লালমনিরহাট ও পাটগ্রাম প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে অপর প্রার্থীর সমর্থকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলা সদরের মেডিকেল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কাপ পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চু। তাঁর সমর্থক হাফিজুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহানা ফেরদৌস সীমাকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে অশ্লীল মন্তব্য করেন। বিষয়টি জানতে পেরে শাহানা ফেরদৌসী সীমার স্বামী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুল আলম সাদাত প্রতিবাদ করেন।
এ ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সীমা তাঁর সমর্থকদের নিয়ে হাতীবান্ধার মেডিকেল মোড় এলাকা ত্যাগ করার সময় লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থকেরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সীমার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করার সময় কালের কণ্ঠের হাতীবান্ধা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক হাসান মাহামুদের ক্যামেরা ও মোবাইল ভাঙচুর করে বাচ্চুর সমর্থকেরা। এতে চেয়ারম্যান প্রার্থী সীমা ও কর্মী, সমর্থক এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতের মধ্যে পাঁচজন হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ও পাঁচজন চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শাহানা ফেরদৌসী সীমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গণসংযোগ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মেডিকেল মোড় এলাকায় তাঁর নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা ও তাঁর লোকজন। এতে তিনিসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।
চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহানা ফেরদৌসী সীমার স্বামী মজিবুল আলম সাদাত বলেন, ‘মেডিকেল মোড় এলাকায় হ্যান্ড মাইক দিয়ে আমার স্ত্রীকে নিয়ে নানা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে ও আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছিল লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর লোকজন। বিষয়টি অনেকেই সাক্ষী দিয়েছে। আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। তারা উল্টো আমাদের ওপর হামলা করেছে। এ ধরনের ঘটনায় সুষ্ঠু ভোট আয়োজন নিয়ে আমরা শঙ্কিত।’
দৈনিক কালের কণ্ঠের হাতীবান্ধা উপজেলা প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থক চিহ্নিত মাদক কারবারি মোতাহার আমার ওপর হামলা করে। এ সময় আমার ক্যামেরা কেড়ে নেয় ও ভাঙচুর করে।’
হামলার বিষয়ে অস্বীকার করেছেন হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চু। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কোনো লোক এমনটা করেনি। করলে তাদের (প্রতিপক্ষ) বা বহিরাগতরা করতে পারে। তবে আমরা হামলা ঝামেলায় নেই।’
হাতীবান্ধা থানার (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট তিনজন প্রার্থী রয়েছে। তাঁরা হলেন–সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন, সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু ও শাহানা ফেরদৌসী সীমা।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে অপর প্রার্থীর সমর্থকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলা সদরের মেডিকেল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কাপ পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চু। তাঁর সমর্থক হাফিজুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহানা ফেরদৌস সীমাকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে অশ্লীল মন্তব্য করেন। বিষয়টি জানতে পেরে শাহানা ফেরদৌসী সীমার স্বামী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুল আলম সাদাত প্রতিবাদ করেন।
এ ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সীমা তাঁর সমর্থকদের নিয়ে হাতীবান্ধার মেডিকেল মোড় এলাকা ত্যাগ করার সময় লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থকেরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সীমার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করার সময় কালের কণ্ঠের হাতীবান্ধা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক হাসান মাহামুদের ক্যামেরা ও মোবাইল ভাঙচুর করে বাচ্চুর সমর্থকেরা। এতে চেয়ারম্যান প্রার্থী সীমা ও কর্মী, সমর্থক এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতের মধ্যে পাঁচজন হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ও পাঁচজন চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শাহানা ফেরদৌসী সীমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গণসংযোগ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মেডিকেল মোড় এলাকায় তাঁর নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা ও তাঁর লোকজন। এতে তিনিসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।
চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহানা ফেরদৌসী সীমার স্বামী মজিবুল আলম সাদাত বলেন, ‘মেডিকেল মোড় এলাকায় হ্যান্ড মাইক দিয়ে আমার স্ত্রীকে নিয়ে নানা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে ও আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছিল লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর লোকজন। বিষয়টি অনেকেই সাক্ষী দিয়েছে। আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। তারা উল্টো আমাদের ওপর হামলা করেছে। এ ধরনের ঘটনায় সুষ্ঠু ভোট আয়োজন নিয়ে আমরা শঙ্কিত।’
দৈনিক কালের কণ্ঠের হাতীবান্ধা উপজেলা প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সমর্থক চিহ্নিত মাদক কারবারি মোতাহার আমার ওপর হামলা করে। এ সময় আমার ক্যামেরা কেড়ে নেয় ও ভাঙচুর করে।’
হামলার বিষয়ে অস্বীকার করেছেন হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লিয়াকত হোসেন বাচ্চু। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কোনো লোক এমনটা করেনি। করলে তাদের (প্রতিপক্ষ) বা বহিরাগতরা করতে পারে। তবে আমরা হামলা ঝামেলায় নেই।’
হাতীবান্ধা থানার (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট তিনজন প্রার্থী রয়েছে। তাঁরা হলেন–সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন, সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু ও শাহানা ফেরদৌসী সীমা।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে