সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জিতাশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত শতাংশ জমি বেদখলে যাওয়া অভিযোগ রয়েছে। বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমি বেদখলে থাকায় নতুন করে বরাদ্দ পাওয়া একটি সরকারি ভবন ওই বিদ্যালয়ের মাঠেই নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে খেলার মাঠ হারাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা।
এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। জমি উদ্ধারে গত ১৩ নভেম্বর প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু সুরাহা মেলেনি দুই মাসেও।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের জিতাশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সম্প্রতি একটি দুই তলা ভবন অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু প্রাঙ্গণের সাত শতাংশ জমি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী দখল করে রেখেছেন।
ওই জমি রুস্তম আলী বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। এ নিয়ে স্থানীয়রা বেশ কয়েকবার বৈঠক করেও জমি উদ্ধার করতে পারেনি। এ নিয়ে গত ৪ ডিসেম্বর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার পরিমাপ করতে গেলে অভিযুক্ত রুস্তম আলী সটকে পড়েন।
উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার জিয়াউর রহমান বলেন, বিদ্যালয় আঙিনায় মোট ৫২ শতাংশ জমির মধ্যে ৪ শতাংশ জমি কম পাওয়া গেছে।
পরে বিষয়টি সুরাহা করতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) হয়ে দায়িত্ব যায় স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে।
জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি রুস্তম আলীর সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু তিনি কোনো পাত্তাই দিচ্ছেন না।’
এদিকে ভবন নির্মাণের ঠিকাদার জমি না পেয়ে বিদ্যালয়ের মাঠেই মাটি খুঁড়ে নির্মাণকাজ শুরু করে দিয়েছেন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগের বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি কোনো জমি দখল করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। জমি একাধিকবার পরিমাপ করা হয়েছে। মূলত বিদ্যালয়ের জমি প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমানই দখল করে আবাদ করে খাচ্ছেন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি, তাই এ বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জিতাশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত শতাংশ জমি বেদখলে যাওয়া অভিযোগ রয়েছে। বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমি বেদখলে থাকায় নতুন করে বরাদ্দ পাওয়া একটি সরকারি ভবন ওই বিদ্যালয়ের মাঠেই নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে খেলার মাঠ হারাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা।
এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। জমি উদ্ধারে গত ১৩ নভেম্বর প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু সুরাহা মেলেনি দুই মাসেও।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের জিতাশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সম্প্রতি একটি দুই তলা ভবন অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু প্রাঙ্গণের সাত শতাংশ জমি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী দখল করে রেখেছেন।
ওই জমি রুস্তম আলী বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। এ নিয়ে স্থানীয়রা বেশ কয়েকবার বৈঠক করেও জমি উদ্ধার করতে পারেনি। এ নিয়ে গত ৪ ডিসেম্বর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার পরিমাপ করতে গেলে অভিযুক্ত রুস্তম আলী সটকে পড়েন।
উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার জিয়াউর রহমান বলেন, বিদ্যালয় আঙিনায় মোট ৫২ শতাংশ জমির মধ্যে ৪ শতাংশ জমি কম পাওয়া গেছে।
পরে বিষয়টি সুরাহা করতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) হয়ে দায়িত্ব যায় স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে।
জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি রুস্তম আলীর সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু তিনি কোনো পাত্তাই দিচ্ছেন না।’
এদিকে ভবন নির্মাণের ঠিকাদার জমি না পেয়ে বিদ্যালয়ের মাঠেই মাটি খুঁড়ে নির্মাণকাজ শুরু করে দিয়েছেন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগের বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি কোনো জমি দখল করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। জমি একাধিকবার পরিমাপ করা হয়েছে। মূলত বিদ্যালয়ের জমি প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমানই দখল করে আবাদ করে খাচ্ছেন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি, তাই এ বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে