ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

টানা শীত ও কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষের জীবন। তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও কমেনি শীতের দাপট। কনকনে ঠান্ডার জবুথবু হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন।
আজ বুধবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র ঠান্ডায় গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছেন শীত কাতর মানুষগুলো। ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে গৃহপালিত পশু-পাখিও। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি, কাশিসহ ঠান্ডাজনিত রোগ।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ১০২ রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশ শিশু। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ১০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি আছে ২২ জন শিশু। দিন ও রাতের তাপমাত্রা কাছাকাছি হওয়ায় দিনভর ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
অপর দিকে এক সপ্তাহ ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় হলুদ ও সাদা বর্ণ ধারণ করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বোরো বীজতলা। কৃষকেরা জানান, বোরো মৌসুম শুরু হলেও কনকনে ঠান্ডায় জমিতে রোপণ করতে পারছেন না ধানের চারা। অন্যদিকে হিমে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চারা বীজ। এ অবস্থা চলতে থাকলে ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা তাঁদের।
ফুলবাড়ী সদরের ইউনিয়নের কবির মামুদ গ্রামের কৃষক সাহের আলী বলেন, ‘সাত দিন ধরে সূর্যের দেখা নাই। ঠান্ডা দিন দিন বৃদ্ধি বাড়ছে। বোরো ধানের বীজতলার এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা না হলেও এ অবস্থা আরও দুই-তিন দিন চললে বীজতলার ক্ষতি হতে পারে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় ৮২৫ হেক্টর আমনের বীজতলা, ২ হাজার ৭৬০ হেক্টর সরিষা, ৯০০ হেক্টর আলু, ১ হাজার ৯৯৫ হেক্টর ভুট্টা এবং ১ হাজার ১৫ হেক্টর বিভিন্ন শাক-সবজির চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে চার হেক্টর জমিতে বোরো রোপণ করা হয়েছে।
এই কৃষি কর্মকর্তা জানান, শীতের তীব্রতা থেকে ফসল রক্ষার জন্য কৃষকদের ছত্রাকনাশক প্রয়োগের পরামর্শসহ বাড়তি পরিচর্যার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘জানুয়ারি মাসজুড়েই তাপমাত্রা এমন থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তিন-চার দিন পরে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।’

টানা শীত ও কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষের জীবন। তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও কমেনি শীতের দাপট। কনকনে ঠান্ডার জবুথবু হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন।
আজ বুধবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র ঠান্ডায় গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছেন শীত কাতর মানুষগুলো। ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে গৃহপালিত পশু-পাখিও। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি, কাশিসহ ঠান্ডাজনিত রোগ।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ১০২ রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশ শিশু। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ১০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি আছে ২২ জন শিশু। দিন ও রাতের তাপমাত্রা কাছাকাছি হওয়ায় দিনভর ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
অপর দিকে এক সপ্তাহ ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় হলুদ ও সাদা বর্ণ ধারণ করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বোরো বীজতলা। কৃষকেরা জানান, বোরো মৌসুম শুরু হলেও কনকনে ঠান্ডায় জমিতে রোপণ করতে পারছেন না ধানের চারা। অন্যদিকে হিমে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চারা বীজ। এ অবস্থা চলতে থাকলে ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা তাঁদের।
ফুলবাড়ী সদরের ইউনিয়নের কবির মামুদ গ্রামের কৃষক সাহের আলী বলেন, ‘সাত দিন ধরে সূর্যের দেখা নাই। ঠান্ডা দিন দিন বৃদ্ধি বাড়ছে। বোরো ধানের বীজতলার এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা না হলেও এ অবস্থা আরও দুই-তিন দিন চললে বীজতলার ক্ষতি হতে পারে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় ৮২৫ হেক্টর আমনের বীজতলা, ২ হাজার ৭৬০ হেক্টর সরিষা, ৯০০ হেক্টর আলু, ১ হাজার ৯৯৫ হেক্টর ভুট্টা এবং ১ হাজার ১৫ হেক্টর বিভিন্ন শাক-সবজির চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে চার হেক্টর জমিতে বোরো রোপণ করা হয়েছে।
এই কৃষি কর্মকর্তা জানান, শীতের তীব্রতা থেকে ফসল রক্ষার জন্য কৃষকদের ছত্রাকনাশক প্রয়োগের পরামর্শসহ বাড়তি পরিচর্যার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘জানুয়ারি মাসজুড়েই তাপমাত্রা এমন থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তিন-চার দিন পরে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে