
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে একই রাতে দুটি বাড়ির গোয়ালঘরের তালা ভেঙে সাতটি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের হালুয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে হালুয়াকান্দি গ্রামের গরু ব্যবসায়ী মো. নাসির মণ্ডলের (৫০) টিনের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে পাঁচটি ষাঁড় গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। চুরি হওয়া গরুগুলোর মধ্যে দুটি লাল, দুটি ছাই রঙের ও একটি সাদা ষাঁড় রয়েছে। এসব গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা।
এর কিছুক্ষণ পর একই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ও কৃষিজীবী মো. বজলুর রহমানের (৫৯) গোয়ালঘরের তালা ভেঙে একটি কালো গাভি ও একটি সাদা এঁড়ে বাছুর নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
বজলুর রহমান জানান, গরু একটি নীল রঙের পিকআপে তোলার সময় তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তিনি চিৎকার করলে তিন থেকে চারজনের একটি দল দ্রুত পিকআপ নিয়ে পালিয়ে যায়।
গরু ব্যবসায়ী নাসির মণ্ডল বলেন, রাতে গোয়ালঘরে গরু রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সকালে উঠে দেখেন, গোয়ালঘরের তালা ভাঙা এবং ভেতরে কোনো গরু নেই।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলী বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। চোরদের শনাক্ত ও চুরি যাওয়া গরু উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।’

গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজার ১২৩টি ইয়াবা, নগদ ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বিলাসবহুল মাইক্রোবাসসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জের উজ্জ্বল মোল্লা (৪০) ও তাঁর সহযোগী ওয়াসিম মোল্লা (২৫)।
১৮ মিনিট আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাতার লাঠির আঘাতে হাফিজ উদ্দিন (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কেওয়া পশ্চিমখণ্ড দারোগারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জামাতা ফিরোজ (২৫) পলাতক রয়েছেন...
২৫ মিনিট আগে
আজ ভোর ৪টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালে পার্কিং করে রাখা ৪০ আসনের এনা পরিবহনের একটি বাস চুরি হয়েছে জানিয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন মাহফুজ নামে এক ব্যক্তি। বাসটিতে থাকা জিপিএস ট্র্যাকার থেকে তারা দেখতে পান— বাসটি মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় চলাচল করছে।
৪১ মিনিট আগে
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের সান্দিড়া গ্রামের আব্দুল হাই সিদ্দিক। জীবনের ব্যস্ততা কিংবা নিজের পেশার কাজ—কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারে না মানুষের শেষ বিদায়ের দায়িত্ব থেকে। গ্রামের কারও মৃত্যুর খবর পেলেই ছুটে যান কবরস্থানে। কবর খনন, দাফনের উপযোগী করে প্রস্তুত করা এবং মরদেহ গোসল করানোর....
১ ঘণ্টা আগে