রংপুর প্রতিনিধি

গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন সরকারের বিপক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করে ইভিএমে ভোট হবে না দাবি জানিয়েছে, সরকার ইভিএম কেনা থেকে পিছিয়ে এসেছে। এটা আমরা মনে করি সরকারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।’
আজ শনিবার বেলা তিনটার দিকে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে সদস্য ফরম উন্মোচন ও শীতবস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘বিরোধী দলগুলো যদি রাজপথে গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি, তাহলে একানব্বইয়ের মতো বর্তমান সরকারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মেনে নিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ তৈরি করবে। কিন্তু তার জন্য জনগণের আন্দোলন লাগবে, রাজপথের গণ-আন্দোলন লাগবে।’
নুর আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। দেশের জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা অন্য সব বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে রাজপথে যুগোপযোগী আন্দোলন করব। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হলে আগামী নির্বাচনে গণ অধিকার পরিষদ ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। তরুণদের এই দল দেশের জনগণ যেভাবে গ্রহণ করছে। তাতে আমরা বিশ্বাস করি গণ অধিকার পরিষদের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হবে।’
তিস্তা চুক্তি নিয়ে নুর বলেন, ‘রংপুর পিছিয়ে পড়া অঞ্চল। বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষের শুষ্ক কিংবা বর্ষা মৌসুম দুই সময়ই এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। দুঃখজনক হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ভারতের এত সুসম্পর্ক থাকলেও তারা ১৪ বছরে উত্তরে মানুষের যে চাওয়া “তিস্তা চুক্তি” করতে পারেনি।’
এ সময় গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক হানিফ খান সজিব, সহকারী সদস্যসচিব ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক মাসুদ মোন্নাফ, ইবরাহিম খোকনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন সরকারের বিপক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করে ইভিএমে ভোট হবে না দাবি জানিয়েছে, সরকার ইভিএম কেনা থেকে পিছিয়ে এসেছে। এটা আমরা মনে করি সরকারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।’
আজ শনিবার বেলা তিনটার দিকে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে সদস্য ফরম উন্মোচন ও শীতবস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘বিরোধী দলগুলো যদি রাজপথে গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি, তাহলে একানব্বইয়ের মতো বর্তমান সরকারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মেনে নিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ তৈরি করবে। কিন্তু তার জন্য জনগণের আন্দোলন লাগবে, রাজপথের গণ-আন্দোলন লাগবে।’
নুর আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। দেশের জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা অন্য সব বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে রাজপথে যুগোপযোগী আন্দোলন করব। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হলে আগামী নির্বাচনে গণ অধিকার পরিষদ ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। তরুণদের এই দল দেশের জনগণ যেভাবে গ্রহণ করছে। তাতে আমরা বিশ্বাস করি গণ অধিকার পরিষদের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হবে।’
তিস্তা চুক্তি নিয়ে নুর বলেন, ‘রংপুর পিছিয়ে পড়া অঞ্চল। বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষের শুষ্ক কিংবা বর্ষা মৌসুম দুই সময়ই এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। দুঃখজনক হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ভারতের এত সুসম্পর্ক থাকলেও তারা ১৪ বছরে উত্তরে মানুষের যে চাওয়া “তিস্তা চুক্তি” করতে পারেনি।’
এ সময় গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক হানিফ খান সজিব, সহকারী সদস্যসচিব ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক মাসুদ মোন্নাফ, ইবরাহিম খোকনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে