ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় শোয়ার ঘর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার অষ্টমনীষা ইউনিয়নের বড় বিশাকোল বাঁধপাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
গৃহবধূর নাম সুমাইয়া আক্তার সুমি (২৩)। তিনি ওই গ্রামের গার্মেন্টস কর্মী জাকিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া উপজেলার মানিকদহ গ্রামের বিশু প্রামাণিকের মেয়ে। তাঁর তিন বছর বয়সের একটি ছেলে রয়েছে।
পুলিশ বলছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, আট বছর আগে পারিবারিকভাবে সুমি ও জাকিরুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুমির সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বনিবনা হচ্ছিল না। প্রায়ই তাঁদের মধ্যে ঝগড়াবিবাদ লেগেই থাকত। ১০-১২ দিন আগে শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুমিকে গালিগালাজ ও মারপিট করলে তিনি রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যান। পরে স্বামী জাকিরুল গিয়ে সুমিকে বাড়ি নিয়ে আসেন।
ঘটনার দিন সোমবার দুপুরে সুমিকে তাঁর শোয়ার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে তারা সুমির মরদেহ নিচে নামিয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে রাত ৮টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
গৃহবধূ সুমির মামা আবু তাহের মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুমিকে গালিগালাজ ও মারপিট করত। সোমবার বিকেলে খবর আসে, সুমি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে মরদেহটি পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় শোয়ার ঘর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার অষ্টমনীষা ইউনিয়নের বড় বিশাকোল বাঁধপাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
গৃহবধূর নাম সুমাইয়া আক্তার সুমি (২৩)। তিনি ওই গ্রামের গার্মেন্টস কর্মী জাকিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া উপজেলার মানিকদহ গ্রামের বিশু প্রামাণিকের মেয়ে। তাঁর তিন বছর বয়সের একটি ছেলে রয়েছে।
পুলিশ বলছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, আট বছর আগে পারিবারিকভাবে সুমি ও জাকিরুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুমির সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বনিবনা হচ্ছিল না। প্রায়ই তাঁদের মধ্যে ঝগড়াবিবাদ লেগেই থাকত। ১০-১২ দিন আগে শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুমিকে গালিগালাজ ও মারপিট করলে তিনি রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যান। পরে স্বামী জাকিরুল গিয়ে সুমিকে বাড়ি নিয়ে আসেন।
ঘটনার দিন সোমবার দুপুরে সুমিকে তাঁর শোয়ার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে তারা সুমির মরদেহ নিচে নামিয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে রাত ৮টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
গৃহবধূ সুমির মামা আবু তাহের মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুমিকে গালিগালাজ ও মারপিট করত। সোমবার বিকেলে খবর আসে, সুমি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে মরদেহটি পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে