নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা এবং আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত দুটি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবারও পিছিয়েছে। আজ মঙ্গলবার নির্ধারিত তারিখে সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার ৩০ এপ্রিল নতুন দিন ধার্য করেছেন।
কারাগারে থাকা আসামিদের পাশাপাশি জামিনে থাকা সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গৌছসহ মোট ১২ জন হাজির থাকলেও নির্ধারিত ১৪ জন সাক্ষীর কেউই উপস্থিত ছিলেন না।
আদালতের এপিপি মো. আবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ‘মামলার সাক্ষীরা কেউ উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক আগামী ৩০ এপ্রিল পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন। জামিনে থাকা আসামিদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর আদালতে আসেননি, তবে তিনি সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।’
জানা গেছে, ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে হবিগঞ্জে এক রাজনৈতিক সমাবেশ শেষে গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত হয়ে মারা যান অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া। প্রাণ হারান আরও চারজন এবং আহত হন অন্তত ৭০ জন। ঘটনার পরপরই হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ২০০৫ সালে সিআইডি প্রথম দফা অভিযোগপত্র দেয়। পরবর্তীতে বাদীপক্ষের আপত্তির পর পুনঃতদন্তে আসামির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। মামলার অগ্রগতি দীর্ঘদিন ধরে ধীর গতির। ১৭১ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন মাত্র ৬৩ জন।
অন্যদিকে, ২০০৪ সালে সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের রাজনৈতিক সমাবেশে চালানো গ্রেনেড হামলায় একজন যুবলীগ কর্মী নিহত হন, আহত হন আরও অনেকেই। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০২০ সালে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৫২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রতিবার সাক্ষীদের অনুপস্থিতি বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা এবং আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত দুটি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবারও পিছিয়েছে। আজ মঙ্গলবার নির্ধারিত তারিখে সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার ৩০ এপ্রিল নতুন দিন ধার্য করেছেন।
কারাগারে থাকা আসামিদের পাশাপাশি জামিনে থাকা সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গৌছসহ মোট ১২ জন হাজির থাকলেও নির্ধারিত ১৪ জন সাক্ষীর কেউই উপস্থিত ছিলেন না।
আদালতের এপিপি মো. আবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ‘মামলার সাক্ষীরা কেউ উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক আগামী ৩০ এপ্রিল পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন। জামিনে থাকা আসামিদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর আদালতে আসেননি, তবে তিনি সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।’
জানা গেছে, ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে হবিগঞ্জে এক রাজনৈতিক সমাবেশ শেষে গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত হয়ে মারা যান অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া। প্রাণ হারান আরও চারজন এবং আহত হন অন্তত ৭০ জন। ঘটনার পরপরই হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ২০০৫ সালে সিআইডি প্রথম দফা অভিযোগপত্র দেয়। পরবর্তীতে বাদীপক্ষের আপত্তির পর পুনঃতদন্তে আসামির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। মামলার অগ্রগতি দীর্ঘদিন ধরে ধীর গতির। ১৭১ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন মাত্র ৬৩ জন।
অন্যদিকে, ২০০৪ সালে সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের রাজনৈতিক সমাবেশে চালানো গ্রেনেড হামলায় একজন যুবলীগ কর্মী নিহত হন, আহত হন আরও অনেকেই। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০২০ সালে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৫২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রতিবার সাক্ষীদের অনুপস্থিতি বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৫ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৫ ঘণ্টা আগে