ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক কবিরুল ইসলাম জয়কে (২৮) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শনিবার ভোরে ঠাকুরগাঁও সদরের ভূল্লী থানার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় কবিরুল ইসলাম জয়কে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় চোখের চিকিৎসা শেষে হানিফ পরিবহনের বাসে করে ঠাকুরগাঁও বাস টার্মিনালে নামেন কবিরুল ইসলাম জয়। সেখান থেকে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যায় হামলাকারীরা।
আহত কবিরুল ইসলাম জয় বলেন, ‘হামলাকারী কাউকে চিনতে পারিনি। তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালিয়েছিল। তদন্তসাপেক্ষে আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
কবিরুল ইসলাম জয়ের বন্ধু রাকিব বলেন, ‘জয় জুলাই আন্দোলনে ছিলেন। তার শরীরে প্রায় ২৭টি গুলির চিহ্ন রয়েছে। চোখে গুলি লাগায় তিনি ১৯ তারিখ ঢাকায় চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। আজ সকালে বাড়ি ফেরার পথে ভোর ৫টায় দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায় এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। আমরা পুলিশের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। কারা, কী উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা চালিয়েছে, তা আমরা জানতে চাই।’
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার রাকিবুল ইসলাম চয়ন বলেন, জয়ের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গুরুতর জখমের কারণে বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকবেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

ঠাকুরগাঁওয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক কবিরুল ইসলাম জয়কে (২৮) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শনিবার ভোরে ঠাকুরগাঁও সদরের ভূল্লী থানার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় কবিরুল ইসলাম জয়কে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় চোখের চিকিৎসা শেষে হানিফ পরিবহনের বাসে করে ঠাকুরগাঁও বাস টার্মিনালে নামেন কবিরুল ইসলাম জয়। সেখান থেকে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যায় হামলাকারীরা।
আহত কবিরুল ইসলাম জয় বলেন, ‘হামলাকারী কাউকে চিনতে পারিনি। তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালিয়েছিল। তদন্তসাপেক্ষে আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
কবিরুল ইসলাম জয়ের বন্ধু রাকিব বলেন, ‘জয় জুলাই আন্দোলনে ছিলেন। তার শরীরে প্রায় ২৭টি গুলির চিহ্ন রয়েছে। চোখে গুলি লাগায় তিনি ১৯ তারিখ ঢাকায় চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। আজ সকালে বাড়ি ফেরার পথে ভোর ৫টায় দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায় এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। আমরা পুলিশের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। কারা, কী উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা চালিয়েছে, তা আমরা জানতে চাই।’
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার রাকিবুল ইসলাম চয়ন বলেন, জয়ের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গুরুতর জখমের কারণে বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকবেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে