গাজীপুর প্রতিনিধি

যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের ১৮ কিলোমিটার অংশ। গতকাল রোববার সকালে এই সড়ক আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সংযোগস্থল গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস থেকে মদনপুর সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে। কমবে সময় ব্যয়ও। তবে নিরাপত্তা ও গতি নিশ্চিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই অংশে কোনো ইউ টার্ন থাকছে না।
গতকাল সকালে ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের এ অংশ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। সূত্র জানায়, ২০২২ সালের মে মাসে ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ভোগড়া বাইপাস থেকে মদনপুর পর্যন্ত বিস্তৃত এই প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে হস্তান্তরের সময়সীমা ২০২৬ সালের জুন।
উদ্বোধনের সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘বড় শহরগুলোতে এ রকম বাইপাস করতে হবে, যাতে যানজটমুক্ত রাখা যায়। তবে সড়ক নির্মাণের ব্যয় কমাতে হবে এবং টেকনোলজি বাড়াতে হবে। যেন বছর বছর সড়ক খারাপ না হয়। আমরা পত্রপত্রিকায় দেখছি, সব রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে, চলাচল করা যাচ্ছে না। সিলেট থেকে আমি প্রায় প্রতিদিন ফোন পাই রাস্তা খারাপের বিষয়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সব জায়গায়, সব সময় বলি আর কতকাল বাইরে থেকে লোক এনে রাস্তা বানানো হবে। কতকাল বাইরে থেকে লোক এসে সেতু, রেলপথ বানিয়ে দিয়ে যাবে। এ জন্য আমাদের দেশের প্রকৌশলী দিয়ে কীভাবে কাজ করা যায়, সেই চেষ্টা করতে হবে। আমাদের বিদেশি নির্ভরশীলতা থেকে ক্রমেই মুক্ত হতে হবে। আর আমাদের প্রকৌশলীরা যদি চান, ৩০-৪০ শতাংশ ব্যয় কমাতে পারেন।’
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ১৮ কিলোমিটার অংশে আংশিকভাবে টোল আদায় শুরু হচ্ছে। যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে এটি দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য একটি বিকল্প রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফলকে নাম দেখে উপদেষ্টার রাগ
এদিকে উদ্বোধনী ফলকে নিজের নাম লেখা দেখে রেগে গেলেন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ সময় তিনি বলেন, ‘এখানে নাম আসল কীভাবে? এটি কি আমার বাপের টাকায় করছে? তাহলে এখানে আমার নাম দিয়েছ কেন? এই ফলকে আমার নাম থাকবে না। এটি ইমিডিয়েটলি চেঞ্জ করো।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো নাম থাকবে না। জাস্ট বাইপাস উদ্বোধন করা হয়েছে—এ কথা লেখা থাকবে। তা ছাড়া আর যারা কাজ করছে; মন্ত্রণালয় বা অন্যান্য বিষয় লেখা থাকবে।’
জানা গেছে, উদ্বোধনী বক্তৃতা শেষ করে ফিতা কেটে ফলক উদ্বোধন করতে যান উপদেষ্টা। উদ্বোধনী ফলকের কাছে গিয়ে হাত দিয়ে পর্দা সরিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে উদ্বোধক হিসেবে তাঁর নাম লেখা রয়েছে। এটি দেখে তিনি অসন্তুষ্ট হন এবং রেগে যান।
উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘এখানে নাম আসল কীভাবে? কেন তোমরা জানো না, এখানে আমার নাম লেখা যাবে না?’ এ কথা বলে তিনি হাঁটতে শুরু করেন। এ সময় এক সাংবাদিক জানতে চান, এ রকম নির্দেশনা আগে দেওয়া ছিল কি না। উত্তরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ আগেই নির্দেশনা দেওয়া ছিল।’ পরে উপদেষ্টা উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ফিতা কাটতে যান।

যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের ১৮ কিলোমিটার অংশ। গতকাল রোববার সকালে এই সড়ক আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সংযোগস্থল গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস থেকে মদনপুর সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে। কমবে সময় ব্যয়ও। তবে নিরাপত্তা ও গতি নিশ্চিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই অংশে কোনো ইউ টার্ন থাকছে না।
গতকাল সকালে ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের এ অংশ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। সূত্র জানায়, ২০২২ সালের মে মাসে ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ভোগড়া বাইপাস থেকে মদনপুর পর্যন্ত বিস্তৃত এই প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে হস্তান্তরের সময়সীমা ২০২৬ সালের জুন।
উদ্বোধনের সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘বড় শহরগুলোতে এ রকম বাইপাস করতে হবে, যাতে যানজটমুক্ত রাখা যায়। তবে সড়ক নির্মাণের ব্যয় কমাতে হবে এবং টেকনোলজি বাড়াতে হবে। যেন বছর বছর সড়ক খারাপ না হয়। আমরা পত্রপত্রিকায় দেখছি, সব রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে, চলাচল করা যাচ্ছে না। সিলেট থেকে আমি প্রায় প্রতিদিন ফোন পাই রাস্তা খারাপের বিষয়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সব জায়গায়, সব সময় বলি আর কতকাল বাইরে থেকে লোক এনে রাস্তা বানানো হবে। কতকাল বাইরে থেকে লোক এসে সেতু, রেলপথ বানিয়ে দিয়ে যাবে। এ জন্য আমাদের দেশের প্রকৌশলী দিয়ে কীভাবে কাজ করা যায়, সেই চেষ্টা করতে হবে। আমাদের বিদেশি নির্ভরশীলতা থেকে ক্রমেই মুক্ত হতে হবে। আর আমাদের প্রকৌশলীরা যদি চান, ৩০-৪০ শতাংশ ব্যয় কমাতে পারেন।’
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ১৮ কিলোমিটার অংশে আংশিকভাবে টোল আদায় শুরু হচ্ছে। যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে এটি দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য একটি বিকল্প রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফলকে নাম দেখে উপদেষ্টার রাগ
এদিকে উদ্বোধনী ফলকে নিজের নাম লেখা দেখে রেগে গেলেন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ সময় তিনি বলেন, ‘এখানে নাম আসল কীভাবে? এটি কি আমার বাপের টাকায় করছে? তাহলে এখানে আমার নাম দিয়েছ কেন? এই ফলকে আমার নাম থাকবে না। এটি ইমিডিয়েটলি চেঞ্জ করো।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো নাম থাকবে না। জাস্ট বাইপাস উদ্বোধন করা হয়েছে—এ কথা লেখা থাকবে। তা ছাড়া আর যারা কাজ করছে; মন্ত্রণালয় বা অন্যান্য বিষয় লেখা থাকবে।’
জানা গেছে, উদ্বোধনী বক্তৃতা শেষ করে ফিতা কেটে ফলক উদ্বোধন করতে যান উপদেষ্টা। উদ্বোধনী ফলকের কাছে গিয়ে হাত দিয়ে পর্দা সরিয়ে তিনি দেখতে পান, সেখানে উদ্বোধক হিসেবে তাঁর নাম লেখা রয়েছে। এটি দেখে তিনি অসন্তুষ্ট হন এবং রেগে যান।
উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘এখানে নাম আসল কীভাবে? কেন তোমরা জানো না, এখানে আমার নাম লেখা যাবে না?’ এ কথা বলে তিনি হাঁটতে শুরু করেন। এ সময় এক সাংবাদিক জানতে চান, এ রকম নির্দেশনা আগে দেওয়া ছিল কি না। উত্তরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ আগেই নির্দেশনা দেওয়া ছিল।’ পরে উপদেষ্টা উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ফিতা কাটতে যান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে