
টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক মেয়ের জামাইয়ের বিরুদ্ধে শ্বশুরের আনারসবাগান কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বেরিবাইদ ইউনিয়নের গুবুদিয়া গ্রামে (হগাবাড়ি) কৃষক নয়েজ উদ্দীনের বাগানের পাঁচ হাজারের বেশি আনারস কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। ১৭ জুন মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নয়েজ উদ্দীন ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক শত্রুতার জেরে তাঁদের মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবু এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নয়েজ উদ্দীনের স্ত্রী আছমা বেগম জানান, প্রায় ৪৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে পাঁচ হাজার আনারস রোপণ করেছিলেন তাঁরা। বাগান পরিচর্যায়, জমি উন্নয়ন, চারা কেনা, শ্রমিক খরচ, পরিচর্যাসহ সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল। পুঁজি না থাকায় লোন নিয়ে তাঁরা এই আনারসের বাগান করেছিলেন। তিনি জানান, তাঁর মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১০টায় দিকে বাবু এবং তাঁর সহযোগী মনিরসহ আরও আট-দশজন তাঁর বাগানের সব আনারস কেটে ফেলেছেন।

এ ব্যাপারে জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার সাথে শ্বশুরবাড়ির সাথে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এ কারণেই আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অভিযোগ এনেছে তারা। আনারস কেটে ফেলার ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই।’ মনির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও এই ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি করেন।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল কবীর জানান, এমন একটি ঘটনা তিনি শুনেছেন। এ নিয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। এখন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সদর দপ্তরের নিজস্ব ভবনে অফিস শুরুর প্রথম দিনেই দেয়াল চুইয়ে ঢুকেছে বৃষ্টির পানি। এই পানি থেকে রক্ষা পেতে পাঁচতলা ভবন ত্রিপলে ঢেকে দেওয়া হয়।
৩১ মিনিট আগে
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদ পুনঃখননে ব্যয় হয়েছিল ২৩ কোটি টাকা। লক্ষ্য ছিল নাব্যতা ফিরিয়ে এনে আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা কমানো এবং নৌপথ সচল করা। কিন্তু খননের ছয় মাসের মধ্যেই নদ আবার পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় নৌযান চলাচল।
৫ ঘণ্টা আগে
কোলে দুই বছরের কন্যাশিশু। পরনে মলিন পোশাক। মাথার ওপর ছাদ বলতে চুয়াডাঙ্গা শহরের একটি সড়কের পাশের পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকের একটুখানি ছাউনি। রোদ-বৃষ্টি কিংবা কনকনে শীত—সব আবহাওয়াতেই মা-মেয়ের ঠিকানা এই একচিলতে ফুটপাত।
৫ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ে ১১টি সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ওয়াশ ব্লক নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও সাতটির কাজ এখনো শুরু হয়নি। এমনকি ওই সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা জানেন না এমন প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ের নামে দরপত্র হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন।
৫ ঘণ্টা আগে