
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে নিহত হওয়া ৯ জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব লাশ হস্তান্তর করা হয়।
লাশ হস্তান্তরের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন সাজেক থানার সার্কেল অফিসার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল আওয়াল চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘লাশের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
নিহতরা হলেন কিশোরগঞ্জের আব্দুল মোহন (১৬), বাবু (২০), এরশাদুল হক ও মো. শাহ আলম (৩১) ; গাজীপুরের সাগর (২২) ও অলিউল্লাহ (৩৫) ; কক্সবাজারের রামুর জসীম উদ্দিন (২৮) এবং ময়মনসিংহের তপু হাসান (২৮)। নিহত আরেকজনের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিরীন আক্তার বলেন, ‘মরদেহ দাফনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারপ্রতি ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আর বিআরটিএর (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।’
ইউএনও শিরীন আক্তার আরও বলেন, ‘বিআরটিএর পক্ষ থেকে প্রতি নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ও প্রতি আহত ব্যক্তিকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতে পারে। মরদেহ হস্তান্তর শেষে উপজেলা প্রশাসনের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে।’
জানা গেছে, আহত চারজনের চিকিৎসা চলছে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে। এ ছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সকালে গাজীপুরের আহির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে সামিউলকে স্বজনেরা ঢাকায় নিয়ে গেছেন।
জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রিপল বাপ্পি জানান, ‘আহত ১০ জনকে হাসপাতালে আনার পর চারজনের মৃত্যু হয়। চিকিৎসাধীন ছয় শ্রমিককে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর উত্তরায় বাসা ভাড়া নিয়ে চীনা নাগরিকেরা তৈরি করতেন শরীর থেকে মন আলাদা করার মতো ভয়ানক নেশাজাতীয় কৃত্রিম মাদক ‘কেটামিন’। আর এসব মাদক সাউন্ড বক্সে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে চোরাচালান করা হতো শ্রীলঙ্কার কলম্বো ও চীনে। এ ঘটনায় তিনজন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—পার্বত্য চট্টগ্রামের এই তিন জেলায় চলছে চাঁদাবাজির মচ্ছব। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির আগে যেখানে কেবল একটি পাহাড়ি সশস্ত্র গ্রুপকে চাঁদা দিতে হতো, সেখানে বর্তমানে অন্তত পাঁচটি গোষ্ঠী এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত। মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে আদায় করা এই চাঁদা...
৪ ঘণ্টা আগে
‘এক্স-রে ফিল্ম না থাকার কারণে এক্স-রে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ’—এমন লেখা সেঁটে দেওয়া হয়েছে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষের সামনে। কক্ষটি তালাবদ্ধ। রোগীরা জানিয়েছেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে এক্স-রে করা হচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
‘ও বেটা, একবার ডাকো বেটা। ওরে আমার মানিক বেটা, ওরে আমার কাইলি বেটা, আমাকে দেখপি (দেখবে) কেরে বেটা’ বলে বিলাপ করে কাঁদছিলেন ট্রাকচাপায় নিহত দিনমজুর বাবুল আলীর মা। তাঁর সেই কান্না শুনে আশপাশের মানুষের চোখ ভিজে যায়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নাটোরের লালপুরের দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের ভেল্লাবাড়িয়া (নগরকয়া)...
৫ ঘণ্টা আগে