
হঠাৎ মেঘমুক্ত নীল আকাশে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মিলেছে। হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম ও পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম এই পর্বতশৃঙ্গ এখন পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড় থেকে। মহানন্দা নদীর পাড়সহ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে খালি চোখেই দেখা যায় বরফাচ্ছাদিত এ পর্বতচূড়া।
সেপ্টেম্বরে শরৎ শুরুতেই এমন দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এই দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, ভোর কিংবা বিকেলে সূর্যের আলোয় পর্বতটি কখনো সাদা, কখনো গোলাপি, কখনো লাল রঙে দৃশ্যমান হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাদা রং ঝাপসা হয়ে আসে।

স্থানীয় বাসিন্দা কৃষক মো. আনিস উদ্দিন বলেন, ‘আজ বিকেলে মাঠে কাজ করছিলাম, হঠাৎ দেখলাম আকাশে কাঞ্চনজঙ্ঘা! এমন পরিষ্কার ছবি খুব কমই দেখা যায়, দারুণ লাগছে।’
পঞ্চগড় জালাসি এলাকার এক তরুণ রাকিব হোসেন বলেন, ‘শীতের আগে এভাবে পর্বত দেখা কমই হয়। আমরা সবাই মিলে ছবি তুলে বন্ধুদের পাঠাচ্ছি।’
রতন নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘এবার সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছে। আশা করি, এ মৌসুমে আগের বছরের তুলনায় ব্যবসা ভালো হবে।’
উল্লেখ্য, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো থেকে ভারতের দার্জিলিং ও শিলিগুড়ির পাহাড়ি এলাকার আলোও সন্ধ্যায় দেখা যায়। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে নেপালের দূরত্ব ৬১ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪, দার্জিলিং ৫৮ এবং শিলিগুড়ি ৮০ কিলোমিটার।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
৩ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
৪ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
৪ ঘণ্টা আগে