নওগাঁ প্রতিনিধি

বহু চেষ্টা করেও যারা টেকসই আবাস গড়ে তুলতে পারে না, তাদের সীমাহীন কষ্ট সহ্য করতে হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এসব মানুষকে পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ! তবে এবার সেই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ৮০টি পরিবারের। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে উপজেলার নোহেলা কাস্ট গাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর নির্মাণ করা ৮০টি বাড়ি হস্তান্তর করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের কাছে।
আজ শনিবার দুপুরে স্থানীয় আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলপনা ইয়াসমিনের কাছে আবাসন প্রকল্পে নির্মিত বাড়িগুলো হস্তান্তর করেন ১৭ ইস্টবেঙ্গল ১১ পদাতিক ডিভিশনের ক্যাপ্টেন রাফিদ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান জন্য গৃহনির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সে লক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধানের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার আওতায় ব্যারাক হাউস নির্মাণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, সেনাবাহিনীর বগুড়া ১১ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে নোহেলা কাস্ট গাড়ি এলাকায় ৫ ইউনিট বিশিষ্ট ১৬টি সিআইসিট ব্যারাক হাউস নির্মাণ শেষে হস্তান্তর করে।
এ নবনির্মিত গৃহ হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ইউএনও আলপনা ইয়াসমিন বলেন, সেনাবাহিনীর নির্মাণ করা বাড়িগুলো হস্তান্তর করেছেন তারা। সেখানে ১৬টি ব্যারাকে ৮০টি বাড়ি নির্মাণ করা হয়। এ আশ্রয়ণ প্রকল্পে সুপেয় পানিসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন ভূমিহীনদের কাছে বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হবে এবং সেই সঙ্গে তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

বহু চেষ্টা করেও যারা টেকসই আবাস গড়ে তুলতে পারে না, তাদের সীমাহীন কষ্ট সহ্য করতে হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এসব মানুষকে পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ! তবে এবার সেই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ৮০টি পরিবারের। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে উপজেলার নোহেলা কাস্ট গাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর নির্মাণ করা ৮০টি বাড়ি হস্তান্তর করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের কাছে।
আজ শনিবার দুপুরে স্থানীয় আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলপনা ইয়াসমিনের কাছে আবাসন প্রকল্পে নির্মিত বাড়িগুলো হস্তান্তর করেন ১৭ ইস্টবেঙ্গল ১১ পদাতিক ডিভিশনের ক্যাপ্টেন রাফিদ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান জন্য গৃহনির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সে লক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধানের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার আওতায় ব্যারাক হাউস নির্মাণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, সেনাবাহিনীর বগুড়া ১১ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে নোহেলা কাস্ট গাড়ি এলাকায় ৫ ইউনিট বিশিষ্ট ১৬টি সিআইসিট ব্যারাক হাউস নির্মাণ শেষে হস্তান্তর করে।
এ নবনির্মিত গৃহ হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ইউএনও আলপনা ইয়াসমিন বলেন, সেনাবাহিনীর নির্মাণ করা বাড়িগুলো হস্তান্তর করেছেন তারা। সেখানে ১৬টি ব্যারাকে ৮০টি বাড়ি নির্মাণ করা হয়। এ আশ্রয়ণ প্রকল্পে সুপেয় পানিসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন ভূমিহীনদের কাছে বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হবে এবং সেই সঙ্গে তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে