
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার পুটিয়াখালী গ্রামে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ২১টি ঘর অসহায়-ভূমিহীনদের মধ্যে উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু এসব ঘরের পাঁচটিতে থাকেন না কেউ। সেখানে এখন ইঁদুরের বসবাস বলে সরেজমিনে জানা গেছে।
ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রী পুটিয়াখালী গ্রামে ৫২ শতক জমি কিনে ঘর নির্মাণ করে দেন। জমিসহ প্রতিটি ঘর নির্মাণ করতে প্রায় ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা খরচ হয় অর্থাৎ ২১টি ঘরে ১ কোটি ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা সরকারের ব্যয় হয় বলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জানা গেছে।
অভিযোগ উঠেছে, ২১টি ঘরের মধ্যে বসবাস করছে মাত্র ১৬টি পরিবার। বাকি ৫টি ঘরে বসবাস করছে না কোনো পরিবার। এসব পরিবার ঘর দখল করে অন্যত্র গিয়ে বসবাস করছে। ঘরে কেউ না থাকায় ইঁদুর আস্তানা গেড়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে পুটিয়াখালী গুচ্ছগ্রামে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত অনেকে বলেন, ‘এই গুচ্ছগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ২১ ঘরে বসবাস করছে ১৬টি পরিবার। ৫টি ঘর খালি পড়ে আছে। এর মধ্যে সরুলিয়া ইউনিয়নের ভারসা গ্রামের শাহিনুরের ঘরটি খালি পড়ে আছে, খোরদো গ্রামের রনির ঘরে কেউ থাকেন না, যুগিপুকুরিয়া গ্রামের ফারুক হোসেন উদ্বোধনের প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত কোনো দিন এখানে থাকেননি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গুচ্ছগ্রামের এক বাসিন্দা জানান, তানজিলা বেগম নামের এক গৃহবধূ অন্যের ঘর দখল করে বসবাস করছেন। এ ছাড়া ঘরের বরাদ্দ নিয়ে না থাকা আরেক ব্যক্তির নাম জানা যায়নি। এখানে ঘর নিয়ে থাকা ব্যক্তিরা অন্যত্র বসবাস করছেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, পড়ে থাকা ঘরগুলো দুস্থ ও প্রকৃত ভূমিহীনদের দেওয়া হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁরা মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবেন। তাই এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নিলে আরও কিছু অসহায় মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই হবে।
সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বলেন, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি। যাঁরা ঘর নিয়ে থাকেন না, তাঁদের উচিত ঘরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের বসবাস করার সুযোগ দেওয়া।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া শারমিন বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার।

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৫ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৭ ঘণ্টা আগে