সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় লিচু ব্যবসায়ী আব্দুল গফফার হত্যা মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব জানিয়েছে, তাঁরা লিচু আত্মসাৎ করতে দুজন লিচু ব্যবসায়ীকে ট্রাক থেকে ফেলে দেন।
আজ শুক্রবার দুপুরে র্যাব-১২ এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব অধিনায়ক মো. মারুফ হোসেন।
নিহত লিচু ব্যবসায়ী আব্দুল গফফার (৬৫) নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–নাটোর জেলার দিয়া সাতুরিয়া গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে সাইদুর রহমান (২৮), একই জেলার গাজীপুর গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে আজিজুল হক (৪৮), কাঠাল বাড়িয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক (৪৫), বড় বাড়িয়া গ্রামের সামছু মিয়ার ছেলে মতিউর রহমান (৪৩), ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার বিটিবাড়ী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩৪) ও টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানার কুটিবাড়ী চাঁনপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে সুজন মিয়া (২৯)।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব অধিনায়ক বলেন, লিচু ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনাটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলে সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় আহত লিচু ব্যবসায়ী হেলাল শেখ (৩৬) বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে র্যাব-১২ ছায়াতদন্ত শুরু করে।
হেলাল শেখ একজন লিচু ব্যবসায়ী। গত ৩ জুন তিনি পাবনা জেলার দাশুড়িয়া এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে লিচু ক্রয় করে আরেকজন লিচু ব্যবসায়ী গফফারকে সঙ্গে নিয়ে একটি ট্রাকযোগে সিরাজগঞ্জের দিকে আসছিলেন। ট্রাকে তাঁরা দুজন ছাড়াও আরও ৬-৭ জন ছিল। তারা নিজেদেরকে গরু ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দেয়।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাটোর জেলার কাঁচিকাটা টোলপ্লাজা পার হওয়ার পর ওই ৬–৭ জন লিচু আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ওই দুই লিচু ব্যবসায়ীর হাত-পা, চোখ বেঁধে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম করে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বোয়ালিয়া এলাকায় তাঁদের ট্রাক থেকে ফেলে দেয়। পরে তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে দুই লিচু ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে লিচু ব্যবসায়ী আব্দুল গফফারকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় লিচু ব্যবসায়ী আব্দুল গফফার হত্যা মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব জানিয়েছে, তাঁরা লিচু আত্মসাৎ করতে দুজন লিচু ব্যবসায়ীকে ট্রাক থেকে ফেলে দেন।
আজ শুক্রবার দুপুরে র্যাব-১২ এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব অধিনায়ক মো. মারুফ হোসেন।
নিহত লিচু ব্যবসায়ী আব্দুল গফফার (৬৫) নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–নাটোর জেলার দিয়া সাতুরিয়া গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে সাইদুর রহমান (২৮), একই জেলার গাজীপুর গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে আজিজুল হক (৪৮), কাঠাল বাড়িয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক (৪৫), বড় বাড়িয়া গ্রামের সামছু মিয়ার ছেলে মতিউর রহমান (৪৩), ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার বিটিবাড়ী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩৪) ও টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানার কুটিবাড়ী চাঁনপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে সুজন মিয়া (২৯)।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব অধিনায়ক বলেন, লিচু ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনাটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলে সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় আহত লিচু ব্যবসায়ী হেলাল শেখ (৩৬) বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে র্যাব-১২ ছায়াতদন্ত শুরু করে।
হেলাল শেখ একজন লিচু ব্যবসায়ী। গত ৩ জুন তিনি পাবনা জেলার দাশুড়িয়া এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে লিচু ক্রয় করে আরেকজন লিচু ব্যবসায়ী গফফারকে সঙ্গে নিয়ে একটি ট্রাকযোগে সিরাজগঞ্জের দিকে আসছিলেন। ট্রাকে তাঁরা দুজন ছাড়াও আরও ৬-৭ জন ছিল। তারা নিজেদেরকে গরু ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দেয়।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাটোর জেলার কাঁচিকাটা টোলপ্লাজা পার হওয়ার পর ওই ৬–৭ জন লিচু আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ওই দুই লিচু ব্যবসায়ীর হাত-পা, চোখ বেঁধে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম করে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বোয়ালিয়া এলাকায় তাঁদের ট্রাক থেকে ফেলে দেয়। পরে তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে দুই লিচু ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে লিচু ব্যবসায়ী আব্দুল গফফারকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে