নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি, অসদাচরণ, স্বেচ্ছাচারিতা ও সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ তুলেছেন উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সাত দিন সময় চেয়েছেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছি।’
গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান ইউপি চেয়ারম্যানরা। পরে তাঁদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন জেলা প্রশাসক।
চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউএনও চেয়ারম্যানদের অবমূল্যায়ন, অশ্লীল ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য আচরণ, গ্রাম পুলিশ নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি, বাস্তবায়ন করা টিআর/কাবিখা তদন্ত করার নামে হয়রানি করেন। প্রকল্পের ২০ শতাংশ উৎকোচ গ্রহণ, ভিডব্লিউবি (ভিজিডি) কার্ডের তালিকা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী দিয়ে যাচাই-বাছাই করান। শুধু তা-ই নয়, আশ্রয়ণ প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও প্রকল্পের ঘর প্রকৃত ভূমিহীনদের না দিয়ে নিজ পছন্দের সচ্ছল ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দেন। সেই সঙ্গে চেয়ারম্যানদের নামে প্রকল্প গ্রহণ করে নিজ খেয়ালখুশিমতো বাস্তবায়ন করেন।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম নীলফামারী সদর উপজেলা শাখার সভাপতি ও কাচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষের কার্যালয়ে ১৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত হয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অবগত করেছেন। তিনি আমাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।’
এ অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও জেসমিন নাহারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়।’

নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি, অসদাচরণ, স্বেচ্ছাচারিতা ও সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ তুলেছেন উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সাত দিন সময় চেয়েছেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছি।’
গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান ইউপি চেয়ারম্যানরা। পরে তাঁদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন জেলা প্রশাসক।
চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউএনও চেয়ারম্যানদের অবমূল্যায়ন, অশ্লীল ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য আচরণ, গ্রাম পুলিশ নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি, বাস্তবায়ন করা টিআর/কাবিখা তদন্ত করার নামে হয়রানি করেন। প্রকল্পের ২০ শতাংশ উৎকোচ গ্রহণ, ভিডব্লিউবি (ভিজিডি) কার্ডের তালিকা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী দিয়ে যাচাই-বাছাই করান। শুধু তা-ই নয়, আশ্রয়ণ প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও প্রকল্পের ঘর প্রকৃত ভূমিহীনদের না দিয়ে নিজ পছন্দের সচ্ছল ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দেন। সেই সঙ্গে চেয়ারম্যানদের নামে প্রকল্প গ্রহণ করে নিজ খেয়ালখুশিমতো বাস্তবায়ন করেন।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম নীলফামারী সদর উপজেলা শাখার সভাপতি ও কাচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষের কার্যালয়ে ১৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত হয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অবগত করেছেন। তিনি আমাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।’
এ অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও জেসমিন নাহারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে