শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে মো. আব্দুল আওয়াল শেখ (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। গতকাল সোমবার রাতে শেরপুর সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন আহত ব্যবসায়ীর বড় ভাই মো. কামাল মিয়া।
আহত আব্দুল আওয়াল শহরের নবীনগর এলাকার মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে। মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজা (৩২) ও শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিবসহ (২৪) ১১ ছাত্রলীগ নেতা কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে শহরের নিউমার্কেট এলাকায় মো. কামাল মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী কারিমুল হাসান জিহাদ ও তার ব্যবসায়ী অংশীদার তৌফিকুর রহমান তারিফের ওপর অতর্কিত হামলা করে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। খবর পেয়ে জিহাদের চাচা আউয়াল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের নিয়ে হামলাকারীদের ফেরাতে চেষ্টা করলে তারা উত্তেজিত হয়ে আব্দুল আউয়াল শেখকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনার পরদিন রোববার রাত সাড়ে আটটায় ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজার নির্দেশে আব্দুর রাকিব, জামানসহ বেশ কয়েকজন শহরের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে আব্দুল আউয়ালের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জিহাদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে গিয়ে প্রথমে তাকে গালিগালাজ করতে থাকে। সে সময় ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল প্রতিবাদ করলে তারা লোহার পাইপ, রড দিয়ে তাকে পেটায় এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় আশপাশের লোকজন তাদের ফেরাতে চেষ্টা করলে তাদেরও অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
এ বিষয়ে আরও জানা যায়, পরে ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়ালকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা গুরুতর দেখে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত ব্যবসায়ীর বড় ভাই মো. কামাল মিয়া বলেন, ‘ঘটনার পর মামলা করলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার না করায় আমরা ঝুঁকিতে রয়েছি। এদিকে আমার ভাইও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। কখন কী হয়ে যায়, বলা যাচ্ছে না। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
এ বিষয়ে শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার মোবাইলে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শহরের নিউমার্কেট এলাকায় তাঁর অফিসে গিয়েও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, ‘সেটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এর সঙ্গে রেজাউল করিম রেজা জড়িত নন। একটি মহল তাঁকে ওই মামলায় জড়িয়েছে।’
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন দেবনাথ বলেন, ‘মামলা গ্রহণের পর থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় আহতের বড় ভাই বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।’

শেরপুরে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে মো. আব্দুল আওয়াল শেখ (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। গতকাল সোমবার রাতে শেরপুর সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন আহত ব্যবসায়ীর বড় ভাই মো. কামাল মিয়া।
আহত আব্দুল আওয়াল শহরের নবীনগর এলাকার মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে। মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজা (৩২) ও শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিবসহ (২৪) ১১ ছাত্রলীগ নেতা কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে শহরের নিউমার্কেট এলাকায় মো. কামাল মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী কারিমুল হাসান জিহাদ ও তার ব্যবসায়ী অংশীদার তৌফিকুর রহমান তারিফের ওপর অতর্কিত হামলা করে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। খবর পেয়ে জিহাদের চাচা আউয়াল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের নিয়ে হামলাকারীদের ফেরাতে চেষ্টা করলে তারা উত্তেজিত হয়ে আব্দুল আউয়াল শেখকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনার পরদিন রোববার রাত সাড়ে আটটায় ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজার নির্দেশে আব্দুর রাকিব, জামানসহ বেশ কয়েকজন শহরের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে আব্দুল আউয়ালের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জিহাদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে গিয়ে প্রথমে তাকে গালিগালাজ করতে থাকে। সে সময় ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল প্রতিবাদ করলে তারা লোহার পাইপ, রড দিয়ে তাকে পেটায় এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় আশপাশের লোকজন তাদের ফেরাতে চেষ্টা করলে তাদেরও অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
এ বিষয়ে আরও জানা যায়, পরে ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়ালকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা গুরুতর দেখে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত ব্যবসায়ীর বড় ভাই মো. কামাল মিয়া বলেন, ‘ঘটনার পর মামলা করলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার না করায় আমরা ঝুঁকিতে রয়েছি। এদিকে আমার ভাইও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। কখন কী হয়ে যায়, বলা যাচ্ছে না। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
এ বিষয়ে শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার মোবাইলে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শহরের নিউমার্কেট এলাকায় তাঁর অফিসে গিয়েও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, ‘সেটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এর সঙ্গে রেজাউল করিম রেজা জড়িত নন। একটি মহল তাঁকে ওই মামলায় জড়িয়েছে।’
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন দেবনাথ বলেন, ‘মামলা গ্রহণের পর থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় আহতের বড় ভাই বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে