যৌতুকের টাকা না পেয়ে রংপুরে এক গৃহবধূকে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ ও ননদের স্বামীসহ পাঁচজনকে আসামি করে রংপুর মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
মামলার বাদী রেজাউল করিমের মেয়ে রেজোয়ানা দিল আফরোজ (২২) শুক্রবার রাতে ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
প্রায় তিন বছর আগে রেজোয়ানা দিল আফরোজের বিয়ে হয় রংপুর মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানার সরেয়ারতল এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রেজাউল করিমের সঙ্গে। বিয়ের সময় বরপক্ষকে ৫ লক্ষ টাকার উপহার দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের দাবি।
বিয়ের পর থেকেই রেজোয়ানা নির্যাতনের শিকার হন। ৫ জুন যৌতুকের জন্য স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা মারধর ও নির্যাতন করেন। পরে ৮ জুন বিকেল ৩টার দিকে আসামিরা মিলিত হয়ে তাঁর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। তীব্র দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা অভিযোগ করেছেন, যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় জামাই তাঁর মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। শ্বশুর-শাশুড়িরা আগুন নেভাতে না গিয়ে দরজা বন্ধ করে জানিয়ে দেয় মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, ঘটনার পর স্বামী, ননদ ও ননদের স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু দেরি হলেও এখন তদন্ত চলছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, রেজোয়ানার দেড় বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তাঁরা হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তি চান।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে