প্রতিনিধি

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী): পদ্মা নদীতে স্রোত বেড়ে যাওয়ায় এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গণপরিবহন চালু হওয়ায় গাড়ির বাড়তি চাপ লক্ষ করা গেছে। এতে নদী পারাপারের জন্য প্রায় সাত শতাধিক ছোট বড় যানবাহন জমে গেছে।
আজ সোমবার সকাল ১১টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক বাস ও ট্রাক দেখা যায়। রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গোয়ালন্দ মোড়ে দেখা গেছে অপেক্ষমাণ প্রায় তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে আজ ৯টি রোরো ফেরি ও ৭টি ইউটিলিটি ফেরি চলাচল করছে। দৌলতদিয়া ঘাটে ৭টি ফেরি ঘাট থাকলেও ১ ও ২ নম্বর ফেরি ঘাট দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুনে ফেরি লোড-আনলোডের জন্য তিনটি পকেটের একটিতে সংস্কার কাজ চলার কারণে ওই পকেটটিতে কোন ফেরি ভিড়তে পারছে না। ফলে ২টি পকেট দিয়ে গাড়ি চলছে। ছোট ফেরিগুলো আনলোড করতে আরেকটি ফেরির পেছনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে কর্তব্যরত জেলা ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. জহুরুল হক বলেন, যাত্রীবাহী বাস ও কাঁচামাল বোঝাই ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে। অপচনশীল পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলোকে গোয়ালন্দ মোড়ে লাইন দিয়ে রাখা হয়েছে। ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় প্রায় সাত শতাধিক বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহ-উপ মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. ফিরোজ শেখ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ ছিল, পুনরায় বাস চলাচল শুরু হওয়ায় গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য এ রুটে ছোট-বড় ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। জরুরি ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস ও কাঁচামাল বোঝাই ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে।

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী): পদ্মা নদীতে স্রোত বেড়ে যাওয়ায় এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গণপরিবহন চালু হওয়ায় গাড়ির বাড়তি চাপ লক্ষ করা গেছে। এতে নদী পারাপারের জন্য প্রায় সাত শতাধিক ছোট বড় যানবাহন জমে গেছে।
আজ সোমবার সকাল ১১টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক বাস ও ট্রাক দেখা যায়। রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গোয়ালন্দ মোড়ে দেখা গেছে অপেক্ষমাণ প্রায় তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে আজ ৯টি রোরো ফেরি ও ৭টি ইউটিলিটি ফেরি চলাচল করছে। দৌলতদিয়া ঘাটে ৭টি ফেরি ঘাট থাকলেও ১ ও ২ নম্বর ফেরি ঘাট দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুনে ফেরি লোড-আনলোডের জন্য তিনটি পকেটের একটিতে সংস্কার কাজ চলার কারণে ওই পকেটটিতে কোন ফেরি ভিড়তে পারছে না। ফলে ২টি পকেট দিয়ে গাড়ি চলছে। ছোট ফেরিগুলো আনলোড করতে আরেকটি ফেরির পেছনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে কর্তব্যরত জেলা ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. জহুরুল হক বলেন, যাত্রীবাহী বাস ও কাঁচামাল বোঝাই ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে। অপচনশীল পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলোকে গোয়ালন্দ মোড়ে লাইন দিয়ে রাখা হয়েছে। ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় প্রায় সাত শতাধিক বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহ-উপ মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. ফিরোজ শেখ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ ছিল, পুনরায় বাস চলাচল শুরু হওয়ায় গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য এ রুটে ছোট-বড় ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। জরুরি ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস ও কাঁচামাল বোঝাই ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে