শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ৬৫ বছরের একটি পুরোনো রাস্তা প্রভাবশালী দুই ভাই বন্ধ করে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে এই মানববন্ধন হয়।
এলাকাবাসী জানায়, খামারপাড়া গ্রামের ছাবর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনক তাঁদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া একটি সরকারি রাস্তা প্রভাব খাটিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। প্রায় পাঁচ মাস ধরে রাস্তাটিতে চলাচল করতে পারছে না গ্রামের সাধারণ মানুষ। এতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাপড়ুয়া শিক্ষার্থীরাসহ এলাকাবাসী ভোগান্তিতে পড়েছে। তারা জানায়, রাস্তা বন্ধের ঘটনায় একাধিকবার গ্রাম্য সালিস বৈঠক হয়। এতে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে রাজি হলেও শেষ পর্যন্ত কথা রাখেননি জাহাঙ্গীর ও মঞ্জুরুল। সালিস বৈঠক না মেনে উল্টো ভুক্তভোগীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন তাঁরা।
স্থানীয় বাসিন্দা জাফরুল হাসান জনি বলেন, জাহাঙ্গীর ও মঞ্জুরুল প্রভাব খাটিয়ে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারছে না দেড় শতাধিক পরিবারের মানুষ। প্রতিবাদ করায় তাঁরা গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন, জাফরুল হাসান জনি, ফরহাদুজ্জামান বাবু, জাহাঙ্গীর আলম মিস্টার, মনিরুজ্জামান, বাবুল মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান, নুর হোসেন, আবদুল্লাহ, এমদাদুল হক, সাবিনা ইয়াসমিন, স্বর্ণা বেগম, শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান বিভা, ফারিয়া সরকার, জান্নাতুল মাওয়া, ওমর সানী প্রমুখ।
অভিযোগের ব্যাপারে জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
কাকিলাকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল্লাহ তালুকদার বলেন, রাস্তাটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। রাস্তার কাজ করতে গেলে একটি পক্ষ বাধা দেয়। এতে গ্রামবাসী ভোগান্তিতে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ বলেন, ‘রাস্তা বন্ধের বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেননি। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ৬৫ বছরের একটি পুরোনো রাস্তা প্রভাবশালী দুই ভাই বন্ধ করে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে এই মানববন্ধন হয়।
এলাকাবাসী জানায়, খামারপাড়া গ্রামের ছাবর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনক তাঁদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া একটি সরকারি রাস্তা প্রভাব খাটিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। প্রায় পাঁচ মাস ধরে রাস্তাটিতে চলাচল করতে পারছে না গ্রামের সাধারণ মানুষ। এতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাপড়ুয়া শিক্ষার্থীরাসহ এলাকাবাসী ভোগান্তিতে পড়েছে। তারা জানায়, রাস্তা বন্ধের ঘটনায় একাধিকবার গ্রাম্য সালিস বৈঠক হয়। এতে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে রাজি হলেও শেষ পর্যন্ত কথা রাখেননি জাহাঙ্গীর ও মঞ্জুরুল। সালিস বৈঠক না মেনে উল্টো ভুক্তভোগীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন তাঁরা।
স্থানীয় বাসিন্দা জাফরুল হাসান জনি বলেন, জাহাঙ্গীর ও মঞ্জুরুল প্রভাব খাটিয়ে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারছে না দেড় শতাধিক পরিবারের মানুষ। প্রতিবাদ করায় তাঁরা গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন, জাফরুল হাসান জনি, ফরহাদুজ্জামান বাবু, জাহাঙ্গীর আলম মিস্টার, মনিরুজ্জামান, বাবুল মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান, নুর হোসেন, আবদুল্লাহ, এমদাদুল হক, সাবিনা ইয়াসমিন, স্বর্ণা বেগম, শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান বিভা, ফারিয়া সরকার, জান্নাতুল মাওয়া, ওমর সানী প্রমুখ।
অভিযোগের ব্যাপারে জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
কাকিলাকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল্লাহ তালুকদার বলেন, রাস্তাটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। রাস্তার কাজ করতে গেলে একটি পক্ষ বাধা দেয়। এতে গ্রামবাসী ভোগান্তিতে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ বলেন, ‘রাস্তা বন্ধের বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেননি। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে