Ajker Patrika

৫০ পরীক্ষার্থীর ৫০ জনই জিপিএ-৫

রংপুর প্রতিনিধি
৫০ পরীক্ষার্থীর ৫০ জনই জিপিএ-৫
রংপুর ক্যাডেট কলেজ। ছবি: সংগৃহীত

একজনও পিছিয়ে নেই। পরীক্ষার্থী যতজন, জিপিএ-৫ ততজন। রংপুর ক্যাডেট কলেজের ৫০ শিক্ষার্থী এবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পেয়েছে জিপিএ-৫। বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ জন ও মানবিক বিভাগের ৩ জনের সবাই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এবারও শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার সাফল্য ধরে রেখেছে রংপুরের এই প্রতিষ্ঠান। গত বছরও ৪৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

আজ সোমবার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রংপুর ক্যাডেট কলেজে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে কলেজের অধ্যক্ষ এ এইচ এম ছেরাজুজ্জামান শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ক্যাডেট ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানান।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, এবারের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ জন এবং মানবিক বিভাগের ৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ফলাফলে শতভাগ সাফল্য এসেছে।

অধ্যক্ষ এ এইচ এম ছেরাজুজ্জামান বলেন, ক্যাডেট কলেজের নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ভালো ফলাফলের অন্যতম কারণ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা, চরিত্র গঠন, খেলাধুলা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকি এবং ক্যাডেটদের নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায়ের ফলে এই ফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।

কলেজ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, সেনাসদরের দিকনির্দেশনা, অধ্যক্ষের নেতৃত্ব, উপাধ্যক্ষের তত্ত্বাবধান, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতা প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক ভালো ফলাফলে ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া রংপুর জিলা স্কুল থেকে ২২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ২১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫০ জন। রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ২৬৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬৪ জন পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৭ জন।

রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৩৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩০ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৯ জন।

রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৬৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২২ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানেরা বলছেন, শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, পরীক্ষার আগে বাড়তি প্রস্তুতি এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণে ভালো ফল এসেছে।

রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ওবায়দুল আনোয়ার বলেন, পাঠ্যসূচি শেষ হওয়ার পর পরীক্ষার আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মডেল টেস্টসহ বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি সারা বছরই শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলার মধ্যে রেখে পড়াশোনা করানো হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত