নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অপরাধে তাঁর শ্বশুরকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বর্ধনপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা (২৮) ও তাঁর বাবা আবুল কালাম (৫০)।
আদালত কালামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গোলাম মোস্তফাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুন্নাহার মুক্তি এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন। তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম মোস্তফা প্রায়ই তাঁর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার যুথীকে নির্যাতন করতেন। আর তাঁর বাবা আবুল কালাম তাঁর ছেলের বউকে কুপ্রস্তাব দিতেন। ২০২২ সালের ৬ এপ্রিল বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আবুল কালাম তাঁর ছেলের বউকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর সেদিনই শিশু ছেলে সন্তানকে নিয়ে যুথী বাবার বাড়ি চলে যান।
পরে মাঠে কাজ শেষে সন্ধ্যায় গোলাম মোস্তফা তাঁর মায়ের কাছে এসব বিষয় জানতে পারেন। এরপর রাতেই তিনি শ্বশুরবাড়ি যান। সেখানে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার নামে গোলাম মোস্তফা তাঁকে বাড়ির পাশের আরেকটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নিয়ে যান। ফাঁকা এই বাড়িতে তিনি যুথীর গলা চেপে ধরেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা যুথীর চিৎকারে সেখানে গেলে মোস্তফা পালিয়ে যান। পরে যুথীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পর মোস্তফা বাড়ি গিয়ে তাঁর বাবাকেও কুপিয়ে আহত করেন। পরে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে যুথীকে হত্যার অভিযোগে মোস্তফার বিরুদ্ধে মামলা করেন যুথীর বাবা। একই মামলায় যুথীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে তাঁর শ্বশুর আবুল কালামকেও আসামি করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করলেন।

রাজশাহীতে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অপরাধে তাঁর শ্বশুরকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বর্ধনপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা (২৮) ও তাঁর বাবা আবুল কালাম (৫০)।
আদালত কালামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গোলাম মোস্তফাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুন্নাহার মুক্তি এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন। তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম মোস্তফা প্রায়ই তাঁর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার যুথীকে নির্যাতন করতেন। আর তাঁর বাবা আবুল কালাম তাঁর ছেলের বউকে কুপ্রস্তাব দিতেন। ২০২২ সালের ৬ এপ্রিল বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আবুল কালাম তাঁর ছেলের বউকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর সেদিনই শিশু ছেলে সন্তানকে নিয়ে যুথী বাবার বাড়ি চলে যান।
পরে মাঠে কাজ শেষে সন্ধ্যায় গোলাম মোস্তফা তাঁর মায়ের কাছে এসব বিষয় জানতে পারেন। এরপর রাতেই তিনি শ্বশুরবাড়ি যান। সেখানে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার নামে গোলাম মোস্তফা তাঁকে বাড়ির পাশের আরেকটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নিয়ে যান। ফাঁকা এই বাড়িতে তিনি যুথীর গলা চেপে ধরেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা যুথীর চিৎকারে সেখানে গেলে মোস্তফা পালিয়ে যান। পরে যুথীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পর মোস্তফা বাড়ি গিয়ে তাঁর বাবাকেও কুপিয়ে আহত করেন। পরে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে যুথীকে হত্যার অভিযোগে মোস্তফার বিরুদ্ধে মামলা করেন যুথীর বাবা। একই মামলায় যুথীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে তাঁর শ্বশুর আবুল কালামকেও আসামি করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করলেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৫ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১০ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
২৩ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৯ মিনিট আগে