ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় শাটার ঝালাইয়ের সময় পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে অন্তত ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা বাজারে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আগুনে দগ্ধরা হলেন–হোসেনপুর গ্রামের মহিষখলা দাখিল মাদ্রাসার প্রাক্তন সুপার আব্দুল আজিজের ছেলে মাহমুদুল মিয়া (২৪) ও এনামুল মিয়া (১৯)। তাঁরা ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
অন্য দুজনের মধ্যে একজন হোসেনপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে রবিউল ইসলাম (১২)। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতাল ও অন্যজন একই গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে সাদিকুল ইসলাম (১৬)। তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা বাজারে গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে আজিজের ঘরে শাটার মেরামতের জন্য ঝালাইয়ের কাজ করছিলেন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি। ওই ঘরের পাশে ড্রামে পেট্রল রাখা ছিল। দুটি শাটারের কাজ শেষে তৃতীয় শাটার মেরামতের সময় পেট্রল দোকানের মালিক মাহমুদুল মিয়া ও এনামুল মিয়া ঘর থেকে ওই পেট্রল ভর্তি ড্রাম বের করছিলেন। ড্রাম খুলতেই ওয়েল্ডিং এর আগুন গিয়ে সেখানে পড়ে আগুন লেগে যায়। এতে ঘটনাস্থলে থাকা সবাই অগ্নিদগ্ধ হয়।
মহিষখলা দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সুপার আব্দুল আজিজ বলেন, ‘শাটারে ওয়েল্ডিং করার আগুনের ফুলকি পেট্রলে পড়ে আগুনের সৃষ্টি হয়। আমার দুই ছেলে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘরের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’
বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান নূর নবী তালুকদার বলেন, ‘আমি আগুনের বিষয়টি জেনেছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে যাব।’
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা বলেন, ‘আগুনের অগ্নিদগ্ধ হওয়ার বিষয়টি আমি জেনেছি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় শাটার ঝালাইয়ের সময় পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে অন্তত ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা বাজারে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আগুনে দগ্ধরা হলেন–হোসেনপুর গ্রামের মহিষখলা দাখিল মাদ্রাসার প্রাক্তন সুপার আব্দুল আজিজের ছেলে মাহমুদুল মিয়া (২৪) ও এনামুল মিয়া (১৯)। তাঁরা ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
অন্য দুজনের মধ্যে একজন হোসেনপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে রবিউল ইসলাম (১২)। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতাল ও অন্যজন একই গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে সাদিকুল ইসলাম (১৬)। তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা বাজারে গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে আজিজের ঘরে শাটার মেরামতের জন্য ঝালাইয়ের কাজ করছিলেন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি। ওই ঘরের পাশে ড্রামে পেট্রল রাখা ছিল। দুটি শাটারের কাজ শেষে তৃতীয় শাটার মেরামতের সময় পেট্রল দোকানের মালিক মাহমুদুল মিয়া ও এনামুল মিয়া ঘর থেকে ওই পেট্রল ভর্তি ড্রাম বের করছিলেন। ড্রাম খুলতেই ওয়েল্ডিং এর আগুন গিয়ে সেখানে পড়ে আগুন লেগে যায়। এতে ঘটনাস্থলে থাকা সবাই অগ্নিদগ্ধ হয়।
মহিষখলা দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সুপার আব্দুল আজিজ বলেন, ‘শাটারে ওয়েল্ডিং করার আগুনের ফুলকি পেট্রলে পড়ে আগুনের সৃষ্টি হয়। আমার দুই ছেলে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘরের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’
বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান নূর নবী তালুকদার বলেন, ‘আমি আগুনের বিষয়টি জেনেছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে যাব।’
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা বলেন, ‘আগুনের অগ্নিদগ্ধ হওয়ার বিষয়টি আমি জেনেছি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে