পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর পাংশায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের নেতৃত্বে আবু বক্কর সিদ্দিক (৪০) নামের এক বিএনপিকর্মীকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের মেঘনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জখম হওয়া আবু বক্কর সিদ্দিক পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের মেঘনা খামারপাড়া গ্রামের আনসার আলী প্রামাণিকের ছেলে। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা ছাড়াও আবু বক্কর সিদ্দিক স্থানীয় সোনালী সার্বিক উন্নয়ন সমবায় সমিতি পরিচালনা করেন।
পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোজা উদ্দিন সোহাগ জানান, গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবু বক্কর সিদ্দিককে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর নাক-মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।’
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি অবগত হয়ে হাসপাতালে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে আহতের খোঁজ খবর নিয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলার মাছপাড়া ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম পিন্টুর বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে মারধর করানোর অভিযোগ করেছেন আহত আবু বক্কর সিদ্দিক। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম পিন্টু।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম পিন্টুর নেতৃত্বে ইউনিয়নের মেঘনা খামারপাড়া গ্রামের কল্লোল মৃধা, সুরুজ প্রামাণিক ওরফে ওকে, জাহিদুল ইসলামসহ ১০-১২ জন লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।’
কেন হামলা হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘গত ইউপি নির্বাচনে পিন্টু মেম্বারের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আমার চাচাতো ভাই মোহাসিন উদ্দিন। তখন পিন্টুর নেতৃত্বে আমাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আমার স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করা হয়। ওই ঘটনায় আমরা একটি মামলা করি। পরে সাড়ে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হয়। সেই টাকা দেওয়ার পর থেকে পিন্টু মেম্বার টাকা ফেরত চেয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।’
আবু বক্কর সিদ্দিক আরও বলেন, ‘আমি বিএনপি করি বিধায় গত ৮ তারিখে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে ঢাকায় চলে যাই। নির্বাচনের পরদিন দুপুরে বাড়ি আসি। বিকেলে বাজারে গেলে সন্ধ্যায় পিন্টুর নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা করা হয়।’
মেঘনা বাজারের ব্যবসায়ী মোস্তফা বলেন, ‘আমার দোকানের সামনে বক্করকে মারধর করা হয়েছে। আমি তখন দোকানের ভেতরে ছিলাম। দোকান থেকে বেরিয়ে আসার আগেই সবাই পালিয়ে গেছে। কে বা করা মেরেছে কাউকে দেখতে পাইনি।’
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম পিন্টু বলেন, ‘মারামারির সময় আমি বাজারে ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
মাছপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম মিয়া টিপু বলেন, ‘আবু বক্কর সিদ্দিক দলীয় কমিটির কোনো পদে নেই। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে আমাদের সঙ্গে কাজ করেন এবং বিএনপিকে সমর্থন করেন।’

রাজবাড়ীর পাংশায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের নেতৃত্বে আবু বক্কর সিদ্দিক (৪০) নামের এক বিএনপিকর্মীকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের মেঘনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জখম হওয়া আবু বক্কর সিদ্দিক পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের মেঘনা খামারপাড়া গ্রামের আনসার আলী প্রামাণিকের ছেলে। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা ছাড়াও আবু বক্কর সিদ্দিক স্থানীয় সোনালী সার্বিক উন্নয়ন সমবায় সমিতি পরিচালনা করেন।
পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোজা উদ্দিন সোহাগ জানান, গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবু বক্কর সিদ্দিককে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর নাক-মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।’
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি অবগত হয়ে হাসপাতালে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে আহতের খোঁজ খবর নিয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলার মাছপাড়া ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম পিন্টুর বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে মারধর করানোর অভিযোগ করেছেন আহত আবু বক্কর সিদ্দিক। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম পিন্টু।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম পিন্টুর নেতৃত্বে ইউনিয়নের মেঘনা খামারপাড়া গ্রামের কল্লোল মৃধা, সুরুজ প্রামাণিক ওরফে ওকে, জাহিদুল ইসলামসহ ১০-১২ জন লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।’
কেন হামলা হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘গত ইউপি নির্বাচনে পিন্টু মেম্বারের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আমার চাচাতো ভাই মোহাসিন উদ্দিন। তখন পিন্টুর নেতৃত্বে আমাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আমার স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করা হয়। ওই ঘটনায় আমরা একটি মামলা করি। পরে সাড়ে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হয়। সেই টাকা দেওয়ার পর থেকে পিন্টু মেম্বার টাকা ফেরত চেয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।’
আবু বক্কর সিদ্দিক আরও বলেন, ‘আমি বিএনপি করি বিধায় গত ৮ তারিখে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে ঢাকায় চলে যাই। নির্বাচনের পরদিন দুপুরে বাড়ি আসি। বিকেলে বাজারে গেলে সন্ধ্যায় পিন্টুর নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা করা হয়।’
মেঘনা বাজারের ব্যবসায়ী মোস্তফা বলেন, ‘আমার দোকানের সামনে বক্করকে মারধর করা হয়েছে। আমি তখন দোকানের ভেতরে ছিলাম। দোকান থেকে বেরিয়ে আসার আগেই সবাই পালিয়ে গেছে। কে বা করা মেরেছে কাউকে দেখতে পাইনি।’
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম পিন্টু বলেন, ‘মারামারির সময় আমি বাজারে ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
মাছপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম মিয়া টিপু বলেন, ‘আবু বক্কর সিদ্দিক দলীয় কমিটির কোনো পদে নেই। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে আমাদের সঙ্গে কাজ করেন এবং বিএনপিকে সমর্থন করেন।’

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৯ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
১৫ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের দুটি শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): এবার আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর অধ্যাপক...
২১ মিনিট আগে
মেলায় বড় মাছ দরদাম করছিলেন স্থানীয় এক জামাই সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম শ্বশুরবাড়িতে মাছ নিয়ে যাব। তাই সেরা মাছটা কেনার চেষ্টা করছি। ১৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ পছন্দ হয়েছে। বিক্রেতা দাম চেয়েছেন ২২ হাজার টাকা। জামাই হিসেবে বড় মাছটি নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে পারা একটা আলাদা গর্বের বিষয়।’
৩৮ মিনিট আগে