আব্দুর রহিম পায়েল, গঙ্গাচড়া (রংপুর)

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সরকারি প্রণোদনার ধানের বীজ অন্যত্র বিক্রির জন্য সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া কৃষি অফিসের গুদাম (স্টোররুম) থেকে ধানের বীজ সরানোর একটি ভিডিও আজকের পত্রিকার হাতে এসেছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিসের স্টোররুমে থাকা ১০ কেজি ওজনের একাধিক ধানের বীজের বস্তা কেটে ৫০ কেজির বস্তায় ভরছেন দুই কর্মচারী। ওই কর্মচারীরা হলেন পরিছন্নতাকর্মী কামরুজ্জামান ও অফিস সহায়ক আশরাফুজ্জামান।
এ সময় এক ব্যক্তি মোবাইলে তাঁদের ধানের বীজগুলো বস্তায় ভরার ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওর অপর প্রান্তের এক ব্যক্তি এসব বীজ বস্তায় ভরার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী কামরুজ্জামান বলেন, ‘কৃষি অফিসার আমাদেরকে এসব ধান বস্তায় ভরতে বলেছেন।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওর ঘটনাটি ২২ আগস্টের। কৃষি অফিসের নিরাপত্তাকর্মী মমিনুর ইসলামের দাবি, তিনি ওই ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করেছিলেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গত ২৮ আগস্ট ইউএনও স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’ মমিনুর বলেন, ‘কৃষি অফিসার লোকাল ধান কিনে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করেন এবং বিএডিসির ১০ কেজির ধানবীজের বস্তা কেটে ৫০ কেজির বস্তায় ভরে অফিসের কর্মচারীদের দিয়ে চুপিসারে বিক্রি করেন। এসব বীজ বস্তায় ভরার সময় আমি ভিডিও করায় কৃষি অফিসার আমাকে এখান থেকে বদলি করিয়েছেন।’
মমিনুর আরও বলেন, ‘কৃষি অফিসার বাফার গুদাম থেকে সার পরিবহনের সময় ট্রাকের ভাড়া বাবদ কম টাকা পরিশোধ করলেও বিলের খাতায় বেশি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এমনকি সরকারি বরাদ্দের সার কৃষককে না দিয়ে বিক্রি করে দেন। চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য বরাদ্দ চর প্রকল্পের অর্থ ভুয়া তালিকা ও আমার নাম ব্যবহার করে উঠিয়ে নিয়েছেন কৃষি অফিসার। আমার ছোট ভাই মিজানুর রহমানকে মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণের জন্য সুপারিশ করেছিলেন কৃষি অফিসার। ঘুষ না দেওয়ায় আমার ভাইকে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে এক নারীকে সেই মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণে ঢাকায় পাঠান। আমি এই ভিডিও ধারণ করার পর থেকে কৃষি অফিসার শাহিনুর ইসলাম রাগ করে আমাকে ২৪ ঘণ্টা ডিউটিতে রেখে দোষ খুঁজতেন। পরে কোনো ফাঁক না পেয়ে গত ২৭ তারিখে (আগস্ট) আমাকে বিনা অপরাধে শোকজ নোটিশ ও বদলির আদেশ জারি করেন। এমনকি যেদিন এসব ধান চোরাইভাবে বিক্রি করে নিয়ে যাবে, এ সময় স্থানীয় কিছু সাংবাদিক বিষয়টি ধরে ফেলেন। পরে আমার কাছ থেকে জোর করে কৃষি অফিসার ৫ হাজার টাকা নিয়ে তাঁদের ম্যানেজ করেন।’
এ বিষয়ে পরিছন্নতাকর্মী কামরুজ্জামান বলেন, ‘স্যার ভুল করে বেশি বীজ কিনে ফেলেছিলেন। এ জন্য সেগুলো বস্তায় ভরা হয়েছে।’ বীজগুলো ৫০ কেজির বস্তায় ভরে কী করা হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ শাহিনুর ইসলাম বলেন, ‘আমি যা-ই করি না কেন, কৃষক কি প্রণোদনা কম পেয়েছে? যদি কৃষক প্রণোদনা কম পায়, তাহলে আমাকে বলেন। আর মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণে ওর (মমিনুর) ভাইয়ের নাম দেওয়া হয়েছিল, সে যায়নি, তাই আমরা অন্য কাউকে পাঠিয়েছি।’ মমিনুরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ও কী অভিযোগ করবে। ওর বিরুদ্ধে তো অফিস থেকে আমি ব্যবস্থা নিয়েছি।’
ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হবে।’
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বদলি চাকরির অংশ। কৃষি কর্মকর্তার বিষয়ে অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে।

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সরকারি প্রণোদনার ধানের বীজ অন্যত্র বিক্রির জন্য সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া কৃষি অফিসের গুদাম (স্টোররুম) থেকে ধানের বীজ সরানোর একটি ভিডিও আজকের পত্রিকার হাতে এসেছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিসের স্টোররুমে থাকা ১০ কেজি ওজনের একাধিক ধানের বীজের বস্তা কেটে ৫০ কেজির বস্তায় ভরছেন দুই কর্মচারী। ওই কর্মচারীরা হলেন পরিছন্নতাকর্মী কামরুজ্জামান ও অফিস সহায়ক আশরাফুজ্জামান।
এ সময় এক ব্যক্তি মোবাইলে তাঁদের ধানের বীজগুলো বস্তায় ভরার ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওর অপর প্রান্তের এক ব্যক্তি এসব বীজ বস্তায় ভরার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী কামরুজ্জামান বলেন, ‘কৃষি অফিসার আমাদেরকে এসব ধান বস্তায় ভরতে বলেছেন।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওর ঘটনাটি ২২ আগস্টের। কৃষি অফিসের নিরাপত্তাকর্মী মমিনুর ইসলামের দাবি, তিনি ওই ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করেছিলেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি গত ২৮ আগস্ট ইউএনও স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’ মমিনুর বলেন, ‘কৃষি অফিসার লোকাল ধান কিনে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করেন এবং বিএডিসির ১০ কেজির ধানবীজের বস্তা কেটে ৫০ কেজির বস্তায় ভরে অফিসের কর্মচারীদের দিয়ে চুপিসারে বিক্রি করেন। এসব বীজ বস্তায় ভরার সময় আমি ভিডিও করায় কৃষি অফিসার আমাকে এখান থেকে বদলি করিয়েছেন।’
মমিনুর আরও বলেন, ‘কৃষি অফিসার বাফার গুদাম থেকে সার পরিবহনের সময় ট্রাকের ভাড়া বাবদ কম টাকা পরিশোধ করলেও বিলের খাতায় বেশি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এমনকি সরকারি বরাদ্দের সার কৃষককে না দিয়ে বিক্রি করে দেন। চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য বরাদ্দ চর প্রকল্পের অর্থ ভুয়া তালিকা ও আমার নাম ব্যবহার করে উঠিয়ে নিয়েছেন কৃষি অফিসার। আমার ছোট ভাই মিজানুর রহমানকে মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণের জন্য সুপারিশ করেছিলেন কৃষি অফিসার। ঘুষ না দেওয়ায় আমার ভাইকে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে এক নারীকে সেই মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণে ঢাকায় পাঠান। আমি এই ভিডিও ধারণ করার পর থেকে কৃষি অফিসার শাহিনুর ইসলাম রাগ করে আমাকে ২৪ ঘণ্টা ডিউটিতে রেখে দোষ খুঁজতেন। পরে কোনো ফাঁক না পেয়ে গত ২৭ তারিখে (আগস্ট) আমাকে বিনা অপরাধে শোকজ নোটিশ ও বদলির আদেশ জারি করেন। এমনকি যেদিন এসব ধান চোরাইভাবে বিক্রি করে নিয়ে যাবে, এ সময় স্থানীয় কিছু সাংবাদিক বিষয়টি ধরে ফেলেন। পরে আমার কাছ থেকে জোর করে কৃষি অফিসার ৫ হাজার টাকা নিয়ে তাঁদের ম্যানেজ করেন।’
এ বিষয়ে পরিছন্নতাকর্মী কামরুজ্জামান বলেন, ‘স্যার ভুল করে বেশি বীজ কিনে ফেলেছিলেন। এ জন্য সেগুলো বস্তায় ভরা হয়েছে।’ বীজগুলো ৫০ কেজির বস্তায় ভরে কী করা হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ শাহিনুর ইসলাম বলেন, ‘আমি যা-ই করি না কেন, কৃষক কি প্রণোদনা কম পেয়েছে? যদি কৃষক প্রণোদনা কম পায়, তাহলে আমাকে বলেন। আর মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণে ওর (মমিনুর) ভাইয়ের নাম দেওয়া হয়েছিল, সে যায়নি, তাই আমরা অন্য কাউকে পাঠিয়েছি।’ মমিনুরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ও কী অভিযোগ করবে। ওর বিরুদ্ধে তো অফিস থেকে আমি ব্যবস্থা নিয়েছি।’
ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হবে।’
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বদলি চাকরির অংশ। কৃষি কর্মকর্তার বিষয়ে অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে