মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের মিঠাপুকুরে দিনে কড়া রোদ থাকলেও রাতে কুয়াশা পড়ছে। প্রকৃতির দ্বৈত আচরণের এই সময়ে জ্বর ও সর্দি-কাশির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় এসব উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকেরা।
শীত আসি আসি করা এই সময়ে প্রায় পরিবারেই কেউ না কেউ জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। একাধিক নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই প্রতীয়মান হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকিট ক্লার্ক মহসিন আলী বলেন, ১৫ দিন ধরে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য মতে, বর্তমান সময়ে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৮০ থেকে ১২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল আবেদীন বলেন, তিনি ও তাঁর দুই শিশুসন্তান জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়েছেন।
বন্দনা রানী নামের একজন গৃহিণী বলেন, তাঁর স্বামীর জ্বর, সর্দি ও শরীর ব্যথা ছিল। ওই সব উপসর্গ ভালো হওয়ার পর ১৫ দিন ধরে কাশিতে ভুগছেন।
নিজাম মিয়া নামের একজন বৃদ্ধ বলেন, কাশিসহ গায়ে ব্যথায় ভুগছেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী বলেন, তাঁর শিশু সন্তানের সর্দি ও মুখে ঘা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে শুধু সর্দির ওষুধ দেওয়া হয়েছে। মুখের ঘায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বলা হয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক এম এ ওয়াহেদ বলেন, দিনে বৈদ্যুতিক পাখা ব্যবহার করতে হচ্ছে। কিন্তু রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান বলেন, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ চলছে। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে ভাইরাসজনিত জ্বর ও সর্দি-কাশি হতে পারে। তিনি জানান জ্বর হলে ৩-৪ দিন স্থায়ী হয়। এরপরও যদি জ্বর ও কাশি ভালো না হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) এম এ হালিম বলেন, ‘শীতের শুরুতে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ভাইরাসজনিত জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশুরা শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও সর্দিতে আক্রান্ত হয়। বৃদ্ধদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ভাইরাসজনিত রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল, টাটকা শাকসবজি, তরল খাবার ও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
এম এ হালিম আরও বলেন, বিছানার চাদর, বালিশ ও পোশাক পরিচ্ছদ রোদে দিয়ে ব্যবহার করা ভালো। ভাইরাসজনিত এসব রোগের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন তিনি।

রংপুরের মিঠাপুকুরে দিনে কড়া রোদ থাকলেও রাতে কুয়াশা পড়ছে। প্রকৃতির দ্বৈত আচরণের এই সময়ে জ্বর ও সর্দি-কাশির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় এসব উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকেরা।
শীত আসি আসি করা এই সময়ে প্রায় পরিবারেই কেউ না কেউ জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। একাধিক নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই প্রতীয়মান হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকিট ক্লার্ক মহসিন আলী বলেন, ১৫ দিন ধরে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য মতে, বর্তমান সময়ে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৮০ থেকে ১২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল আবেদীন বলেন, তিনি ও তাঁর দুই শিশুসন্তান জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়েছেন।
বন্দনা রানী নামের একজন গৃহিণী বলেন, তাঁর স্বামীর জ্বর, সর্দি ও শরীর ব্যথা ছিল। ওই সব উপসর্গ ভালো হওয়ার পর ১৫ দিন ধরে কাশিতে ভুগছেন।
নিজাম মিয়া নামের একজন বৃদ্ধ বলেন, কাশিসহ গায়ে ব্যথায় ভুগছেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী বলেন, তাঁর শিশু সন্তানের সর্দি ও মুখে ঘা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে শুধু সর্দির ওষুধ দেওয়া হয়েছে। মুখের ঘায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বলা হয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক এম এ ওয়াহেদ বলেন, দিনে বৈদ্যুতিক পাখা ব্যবহার করতে হচ্ছে। কিন্তু রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান বলেন, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ চলছে। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে ভাইরাসজনিত জ্বর ও সর্দি-কাশি হতে পারে। তিনি জানান জ্বর হলে ৩-৪ দিন স্থায়ী হয়। এরপরও যদি জ্বর ও কাশি ভালো না হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) এম এ হালিম বলেন, ‘শীতের শুরুতে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ভাইরাসজনিত জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশুরা শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও সর্দিতে আক্রান্ত হয়। বৃদ্ধদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ভাইরাসজনিত রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল, টাটকা শাকসবজি, তরল খাবার ও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
এম এ হালিম আরও বলেন, বিছানার চাদর, বালিশ ও পোশাক পরিচ্ছদ রোদে দিয়ে ব্যবহার করা ভালো। ভাইরাসজনিত এসব রোগের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে