সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে নদীর পাড় কাটার সময় বালুচাপা পড়ে লিয়াকত আলী (৩২) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এতে আরও একজন আহত হয়েছেন। আজ রোববার বাদাঘাট ইউনিয়নে যাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত লিয়াকত আলী জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সিরাজপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে।
জানা যায়, আজ ভোরে লিয়াকত আলীসহ কয়েকজন শ্রমিক শিমুলবাগান-সংলগ্ন ঘাগটিয়া গ্রামের যাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়ে বালু উত্তোলন করতে যান। এ সময় নদীর পাড় ধসে পড়লে বালুর নিচে চাপা পড়েন লিয়াকত আলীসহ দুজন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে আহতাবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে। এতে লিয়াকত আলী ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এ ব্যাপারে বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, আজ ভোরে শিমুলবাগান-সংলগ্ন ঘাগটিয়া গ্রামের যাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এতে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ভোরে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের সময় একজন শ্রমিক নিহত হন এবং একজন আহত হন। নিহত শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
৫ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৬ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে