
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে এবার আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি ধানের দামও ভালো পেয়ে খুশি এ অঞ্চলের কৃষকেরা। এতে তাঁরা ভবিষ্যতে আরও বেশি জমিতে আউশ চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, চলতি বছরে ভেদরগঞ্জে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছি ৫ হাজার ৩৭০ হেক্টর। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে চলতি বছরে ৫ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে উপসী উন্নত জাতের ৩ হাজার ৯৭৫ হেক্টর ও দেশি জাতের ১ হাজার ৮৪৫ হেক্টর ধান চাষ করা হয়।
চিরকুমারীয়া গ্রামের কৃষক তারা আবুল সরদার বলেন, চলতি মৌসুমে ৬৫ শতক জমিতে আউশ ধানের আবাদ করেছি। এতে জমি চাষ, বীজ, শ্রমিক ও সার বাবদ খরচ হয় ১২ হাজার টাকা। জমিতে ফলন হয়েছে ২৫ মণ। প্রতি মণ ধান ১ হাজার থেকে ১২ শত টাকায় বিক্রি করায় খরচ বাবদ লাভ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া খড় বিক্রি করে আরও ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা আসবে।
আরশিনগর ইউপি এলাকার কৃষক মনসুর আলী বলেন, আগে আউশ ধানের ফলন খুব একটা হতো না। কিন্তু বর্তমানে সরকারের দেওয়া উন্নত জাতের আউশ ধান চাষ করে আমরা বেশ লাভবান হয়েছি। বিশেষ করে চলতি মৌসুমে উন্নত জাতের আউশ ব্রি ধান ৮৫ এবং বিনা ধান আবাদ করে কৃষকেরা ভালো ফলন পেয়েছেন।
ডিএমখালি ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি অফিসার মামুনুর রশিদ হাসিব বলেন, কৃষিবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র সুদূর প্রসারী চিন্তার কারণে দেশে উচ্চ ফলনশীল নতুন নতুন জাতের ধান চাষ হচ্ছে। আর সঠিক তদারকি করে আবাদ করায় আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম বলেন, এপ্রিল মাসের দিকে ধান রোপণ করার সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও বিনা মূল্যে সরকারি সার-বীজ পাওয়ায় এবার আউশের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবার ধানের ন্যায্য দাম পেয়েছেন কৃষকেরা। এতে ভবিষ্যতে আউশ ধান আবাদ বাড়বে।

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
২ ঘণ্টা আগে