
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। আগামী তিন মাস হ্রদে মাছ ধরা, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) এক যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, সাধারণত প্রতিবছর ১ মে থেকে হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ করা হলেও এবার হ্রদে পানির স্তর অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় মাছের মজুত রক্ষায় নির্ধারিত সময়ের আগেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালে হ্রদে মাছ শিকার বন্ধে বিএফডিসি ও নৌ পুলিশের বিশেষ টহল দল মোতায়েন থাকবে। কোনোভাবেই যেন হ্রদ থেকে মাছ আহরণ বা পাচার হতে না পারে, সে জন্য জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নজরদারি করবে। অবৈধ মৎস্য আহরণকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জেল ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে হ্রদে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বিএফডিসি। এদিকে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়া হাজার হাজার জেলের কথা বিবেচনা করে সরকারিভাবে বিশেষ রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত জেলেরা এই তিন মাস ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল পাবেন।
বিএফডিসির তথ্যমতে, গত অর্থবছরে কাপ্তাই হ্রদ থেকে মৎস্য আহরণের পরিমাণ ছিল সাড়ে ৯ হাজার টন, যা থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা। সঠিক সময়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ও পোনা অবমুক্তকরণের ফলেই উৎপাদন ও রাজস্ব আদায়ের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।

বিভিন্ন জীবাণুর অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে ওঠা নিয়ে একের পর এক খবরের মধ্যে চিকিৎসকদের উদ্বিগ্ন করেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের এক গবেষণা। এতে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালটির শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) প্রথম সারির প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযান চালিয়ে আরও ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গত ছয় দিনে পুলিশের যৌথ অভিযানে মোট ৩৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক...
৮ ঘণ্টা আগে
পূর্বপরিচিত জয়নাল নামের এক ব্যক্তি সজিবকে আদাবর বাজার এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ৮ থেকে ৯ জনের একটি দল তাকে ঘিরে ধরে মারধর করে। পরে তাকে আদাবর এলাকার বিভিন্ন স্থানে নিয়ে নির্যাতন করা হয় এবং একপর্যায়ে একটি রিকশা গ্যারেজে আটকে রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মুলাদী সরকারি কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। মুলাদী কৃষি অফিসের মাঠ কর্মকর্তা কবির হোসেনের ছেলে মো. আলবিন, তাঁর বন্ধু সিদ্দিক আকন, সোলায়মান হোসেনসহ একদল বখাটে মুলাদী পৌরসভার জসিম হাওলাদার ও তাঁর ছেলে নবীন হাওলাদারকে পিটিয়ে-কুপিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে