
রংপুরের পীরগঞ্জে ধানখেত থেকে বিপুল চন্দ্র বর্মন নামের এক ভ্যানচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার বড় মজিদপুর এলাকার একটি ধানখেত থেকে মরদেহের পাশে তাঁর চার্জার ভ্যানটিও উদ্ধার করা হয়।
নিহত বিপুল (৪২) উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মহান চন্দ্র বর্মনের ছেলে। তিনি পাঁচ কন্যাসন্তানের বাবা। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিপুলের নিজের জমিজমা ছিল না। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ ও দিনমজুরির পাশাপাশি রাতে চার্জার ভ্যান চালাতেন তিনি।
প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন বিপুল। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। আজ মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুর খবর পান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার গভীর রাতে বড় মজিদপুর মৌজায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের পশ্চিম পাশে সোডাপীরগামী পাকা সড়কের উত্তর দিকে ধানখেতে বিপুলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের ধানগাছ ভাঙা ছিল। ভ্যান ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা বা অন্য কোনো কারণে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে বিপুলের ধস্তাধস্তি হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পীরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা চলছে। মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বয়স সত্তরের ঘর পেরিয়েছে। আপন বলতে কেউ নেই। একসময় ভিক্ষা করে চললেও বয়স ও অসুস্থতার ভারে এখন সেই সামর্থ্যও নেই। ২০ বছর আগে স্বামী রুস্তম শেখ মারা যাওয়ার পর থেকে পলিথিনে মোড়ানো একটি ছোট ঝুপড়িই তাঁর ঠিকানা। বৃষ্টি হলে ছাউনি ভেদ করে ঘরে পানি পড়ে, রোদে পলিথিনের ঘর হয়ে ওঠে অসহনীয় গরম।
২ মিনিট আগে
ব্যাংকে ভুয়া কাগজ প্রদর্শন করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৪ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের অর্থদণ্ড, অনাদায়ে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আদীব আলী
৬ মিনিট আগে
সাভারের রানা প্লাজা নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় ভবনটির মালিক সোহেল রানাসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়নি। আদালত আবারও যুক্তিতর্ক শুনবেন। আজ মঙ্গলবার এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ বি এম তারিকুল কবীর
৮ মিনিট আগে
২০২৫ সালের ১৯ জুন খিলগাঁও থানার হত্যা মামলায় শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল। সেদিন পুলিশের এক সদস্যকে আঘাত করে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যান তিনি। ওই ঘটনায় সেদিনই কোতোয়ালি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
২৫ মিনিট আগে