মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় টিসিবির পণ্য নিতে গিয়ে ইউপি সদস্যের মারধরে শিকার হয়ে তিনজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। লাইনে দাঁড়ানোর জন্য সাইড দিতে বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম তাদের মারধর করেছেন বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম ভালাইন ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য। তিনি ইউনিয়নের তুড়ুকগ্রাম গ্রামের আছির উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে।
মারধরে আহতেরা হলেন—এনামুল হক (৪৫), সাখাওয়াত হোসেন (৩০) ও জবেদা বিবি (৫০)। তারা সবাই ভালাইন ইউনিয়নের বৈলশিং দীঘিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এদের মধ্যে এনামুল হককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ইউপি সদস্যের এ কর্মকাণ্ডে উপস্থিত লোকজনের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থল থেকে তড়িঘড়ি সটকে পড়েন তিনি।
ভুক্তভোগী এনামুল হক বলেন, ‘টিসিবির পণ্য নিতে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদে যাই। লাইনে দাঁড়ানোর জন্য ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামকে সাইড দিতে বলায় তিনি চরম ক্ষিপ্ত হন। এ অভিযোগে আমার শার্টের কলার ধরে মারধর শুরু করেন। পরে পরিষদের একটি ঘরে আটকে রেখে দ্বিতীয় দফার মারধর করেন।’
মারধরের শিকার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘চাচাকে (এনামুল হক) মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে নুরুল ইসলাম মেম্বার আমাকেও মারধর করেন। একইভাবে জবেদা বিবি নামে এক নারীকেও মারধর করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনার বিষয়ে ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি পরিষদে উপস্থিত ছিলাম না। পরে পরিষদে এসে ঘটনায় বিষয়ে জেনেছি। বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু বাক্কার সিদ্দিক বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। ভুক্তভোগীদের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় টিসিবির পণ্য নিতে গিয়ে ইউপি সদস্যের মারধরে শিকার হয়ে তিনজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। লাইনে দাঁড়ানোর জন্য সাইড দিতে বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম তাদের মারধর করেছেন বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম ভালাইন ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য। তিনি ইউনিয়নের তুড়ুকগ্রাম গ্রামের আছির উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে।
মারধরে আহতেরা হলেন—এনামুল হক (৪৫), সাখাওয়াত হোসেন (৩০) ও জবেদা বিবি (৫০)। তারা সবাই ভালাইন ইউনিয়নের বৈলশিং দীঘিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এদের মধ্যে এনামুল হককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ইউপি সদস্যের এ কর্মকাণ্ডে উপস্থিত লোকজনের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থল থেকে তড়িঘড়ি সটকে পড়েন তিনি।
ভুক্তভোগী এনামুল হক বলেন, ‘টিসিবির পণ্য নিতে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদে যাই। লাইনে দাঁড়ানোর জন্য ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামকে সাইড দিতে বলায় তিনি চরম ক্ষিপ্ত হন। এ অভিযোগে আমার শার্টের কলার ধরে মারধর শুরু করেন। পরে পরিষদের একটি ঘরে আটকে রেখে দ্বিতীয় দফার মারধর করেন।’
মারধরের শিকার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘চাচাকে (এনামুল হক) মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে নুরুল ইসলাম মেম্বার আমাকেও মারধর করেন। একইভাবে জবেদা বিবি নামে এক নারীকেও মারধর করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনার বিষয়ে ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি পরিষদে উপস্থিত ছিলাম না। পরে পরিষদে এসে ঘটনায় বিষয়ে জেনেছি। বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু বাক্কার সিদ্দিক বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। ভুক্তভোগীদের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে বোরো ধান রক্ষার প্রধান ভরসা হাওর রক্ষা বাঁধ। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও জেলার বেশির ভাগ হাওরে এই বাঁধের কাজ এখনো শুরু হয়নি। কোথাও কাজের কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই, কোথাও আবার প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিও (পিআইসি) গঠন শেষ হয়নি। এতে সময়মতো কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থান
৬ ঘণ্টা আগে