রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটের ফলাফল অসংগতিপূর্ণ উল্লেখ করে পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছে পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত নম্বর না পাওয়া শিক্ষার্থীরা।
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপ্লেক্সে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তার কাছে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী এ দাবি জানান।
এ সময় তাঁরা প্রত্যেকে অভিযোগপত্র জমা দিতে চাইলেও অনুষদের অধিকর্তা তিনজনের অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সবার খাতা পুনর্মূল্যায়নের আশ্বাস দিলেও শিক্ষার্থীরা বলছেন তাঁদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাঁদের খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। কারও কারও খাতায় ১৫-২০ নম্বরের ঘাটতি রয়েছে। কারও কারও খাতায় ভুল উত্তরের সংখ্যা বেশি দেখানো হয়েছে। কিছু কিছু শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, তাঁদের সঠিক উত্তরের সংখ্যা মিল থাকলেও প্রতি সঠিক উত্তরে নম্বর ১.২৫ না দিয়ে ১ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগী উপস্থিত থাকার পরও কেন মাত্র তিনজনের অভিযোগ গ্রহণ করা হলো এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।
উত্তরপত্রে নম্বরের মান ঠিক রাখা হয়নি উল্লেখ করে সাদ্দাম হোসাইন নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে ১ দশমিক ২৫ নম্বর। আমার যে উত্তর সঠিক হয়েছে সেগুলো এই নম্বর দিয়ে গুণ করলে অনেক হয়, কিন্তু এক নম্বর করে ধরলে ফলাফলের সঙ্গে মেলে। এখানে ক্যালকুলেশনে ভুল থাকতে পারে।
কাঙ্ক্ষিত নম্বরের চেয়ে কম পেয়েছেন বলে মনে করছেন তৌফিক আহমেদ শিপন নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘দেশের স্বনামধন্য কোচিং সেন্টারের দেওয়া উত্তর ও সহায়কের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছি আমার ৭০-এর মতো নম্বর আসবে। কিন্তু ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায় ৬১ দশমিক ৫০ পেয়েছি। হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নম্বর গণনার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি থাকতে পারে।’
অভিযোগ দিতে এসেছিলেন আরমান হোসেন নামের এক শিক্ষার্থীর মা। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে ভালো পরীক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু ফলাফল দেখে অসংগতিপূর্ণ মনে হয়েছে। তাই আমি অভিযোগ দিতে এসেছি। ডিন স্যার কয়েকজনের আবেদন রেখে তাদের খাতা আবার দেখতে চেয়েছে। আশা করি তাদের খাতা চ্যালেঞ্জে টিকে গেলে আমদের সবার খাতা দেখা হবে। এ জন্য যদি প্রতিদিনই রাজশাহীতে আসা লাগে, তাহলেও আমি রাজশাহীতে আসার জন্য প্রস্তুত আছি। আমার সন্তানের জন্য আমি সব করতে পারি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তা ও ‘এ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক একরাম উল্যাহ বলেন, ‘উত্তরপত্রের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দক্ষ পাঁচজন শিক্ষকের উপস্থিতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে। কয়েকবার চেক করার পরেও আমরা র্যানডম কিছু ওএমআর বের করে ম্যানুয়ালি মূল্যায়ন করে মিলিয়ে দেখেছি। উভয় মূল্যায়ন পদ্ধতিতেই ফলাফল একই রকম ছিল। তাদের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ মূল্যায়ন করতে আমি তিনটি অভিযোগপত্র জমা রেখেছি। ওই তিনজন পরীক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এইগুলো পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে। যদি ন্যূনতম অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে অভিযোগ গ্রহণ করে সবার উত্তরপত্র আবার মূল্যায়ন করা হবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটের ফলাফল অসংগতিপূর্ণ উল্লেখ করে পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছে পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত নম্বর না পাওয়া শিক্ষার্থীরা।
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপ্লেক্সে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তার কাছে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী এ দাবি জানান।
এ সময় তাঁরা প্রত্যেকে অভিযোগপত্র জমা দিতে চাইলেও অনুষদের অধিকর্তা তিনজনের অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সবার খাতা পুনর্মূল্যায়নের আশ্বাস দিলেও শিক্ষার্থীরা বলছেন তাঁদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাঁদের খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। কারও কারও খাতায় ১৫-২০ নম্বরের ঘাটতি রয়েছে। কারও কারও খাতায় ভুল উত্তরের সংখ্যা বেশি দেখানো হয়েছে। কিছু কিছু শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, তাঁদের সঠিক উত্তরের সংখ্যা মিল থাকলেও প্রতি সঠিক উত্তরে নম্বর ১.২৫ না দিয়ে ১ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগী উপস্থিত থাকার পরও কেন মাত্র তিনজনের অভিযোগ গ্রহণ করা হলো এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।
উত্তরপত্রে নম্বরের মান ঠিক রাখা হয়নি উল্লেখ করে সাদ্দাম হোসাইন নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে ১ দশমিক ২৫ নম্বর। আমার যে উত্তর সঠিক হয়েছে সেগুলো এই নম্বর দিয়ে গুণ করলে অনেক হয়, কিন্তু এক নম্বর করে ধরলে ফলাফলের সঙ্গে মেলে। এখানে ক্যালকুলেশনে ভুল থাকতে পারে।
কাঙ্ক্ষিত নম্বরের চেয়ে কম পেয়েছেন বলে মনে করছেন তৌফিক আহমেদ শিপন নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘দেশের স্বনামধন্য কোচিং সেন্টারের দেওয়া উত্তর ও সহায়কের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছি আমার ৭০-এর মতো নম্বর আসবে। কিন্তু ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায় ৬১ দশমিক ৫০ পেয়েছি। হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নম্বর গণনার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি থাকতে পারে।’
অভিযোগ দিতে এসেছিলেন আরমান হোসেন নামের এক শিক্ষার্থীর মা। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে ভালো পরীক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু ফলাফল দেখে অসংগতিপূর্ণ মনে হয়েছে। তাই আমি অভিযোগ দিতে এসেছি। ডিন স্যার কয়েকজনের আবেদন রেখে তাদের খাতা আবার দেখতে চেয়েছে। আশা করি তাদের খাতা চ্যালেঞ্জে টিকে গেলে আমদের সবার খাতা দেখা হবে। এ জন্য যদি প্রতিদিনই রাজশাহীতে আসা লাগে, তাহলেও আমি রাজশাহীতে আসার জন্য প্রস্তুত আছি। আমার সন্তানের জন্য আমি সব করতে পারি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তা ও ‘এ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক একরাম উল্যাহ বলেন, ‘উত্তরপত্রের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দক্ষ পাঁচজন শিক্ষকের উপস্থিতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে। কয়েকবার চেক করার পরেও আমরা র্যানডম কিছু ওএমআর বের করে ম্যানুয়ালি মূল্যায়ন করে মিলিয়ে দেখেছি। উভয় মূল্যায়ন পদ্ধতিতেই ফলাফল একই রকম ছিল। তাদের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ মূল্যায়ন করতে আমি তিনটি অভিযোগপত্র জমা রেখেছি। ওই তিনজন পরীক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এইগুলো পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে। যদি ন্যূনতম অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে অভিযোগ গ্রহণ করে সবার উত্তরপত্র আবার মূল্যায়ন করা হবে।’

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৯ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৯ ঘণ্টা আগে