নদীতে গোসল বা সাঁতার কাটতে গিয়ে অনেক শিশু–কিশোরসহ প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের সলিলসমাধি ঘটছে।
ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেন দুজন শিশু নিহতের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়টি ঠাকুরগাঁও থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি মর্মান্তিক। দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছে।’

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নে নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার টাঙ্গন নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ রয়েছে আরও এক শিশু।
মৃত শিশুরা হলো, উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহোর পাড়া গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে সিয়াম (৯) ও একই গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে মাসুম বিল্লাহ (১১)। অন্যদিকে শাওন (১২) নামে এক শিশু নিখোঁজ থাকায় রংপুর থেকে ডুবুরি দল এসে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেল ৪টার দিকে কহোর পাড়া এলাকার পাঁচজন শিশু বাড়ির পাশে টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে যায়। এরপর অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও তারা গোসল করে বাসায় না ফেরায় বাড়ির লোকজন তাদের খুঁজতে শুরু করে। একপর্যায়ে নদীতে মাছ ধরার জাল ফেলা হলে সিয়াম ও মাসুম জালে আটকা পড়ে। নদী থেকে উদ্ধার করে তাদের দুজনকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করে। পরে স্থানীয় ও স্বজনেরা নদীতে আরও খোঁজাখুঁজি করে আরও দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে। তবে তাদের সঙ্গে গোসল করতে যাওয়া শাওন নামের আরেক শিশু নিখোঁজ থাকায় রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল খবর দেওয়া হয়।
স্থানীদের অভিযোগ অবৈধভাবে নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় টাঙ্গন নদীসহ জেলার অন্য নদীতে গোসল বা সাঁতার কাটতে গিয়ে অনেক শিশু–কিশোরসহ প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের সলিলসমাধি ঘটছে।
ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেন দুজন শিশু নিহতের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়টি ঠাকুরগাঁও থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি মর্মান্তিক। দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে