চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী-রৌমারী নৌপথে ২৭ দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভারী পরিবহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কুটিরচর এলাকায় সড়কের একটি পুরোনো বক্স কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এদিকে অনেক দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলে নদের খনন করা চ্যানেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় লোকজন।
বিআইডব্লিউটিএ ও স্থানীয় লোকজন জানান, কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী নৌপথে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত দুটি ফেরিতে পণ্যবাহী যানসহ বিভিন্ন পরিবহন পারাপার করে আসছে বিআইডব্লিউটিএ। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্রের পানি কমে যাওয়ায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। নিয়মিত চ্যানেল খনন করে বিআইডব্লিউটিএ ফেরিতে বিভিন্ন যান পারাপার করে আসছিল। ফলে অল্প সময়ে উত্তরাঞ্চলে পণ্যবাহী পরিবহনের যাতায়াত করতে পারত। এই পথে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৪০টি পণ্যবাহী পরিবহন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে।
বর্তমানে রৌমারী ঘাট থেকে দুই কিলোমিটার দূরে কুটিরচর এলাকায় একটি পুরোনো বক্স কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেখানে কালভার্টটির ওপরের ছাদ দেবে যাওয়ায় মোটা কাঠ ফেলে হালকা পরিবহন ও মানুষ পারাপার হচ্ছেন। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটির কারণে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে চিলমারী-রৌমারী ঘাটে ফেরি পারাপার বন্ধ রাখে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিএ।
২৭ দিনেও কালভার্টের কাজ শুরু বা বিকল্প সড়কের ব্যবস্থা না করায় ফেরি চলাচল বন্ধের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের গাফিলতিকে দায়ী করছেন এলাকার লোকজন। এদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলে নদের খনন করা চ্যানেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে তাঁদের ধারণা।
চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের নৌ-বন্দর ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সড়কে পণ্যবাহী কোনো পরিবহনকে ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষায় ছিল না।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাঈদুল ইসলাম, রাকিব মিয়া ও সুজন মিয়া বলেন, ‘ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় কোনো পরিবহন আসছে না। এই অঞ্চলের ভারী যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।’
ফেরি কুঞ্জলতার মাস্টার অফিসার রেজাউল করিম বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ ব্রিজের কাজ শুরু না করায় আমরা সমস্যার মধ্যে আছি। ব্রিজটির সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ফেরি বন্ধ থাকবে।’
এ বিষয়ে রৌমারী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রকৌশলী মো. মামুনুর রহমান বলেন, ‘কালভার্টটির ডাইভারশন রোডের অনুমোদন হয়ে এলে কাজ শুরু করা হবে।’

ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী-রৌমারী নৌপথে ২৭ দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভারী পরিবহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কুটিরচর এলাকায় সড়কের একটি পুরোনো বক্স কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এদিকে অনেক দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলে নদের খনন করা চ্যানেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় লোকজন।
বিআইডব্লিউটিএ ও স্থানীয় লোকজন জানান, কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী নৌপথে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত দুটি ফেরিতে পণ্যবাহী যানসহ বিভিন্ন পরিবহন পারাপার করে আসছে বিআইডব্লিউটিএ। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্রের পানি কমে যাওয়ায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। নিয়মিত চ্যানেল খনন করে বিআইডব্লিউটিএ ফেরিতে বিভিন্ন যান পারাপার করে আসছিল। ফলে অল্প সময়ে উত্তরাঞ্চলে পণ্যবাহী পরিবহনের যাতায়াত করতে পারত। এই পথে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৪০টি পণ্যবাহী পরিবহন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে।
বর্তমানে রৌমারী ঘাট থেকে দুই কিলোমিটার দূরে কুটিরচর এলাকায় একটি পুরোনো বক্স কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেখানে কালভার্টটির ওপরের ছাদ দেবে যাওয়ায় মোটা কাঠ ফেলে হালকা পরিবহন ও মানুষ পারাপার হচ্ছেন। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটির কারণে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে চিলমারী-রৌমারী ঘাটে ফেরি পারাপার বন্ধ রাখে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিএ।
২৭ দিনেও কালভার্টের কাজ শুরু বা বিকল্প সড়কের ব্যবস্থা না করায় ফেরি চলাচল বন্ধের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের গাফিলতিকে দায়ী করছেন এলাকার লোকজন। এদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলে নদের খনন করা চ্যানেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে তাঁদের ধারণা।
চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের নৌ-বন্দর ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সড়কে পণ্যবাহী কোনো পরিবহনকে ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষায় ছিল না।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাঈদুল ইসলাম, রাকিব মিয়া ও সুজন মিয়া বলেন, ‘ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় কোনো পরিবহন আসছে না। এই অঞ্চলের ভারী যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।’
ফেরি কুঞ্জলতার মাস্টার অফিসার রেজাউল করিম বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ ব্রিজের কাজ শুরু না করায় আমরা সমস্যার মধ্যে আছি। ব্রিজটির সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ফেরি বন্ধ থাকবে।’
এ বিষয়ে রৌমারী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রকৌশলী মো. মামুনুর রহমান বলেন, ‘কালভার্টটির ডাইভারশন রোডের অনুমোদন হয়ে এলে কাজ শুরু করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে