নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হক নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রেখে নির্বাচন শেষ করার কথা দিয়েছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার ডাকে দুজনে এসে একে অপরের সঙ্গে আলীঙ্গনও করেছেন। কিন্তু তারপরও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিনটি নির্বাচনী অফিসও। এ নিয়ে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে এনামুল হকের অন্তত সাতজন কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এঁদের মধ্যে শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, তাঁর ভাই সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত জিল্লুর রহমান আগে এমপি এনামুল হকের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের প্রভাষক।
জিল্লুর রহমান বলেন, তাঁদের গ্রামে নৌকা ছাড়া কাঁচি প্রতীকের কোনো পোস্টার নেই। কাঁচির পোস্টার টানানো হলেই খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরে তিনি কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে আবার পোস্টার টানান। এরপর তাঁরা সবাই মিলে দোকানে চা পান করছিলেন। তখন নৌকার প্রার্থীর ১৫-২০ জন সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ঘিরে রাখেন। ওই সময় তিনি বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকারকে ফোন করে তাঁদের উদ্ধারের অনুরোধ জানান।
থানা থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব খুব বেশি না হলেও পুলিশ যায়নি। তখন তাঁদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
জিল্লুর রহমান বলেন, তাঁরা মোট সাতজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। জিল্লুর বলেন, হামলাকারীরা তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছে। তারপর মারধর করেছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ মোবাইল ফোন উদ্ধার করেনি। কাউকে আটকও করেনি। এ ঘটনায় তাঁরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
একই দিন দুপুরে হামিরকুৎসা এলাকায় এনামুল হকের নারী কর্মীদের প্রচারকাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাঁচি প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোয় তিনজনকে পিটিয়ে জখম করেন নৌকার প্রার্থীর সমর্থকেরা। উপজেলার পাহাড়পুর ও বালানগর গ্রামে পৃথক দুই ঘটনায় আহত তিনজনকে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীরা ওই দুই গ্রামে কাঁচি প্রতীকের তিনটি নির্বাচনী কার্যালয়ও পুড়িয়ে দিয়েছে।
এই আসনে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হকের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে ভোটের শুরু থেকেই। এ পরিস্থিতিতে দুই প্রার্থীকে একজন করে গানম্যানও দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তার জন্য। কিন্তু পরিস্থিতি আরও উত্তপ্তই হয়েছে। হামলা-মামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এই উত্তেজনা নিরসনে গত সোমবার বিকেলে দুই প্রার্থীকে নিয়ে বসেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ।
বাগমারায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুই প্রার্থীকে নিয়েই বসা হয়।
এ সময় রাজশাহীর পুলিশ সুপার সাইফুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে দুই পক্ষই নির্বাচনে কোনো সহিংসতায় না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। রাগ-অভিমান ভুলে তারা একে অপরের সঙ্গে আলীঙ্গন করেন। তখন এ দৃশ্যের ছবিও তুলে রাখা হয়। কিন্তু তারপরও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মারধর করা হয়েছে।
বাগমারা থানার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, ‘দুই প্রার্থীর সমঝোতার পর শুধু শ্রীপুর গ্রামে দুজনকে মারধরের কথা জানি। অন্য কোথাও কিছু ঘটেছে কি না তা বলতে পারছি না। শ্রীপুরে যারা হামলার ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হক নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রেখে নির্বাচন শেষ করার কথা দিয়েছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার ডাকে দুজনে এসে একে অপরের সঙ্গে আলীঙ্গনও করেছেন। কিন্তু তারপরও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিনটি নির্বাচনী অফিসও। এ নিয়ে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে এনামুল হকের অন্তত সাতজন কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এঁদের মধ্যে শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, তাঁর ভাই সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত জিল্লুর রহমান আগে এমপি এনামুল হকের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের প্রভাষক।
জিল্লুর রহমান বলেন, তাঁদের গ্রামে নৌকা ছাড়া কাঁচি প্রতীকের কোনো পোস্টার নেই। কাঁচির পোস্টার টানানো হলেই খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরে তিনি কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে আবার পোস্টার টানান। এরপর তাঁরা সবাই মিলে দোকানে চা পান করছিলেন। তখন নৌকার প্রার্থীর ১৫-২০ জন সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ঘিরে রাখেন। ওই সময় তিনি বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকারকে ফোন করে তাঁদের উদ্ধারের অনুরোধ জানান।
থানা থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব খুব বেশি না হলেও পুলিশ যায়নি। তখন তাঁদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
জিল্লুর রহমান বলেন, তাঁরা মোট সাতজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। জিল্লুর বলেন, হামলাকারীরা তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছে। তারপর মারধর করেছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ মোবাইল ফোন উদ্ধার করেনি। কাউকে আটকও করেনি। এ ঘটনায় তাঁরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
একই দিন দুপুরে হামিরকুৎসা এলাকায় এনামুল হকের নারী কর্মীদের প্রচারকাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাঁচি প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোয় তিনজনকে পিটিয়ে জখম করেন নৌকার প্রার্থীর সমর্থকেরা। উপজেলার পাহাড়পুর ও বালানগর গ্রামে পৃথক দুই ঘটনায় আহত তিনজনকে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীরা ওই দুই গ্রামে কাঁচি প্রতীকের তিনটি নির্বাচনী কার্যালয়ও পুড়িয়ে দিয়েছে।
এই আসনে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হকের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে ভোটের শুরু থেকেই। এ পরিস্থিতিতে দুই প্রার্থীকে একজন করে গানম্যানও দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তার জন্য। কিন্তু পরিস্থিতি আরও উত্তপ্তই হয়েছে। হামলা-মামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এই উত্তেজনা নিরসনে গত সোমবার বিকেলে দুই প্রার্থীকে নিয়ে বসেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ।
বাগমারায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুই প্রার্থীকে নিয়েই বসা হয়।
এ সময় রাজশাহীর পুলিশ সুপার সাইফুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে দুই পক্ষই নির্বাচনে কোনো সহিংসতায় না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। রাগ-অভিমান ভুলে তারা একে অপরের সঙ্গে আলীঙ্গন করেন। তখন এ দৃশ্যের ছবিও তুলে রাখা হয়। কিন্তু তারপরও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মারধর করা হয়েছে।
বাগমারা থানার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, ‘দুই প্রার্থীর সমঝোতার পর শুধু শ্রীপুর গ্রামে দুজনকে মারধরের কথা জানি। অন্য কোথাও কিছু ঘটেছে কি না তা বলতে পারছি না। শ্রীপুরে যারা হামলার ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে