বেরোবি শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর-ছিনতাই, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার বিকেলে নগরের লালবাগ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সুমন হালদার ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। পরে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস দিলে প্রায় এক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
অবরোধে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী তুহিন রানা বলেন, শিক্ষার্থী সুমন হালদার শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে লালবাগ এলাকায় ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। ছুরির ভয় দেখিয়ে তাঁকে কারমাইকেল কলেজের দেয়ালসংলগ্ন স্থানে নিয়ে দুই ঘণ্টার বেশি সময় আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়।
তুহিন রানা আরও বলেন, লালবাগ ও কেডিসি এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বেড়েছে। এতে ওই সড়কে চলাচল করতে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রংপুরের প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। অন্যথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের কয়েকটি দাবি রয়েছে। এর মধ্যে কারমাইকেল কলেজ ও বেরোবি ক্যাম্পাসের মধ্যবর্তী পুরো এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার দাবি অন্যতম। এ ছাড়া ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনা হবে।









