এস এম রকি, খানসামা (দিনাজপুর)

দিনাজপুরের খানসামায় একটি নালার ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ১৫ একর আবাদি জমি। বর্ষা এলে এসব জমিতে ভাঙন বাড়ে। এতে শুষ্ক মৌসুমে দ্রুত নালা রক্ষণাবেক্ষণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
আজ মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে জানা গেছে, খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকায় শাহারজান নামের পানি নিষ্কাশনের নালায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ৩০ জন কিষান-কিষানি। বর্ষায় এই ভাঙনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বলে আশঙ্কায় দিন পার করছেন তাঁরা।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, অনেক দিন ধরে ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকার শাহারজান নালা দিয়ে এই অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পানি বেলান নদীতে পড়ে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এই নালার ভাঙনের ফলে আবাদি জমি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
নালার ভাঙন রোধ ও আবাদি জমি রক্ষার জন্য গাইড ওয়াল নির্মাণের আবেদন জানিয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে গত রোববার লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
হতাশার কণ্ঠে স্থানীয় বাসিন্দা মেরিনা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্বামী রিকশাচালক। নালার ধারে ২০ শতক জমিই সম্বল। এ নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকি। কেননা, কয়েক বছরে ভাঙনে অনেকটা জমি চলে গেছে, খরা মৌসুমে কিছুটা জমি উঁচু করলেও বর্ষার সব সময় শঙ্কায় থাকতে হয় কখন যেন আবাদি জমি বিলীন হয়।’
নালার ভাঙন নিয়ে চিন্তিত সাইদুজ্জামান নামের স্থানীয় এক যুবক। তিনি বলেন, ‘দ্রুত ভাঙন রোধে বর্ষার আগেই এই নালায় গাইড ওয়াল নির্মাণ করা জরুরি।’
নুর আলম নামে স্থানীয় এক চাষি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিবছরের ভাঙনে গাছ ও আবাদি জমি কমছে। আমার প্রায় চার বিঘা জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি সুদৃষ্টি প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নালা ভাঙনের স্থান ও আবাদি জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত সময়ে নেওয়া হবে। আবাদি জমি রক্ষা ও কৃষকদের যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসন পাশে থাকবে।’

দিনাজপুরের খানসামায় একটি নালার ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ১৫ একর আবাদি জমি। বর্ষা এলে এসব জমিতে ভাঙন বাড়ে। এতে শুষ্ক মৌসুমে দ্রুত নালা রক্ষণাবেক্ষণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
আজ মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে জানা গেছে, খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকায় শাহারজান নামের পানি নিষ্কাশনের নালায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ৩০ জন কিষান-কিষানি। বর্ষায় এই ভাঙনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বলে আশঙ্কায় দিন পার করছেন তাঁরা।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, অনেক দিন ধরে ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকার শাহারজান নালা দিয়ে এই অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পানি বেলান নদীতে পড়ে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এই নালার ভাঙনের ফলে আবাদি জমি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
নালার ভাঙন রোধ ও আবাদি জমি রক্ষার জন্য গাইড ওয়াল নির্মাণের আবেদন জানিয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে গত রোববার লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
হতাশার কণ্ঠে স্থানীয় বাসিন্দা মেরিনা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্বামী রিকশাচালক। নালার ধারে ২০ শতক জমিই সম্বল। এ নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকি। কেননা, কয়েক বছরে ভাঙনে অনেকটা জমি চলে গেছে, খরা মৌসুমে কিছুটা জমি উঁচু করলেও বর্ষার সব সময় শঙ্কায় থাকতে হয় কখন যেন আবাদি জমি বিলীন হয়।’
নালার ভাঙন নিয়ে চিন্তিত সাইদুজ্জামান নামের স্থানীয় এক যুবক। তিনি বলেন, ‘দ্রুত ভাঙন রোধে বর্ষার আগেই এই নালায় গাইড ওয়াল নির্মাণ করা জরুরি।’
নুর আলম নামে স্থানীয় এক চাষি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিবছরের ভাঙনে গাছ ও আবাদি জমি কমছে। আমার প্রায় চার বিঘা জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি সুদৃষ্টি প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নালা ভাঙনের স্থান ও আবাদি জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত সময়ে নেওয়া হবে। আবাদি জমি রক্ষা ও কৃষকদের যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসন পাশে থাকবে।’

মাদারীপুরের শিবচরে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহত নারীর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ব্যাপারী কান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৯ মিনিট আগে
টানা শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বয়স্ক, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
২৫ মিনিট আগে
উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেই ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। মো. তাহাসিন নামের ওই শিক্ষার্থী উদ্ভাবন করেছে ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ নামের একটি বিশেষ যন্ত্র, যা পানিতে ডুবে গেলেই শিশুর অভিভাবকের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত পাঠাবে।
৩০ মিনিট আগে
গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে