
কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে ফেনী নদীর পানি বেড়েছে। এতে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার কয়েকটি এলাকার বসতবাড়ি, ফসল ও মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)।
আজ রোববার (১২ জুলাই) রামগড়, বৈদ্যটিলা, বল্টুরাম ও গর্জনতলী এলাকা পরিদর্শন করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সমস্যা ও প্রয়োজনের বিষয়ে খোঁজ নেন।
পরে ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসব পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম বলেন, ‘দুর্যোগের এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের মানবিক দায়িত্ব। দুর্গত পরিবারগুলোর প্রয়োজন ও সমস্যার বিষয়ে আমরা খোঁজ নিয়েছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সহায়তার পরিধি আরও বাড়ানো হবে।’
রামগড় ব্যাটালিয়নের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভারী বৃষ্টির কারণে ফেনী নদীর পানি বেড়েছে। এতে রামগড় উপজেলার রামগড়, বৈদ্যটিলা, বল্টুরাম ও গর্জনতলী এলাকার সাধারণ মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক পরিবারের বসতবাড়ি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিতে ক্ষতি হয়েছে কয়েকটি মৎস্য খামারও।
বিজিবির সদস্যরা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বাঙালি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ বছর প্রতিটি পূজামণ্ডপে চালের বরাদ্দ ৫০০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করেছে সরকার। তবে বরাদ্দের সেই চাল বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে প্রভাবশালী চক্রের কাছে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন সাভার-আশুলিয়ার দুর্গামণ্ডপের পূজারিরা।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়ায় যুবদলের কর্মী পরিচয়ে বিরোধী নেতা-কর্মীদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে হারুনার রশিদ হারুন (৪২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, গত ২৮ সেপ্টেম্বর টাকা না দেওয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে পুলিশে ধরিয়ে দেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলার এলাকায় বিভিন্ন বয়সী মানুষের ফেস ভেরিফিকেশন, ছবি, পাসপোর্টের ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর ধরে এই কাজ করেছে একটি চক্র।
৩ ঘণ্টা আগে
কোথাও চলছে মাথার আদলে ক্যাপ ঠিকঠাক করার কাজ। কেউ সেটিতে লাগাচ্ছেন কৃত্রিম চুল। তাঁদের হাতে মাথার আদলে তৈরি হচ্ছে পরচুলা। দুই, চার কিংবা দশজন নন। এই কাজ করছেন প্রায় আড়াই শ নারী। আর এই কারখানা তদারকি করছেন বিলকিস বেগম। কারখানাটির মালিক তিনি। অন্যের প্রতিষ্ঠানে পরচুলা তৈরির কাজ শিখে এখন...
৩ ঘণ্টা আগে