নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর পুঠিয়ায় শাশুড়িকে হত্যা করে বস্তাবন্দী লাশ কবরস্থানে ফেলে দিয়েছিলেন তাঁরই পুত্রবধূ। গত শুক্রবার দুপুরে বেদেনা বেওয়া (৫৭) নামের ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ বলছে, ওই নারীর ছেলের বউ তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করার অভিযোগে পুলিশ ওই নারীর নাতনিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সর্বশেষ আসামিকে আজ বুধবার গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর মধ্যে দুই আসামি অপ্রাপ্ত বয়স্ক।
নিহত বেদেনা বেওয়ার বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার থান্দারপাড়া গ্রামে। স্বামীর নাম মোজাহার আলী। মোজাহার প্রায় ৩৩ বছর আগে মারা গেছেন। বেদেনা দুই সন্তানের মা ছিলেন। গ্রেপ্তার পুত্রবধূর নাম কণিকা খাতুন (২৯)। কণিকা ছাড়াও তাঁর সতিনের মেয়ে (১৪) ও দেবরের ছেলেকে (১৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে কণিকা ও সতিনের মেয়েকে গত শনিবার গ্রেপ্তারের পর রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতে তারা দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। অপর আসামি কণিকার দেবরের ছেলেকে আজ বুধবার গ্রেপ্তারের পর বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মামলার বাদী কণিকার স্বামী রিপন আলী। পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন। ওসি বলেন, শাশুড়ির সঙ্গে কণিকার মনোমালিন্য ছিল। ঘটনার দিন তাঁর সঙ্গে ঝগড়াও হয়েছিল। এর জের ধরেই তিনি শাশুড়িকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ইফতারির সময় পরিকল্পনামাফিক তিনি শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে সৎমেয়েকে বলেন, ‘এই শরবত তোমার দাদিকে দাও।’ সে প্রথমে রাজি হয়নি। বলে, ‘তুমিই দাও।’ তখন কণিকা বলেন, তাঁর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে, তিনি দিলে খাবেন না। তখন তাঁর সতিনের মেয়ে দাদির হাতে শরবতের গ্লাস তুলে দেয়।
শরবত পানের পরপরই ঘুমিয়ে পড়েন বেদেনা বেওয়া। এরপর কণিকা ওড়না দিয়ে শাশুড়ির দুই হাত খাটের সঙ্গে বেঁধে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে দেবরের ছেলেকে ডাকেন। সে তাঁর বিশ্বস্ত। ডাকলেই আসে। তাকে ডেকে প্রথমে কেক খেতে দেন। এরপর তার সহযোগিতা চান। তিনজন মিলে লাশ বস্তায় ভরে দেয়ালের ওপর দিয়ে কবরস্থানে ফেলে দেন। গত শুক্রবার লাশের গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এক ব্যক্তি সরকারি জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে পুলিশকে জানায়।
এরপর পুঠিয়া থানার পুলিশ ডোম ডেকে বস্তার মুখ খুললে বেদেনার লাশ বেরিয়ে আসে। পরদিন শনিবার পুলিশ রিপন ও তাঁর স্ত্রী কণিকাকে থানায় মামলা করার জন্য ডাকে। তারা থানায় যাওয়ার পর রিপন ও তাঁর স্ত্রীকে পুলিশ আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে কণিকা ঘটনার কথা স্বীকার করেন। তাঁর কথা অনুযায়ী বাড়ি থেকে তাঁর সতিনের মেয়েকে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাঁদের দুজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তাঁরা দুজনই পরদিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আজ বুধবার পুলিশ কণিকার দেবরের ছেলেকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সেও ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। মামলার বাদী ও বেদেনা বেওয়ার ছেলে রিপন আলী লাশ উদ্ধারের দিন জানিয়েছিলেন, তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালান। মাকে নিয়ে থান্দারপাড়ায় থাকেন। সেদিন বাইরে থেকে বাড়ি এসে জানতে পারেন, তাঁর মা বাড়ি থেকে একটু দূরে বানেশ্বর বাজারে গেছেন। বাজার থেকে তাঁর ভাগনেকে আনতে যাওয়ার কথা বলে যান। পরে ভাগনে একাই বাড়ি এসেছে, কিন্তু মা ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজি করে মাকে না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার পুঠিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রিপন আরও বলেন, যে গোরস্থানে মায়ের লাশ পাওয়া গেছে, সেটি তাঁর বাসার পাশেই। গত বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে অনেকে কবর জিয়ারত করতে যান। কিন্তু তখন সেখানে কোনো লাশ ছিল না। শুক্রবার দুপুরের পর গন্ধ পেয়ে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে বস্তাবন্দী লাশ দেখতে পায়। থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে তিনি গিয়ে মায়ের লাশ শনাক্ত করেন।

রাজশাহীর পুঠিয়ায় শাশুড়িকে হত্যা করে বস্তাবন্দী লাশ কবরস্থানে ফেলে দিয়েছিলেন তাঁরই পুত্রবধূ। গত শুক্রবার দুপুরে বেদেনা বেওয়া (৫৭) নামের ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ বলছে, ওই নারীর ছেলের বউ তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করার অভিযোগে পুলিশ ওই নারীর নাতনিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সর্বশেষ আসামিকে আজ বুধবার গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর মধ্যে দুই আসামি অপ্রাপ্ত বয়স্ক।
নিহত বেদেনা বেওয়ার বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার থান্দারপাড়া গ্রামে। স্বামীর নাম মোজাহার আলী। মোজাহার প্রায় ৩৩ বছর আগে মারা গেছেন। বেদেনা দুই সন্তানের মা ছিলেন। গ্রেপ্তার পুত্রবধূর নাম কণিকা খাতুন (২৯)। কণিকা ছাড়াও তাঁর সতিনের মেয়ে (১৪) ও দেবরের ছেলেকে (১৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে কণিকা ও সতিনের মেয়েকে গত শনিবার গ্রেপ্তারের পর রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতে তারা দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। অপর আসামি কণিকার দেবরের ছেলেকে আজ বুধবার গ্রেপ্তারের পর বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মামলার বাদী কণিকার স্বামী রিপন আলী। পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন। ওসি বলেন, শাশুড়ির সঙ্গে কণিকার মনোমালিন্য ছিল। ঘটনার দিন তাঁর সঙ্গে ঝগড়াও হয়েছিল। এর জের ধরেই তিনি শাশুড়িকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ইফতারির সময় পরিকল্পনামাফিক তিনি শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে সৎমেয়েকে বলেন, ‘এই শরবত তোমার দাদিকে দাও।’ সে প্রথমে রাজি হয়নি। বলে, ‘তুমিই দাও।’ তখন কণিকা বলেন, তাঁর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে, তিনি দিলে খাবেন না। তখন তাঁর সতিনের মেয়ে দাদির হাতে শরবতের গ্লাস তুলে দেয়।
শরবত পানের পরপরই ঘুমিয়ে পড়েন বেদেনা বেওয়া। এরপর কণিকা ওড়না দিয়ে শাশুড়ির দুই হাত খাটের সঙ্গে বেঁধে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে দেবরের ছেলেকে ডাকেন। সে তাঁর বিশ্বস্ত। ডাকলেই আসে। তাকে ডেকে প্রথমে কেক খেতে দেন। এরপর তার সহযোগিতা চান। তিনজন মিলে লাশ বস্তায় ভরে দেয়ালের ওপর দিয়ে কবরস্থানে ফেলে দেন। গত শুক্রবার লাশের গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এক ব্যক্তি সরকারি জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে পুলিশকে জানায়।
এরপর পুঠিয়া থানার পুলিশ ডোম ডেকে বস্তার মুখ খুললে বেদেনার লাশ বেরিয়ে আসে। পরদিন শনিবার পুলিশ রিপন ও তাঁর স্ত্রী কণিকাকে থানায় মামলা করার জন্য ডাকে। তারা থানায় যাওয়ার পর রিপন ও তাঁর স্ত্রীকে পুলিশ আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে কণিকা ঘটনার কথা স্বীকার করেন। তাঁর কথা অনুযায়ী বাড়ি থেকে তাঁর সতিনের মেয়েকে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাঁদের দুজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তাঁরা দুজনই পরদিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আজ বুধবার পুলিশ কণিকার দেবরের ছেলেকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সেও ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। মামলার বাদী ও বেদেনা বেওয়ার ছেলে রিপন আলী লাশ উদ্ধারের দিন জানিয়েছিলেন, তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালান। মাকে নিয়ে থান্দারপাড়ায় থাকেন। সেদিন বাইরে থেকে বাড়ি এসে জানতে পারেন, তাঁর মা বাড়ি থেকে একটু দূরে বানেশ্বর বাজারে গেছেন। বাজার থেকে তাঁর ভাগনেকে আনতে যাওয়ার কথা বলে যান। পরে ভাগনে একাই বাড়ি এসেছে, কিন্তু মা ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজি করে মাকে না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার পুঠিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রিপন আরও বলেন, যে গোরস্থানে মায়ের লাশ পাওয়া গেছে, সেটি তাঁর বাসার পাশেই। গত বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে অনেকে কবর জিয়ারত করতে যান। কিন্তু তখন সেখানে কোনো লাশ ছিল না। শুক্রবার দুপুরের পর গন্ধ পেয়ে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে বস্তাবন্দী লাশ দেখতে পায়। থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে তিনি গিয়ে মায়ের লাশ শনাক্ত করেন।

১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে অবশেষে মুক্ত হলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ উপাচার্য (প্রো-ভিসি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১ টায় শাকসুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করলে তারা মুক্ত হন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৬ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৭ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে