পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে
খুশি করতে বিআরটিএ কর্মকর্তাদের এ টাকা দেওয়া হয়—দাবি প্রশিক্ষকদের
সুমন আলী, নওগাঁ

ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস ও লাইসেন্স দেওয়ার নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে। টিটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ সনি ও মাহবুব আলম টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ প্রশিক্ষণার্থীদের।
এদিকে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ জানেন না বলে জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত ড্রাইভিং প্রশিক্ষকেরা টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, উত্তোলনকৃত টাকা বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) অফিসের লোকজনকে দিতে হয়। টাকা না দিলে নানা অজুহাতে প্রশিক্ষণার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়া হয় বলেও দাবি ওই কর্মকর্তাদের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি) প্রকল্পের আওতায় ফ্রিতে চার মাস মেয়াদি ‘মোটর ড্রাইভিং উইথ বেসিক মেইনটেনেন্স’ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় টিটিসিতে। বছরে তিনবার হয় এই প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রতিদিন জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে ভাতা বরাদ্দ। এর মধ্যে যাতায়াতে ১০০ আর নাশতা বাবদ ৫০ টাকা। গেল ডিসেম্বর মাসে দুই ব্যাচে ৪৯ প্রশিক্ষণার্থীর চার মাসব্যাপী ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শেষ হয়। পরে ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস এবং লাইসেন্সের জন্য বিআরটিএ অফিসে টাকা দিতে হবে বলে জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয় প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে।
ওই প্রশিক্ষণার্থীরা বলছেন, প্রশিক্ষণটিতে কোনোরকম টাকা দিতে হয় না জেনেই তাঁরা এসেছিলেন। কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে টাকা চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা হয় আহসান হাবিব, নুরন্নবী, শামীমসহ কয়েক প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে। তাঁরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রশিক্ষণ শেষে গত ২৯ ডিসেম্বর লাইসেন্স দেওয়ার জন্য বিআরটিএতে পরীক্ষা হয়। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর ড্রাইভিং প্রশিক্ষক স্যাররা ২ হাজার টাকা করে সবার কাছ থেকে তোলেন। পরে জানতে চাইলে বলা হয়, বিআরটিএতে পরীক্ষার বিষয়ে এই টাকা। অথচ এই কোর্স করতে কোথাও কোনো টাকা দিতে হয় না। সম্পূর্ণ ফ্রি জেনেই আমরা ভর্তি হয়েছিলাম। বিষয়টা তদন্তের দাবি জানাই।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ড্রাইভিং প্রশিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ সনি ও মাহবুব আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিআরটিএ অফিসকে টাকা না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে ড্রাইভিং পরীক্ষায় প্রশিক্ষণার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে কোনো ঝামেলায় না পড়ে এ জন্য কিছু টাকা তোলা হয়। সেই টাকা দিয়ে প্রশিক্ষণার্থীসহ খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করে তাদের (বিআরটিএ) কর্মকর্তাদের দাওয়াত দেওয়া হয়। খাওয়াদাওয়া শেষে কর্মকর্তাদের (বিআরটিএ) খুশি করতে হাতে টাকা দেওয়া হয়।’ তাঁরা আরও বলেন, ‘এই নিয়ম বহুদিন ধরে চলে আসছে। বিআরটিএর কাছে আমরাও জিম্মি।’
নওগাঁ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সামছুজ্জামান বলেন, ‘আমার জানামতে কোনো প্রশিক্ষণার্থীর কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হয় না।’ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানান তিনি।
টিটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষকদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে নওগাঁ বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এমন অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কোর্স কমিটির সভাপতি জান্নাত আরা তিথি বলেন, ‘প্রশিক্ষণ শেষে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দেয়, তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস ও লাইসেন্স দেওয়ার নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে। টিটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ সনি ও মাহবুব আলম টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ প্রশিক্ষণার্থীদের।
এদিকে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ জানেন না বলে জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত ড্রাইভিং প্রশিক্ষকেরা টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, উত্তোলনকৃত টাকা বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) অফিসের লোকজনকে দিতে হয়। টাকা না দিলে নানা অজুহাতে প্রশিক্ষণার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়া হয় বলেও দাবি ওই কর্মকর্তাদের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি) প্রকল্পের আওতায় ফ্রিতে চার মাস মেয়াদি ‘মোটর ড্রাইভিং উইথ বেসিক মেইনটেনেন্স’ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় টিটিসিতে। বছরে তিনবার হয় এই প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রতিদিন জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে ভাতা বরাদ্দ। এর মধ্যে যাতায়াতে ১০০ আর নাশতা বাবদ ৫০ টাকা। গেল ডিসেম্বর মাসে দুই ব্যাচে ৪৯ প্রশিক্ষণার্থীর চার মাসব্যাপী ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শেষ হয়। পরে ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস এবং লাইসেন্সের জন্য বিআরটিএ অফিসে টাকা দিতে হবে বলে জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয় প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে।
ওই প্রশিক্ষণার্থীরা বলছেন, প্রশিক্ষণটিতে কোনোরকম টাকা দিতে হয় না জেনেই তাঁরা এসেছিলেন। কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে টাকা চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা হয় আহসান হাবিব, নুরন্নবী, শামীমসহ কয়েক প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে। তাঁরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রশিক্ষণ শেষে গত ২৯ ডিসেম্বর লাইসেন্স দেওয়ার জন্য বিআরটিএতে পরীক্ষা হয়। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর ড্রাইভিং প্রশিক্ষক স্যাররা ২ হাজার টাকা করে সবার কাছ থেকে তোলেন। পরে জানতে চাইলে বলা হয়, বিআরটিএতে পরীক্ষার বিষয়ে এই টাকা। অথচ এই কোর্স করতে কোথাও কোনো টাকা দিতে হয় না। সম্পূর্ণ ফ্রি জেনেই আমরা ভর্তি হয়েছিলাম। বিষয়টা তদন্তের দাবি জানাই।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ড্রাইভিং প্রশিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ সনি ও মাহবুব আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিআরটিএ অফিসকে টাকা না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে ড্রাইভিং পরীক্ষায় প্রশিক্ষণার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে কোনো ঝামেলায় না পড়ে এ জন্য কিছু টাকা তোলা হয়। সেই টাকা দিয়ে প্রশিক্ষণার্থীসহ খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করে তাদের (বিআরটিএ) কর্মকর্তাদের দাওয়াত দেওয়া হয়। খাওয়াদাওয়া শেষে কর্মকর্তাদের (বিআরটিএ) খুশি করতে হাতে টাকা দেওয়া হয়।’ তাঁরা আরও বলেন, ‘এই নিয়ম বহুদিন ধরে চলে আসছে। বিআরটিএর কাছে আমরাও জিম্মি।’
নওগাঁ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সামছুজ্জামান বলেন, ‘আমার জানামতে কোনো প্রশিক্ষণার্থীর কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হয় না।’ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানান তিনি।
টিটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষকদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে নওগাঁ বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এমন অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কোর্স কমিটির সভাপতি জান্নাত আরা তিথি বলেন, ‘প্রশিক্ষণ শেষে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দেয়, তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাসনগরে সোমেশ্বরী নদীর ওপর গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দুই বছর আগে। এখন পর্যন্ত সেতুর খুঁটি (পিলার) নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কাজ আর হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
ইটভাটার আগ্রাসনে চাঁদপুরে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি ক্রমে কমছে। প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভাটাগুলো চালুর সময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে কাটা হয় কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি। এতে জমির উৎপাদনক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিচু হয়ে যাচ্ছে মাটির স্তর।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, ওই তারিখের আগে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী কিংবা তাঁদের পক্ষে কেউ প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ঢাকা-৪ আসনের সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানগুলোতে জমে উঠেছে ভোটের আলাপ। তবে ভোটাররা এখন অনেক সচেতন। তাঁদের অনেকেই হিসাব কষছেন, কাকে ভোট দিলে ভালো থাকা যাবে, দেশ ভালো চলবে।
৩ ঘণ্টা আগে