বগুড়া প্রতিনিধি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে। এ জন্য রাজপথের আন্দোলনের কোনো বিকল্প নাই।’ তিনি নিজেদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
আজ শুক্রবার বিকেলে বগুড়া শহরের সেন্ট্রাল স্কুল মাঠে ১০ দফা দাবিতে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মোশারফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের মিথ্যাচার, ব্যর্থতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন কারণে পশ্চিমা দেশগুলোর আজ ধিক্কার দিচ্ছে। আমেরিকা একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। যা দেশের জন্য লজ্জাকর। এসব কারণে শেখ হাসিনা সরকারের বিদায় এখন এক দফার দাবিতে পরিণত হয়েছে।’
খালেদা জিয়াকে মুক্ত না করতে পারলে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এরশাদ সরকারের হাত থেকে দেশ রক্ষা করেছিলেন খালেদা জিয়া। এবারও দেশ রক্ষায় খালেদা জিয়ার বিকল্প নাই। খালেদা জিয়া মুক্ত না হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না। এ জন্য আপনাদের বড় ধরনের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকবে হবে।’
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার কথা এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না। শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ক্ষমতায় থাকার জন্য। শেখ হাসিনা যে দেশে যাচ্ছেন, সেখানেই তাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।’
বগুড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এ কে এম মাহবুবর রহমান, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, রাজশাহী বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
এদিকে, বিএনপির জনসমাবেশ উপলক্ষে শহরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। শহরের প্রবেশমুখ ছাড়াও বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দুপুরের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা জনসমাবেশ স্থলে আসতে শুরু করে। ফলে বিকেলের আগেই জনসমাবেশের স্থল পরিপূর্ণ হয়ে যায়।
অন্যদিকে সমাবেশ স্থলের ৫০০ মিটার দূরে শহরের সাতমাথায় ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মীর অবস্থান করতে দেখা যায়। এ সময় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা জানান, ‘বিএনপি সমাবেশের নামে শহরে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আমরা জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছি।’
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলা করতে পুলিশের প্রস্তুতি ছিল। বিএনপির সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে। এ জন্য রাজপথের আন্দোলনের কোনো বিকল্প নাই।’ তিনি নিজেদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
আজ শুক্রবার বিকেলে বগুড়া শহরের সেন্ট্রাল স্কুল মাঠে ১০ দফা দাবিতে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মোশারফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের মিথ্যাচার, ব্যর্থতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন কারণে পশ্চিমা দেশগুলোর আজ ধিক্কার দিচ্ছে। আমেরিকা একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। যা দেশের জন্য লজ্জাকর। এসব কারণে শেখ হাসিনা সরকারের বিদায় এখন এক দফার দাবিতে পরিণত হয়েছে।’
খালেদা জিয়াকে মুক্ত না করতে পারলে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এরশাদ সরকারের হাত থেকে দেশ রক্ষা করেছিলেন খালেদা জিয়া। এবারও দেশ রক্ষায় খালেদা জিয়ার বিকল্প নাই। খালেদা জিয়া মুক্ত না হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না। এ জন্য আপনাদের বড় ধরনের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকবে হবে।’
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার কথা এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না। শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ক্ষমতায় থাকার জন্য। শেখ হাসিনা যে দেশে যাচ্ছেন, সেখানেই তাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।’
বগুড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এ কে এম মাহবুবর রহমান, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, রাজশাহী বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
এদিকে, বিএনপির জনসমাবেশ উপলক্ষে শহরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। শহরের প্রবেশমুখ ছাড়াও বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দুপুরের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা জনসমাবেশ স্থলে আসতে শুরু করে। ফলে বিকেলের আগেই জনসমাবেশের স্থল পরিপূর্ণ হয়ে যায়।
অন্যদিকে সমাবেশ স্থলের ৫০০ মিটার দূরে শহরের সাতমাথায় ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মীর অবস্থান করতে দেখা যায়। এ সময় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা জানান, ‘বিএনপি সমাবেশের নামে শহরে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আমরা জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছি।’
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলা করতে পুলিশের প্রস্তুতি ছিল। বিএনপির সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে