পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার সদর থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলাটি দায়ের করেন মো. এনামূল হক মোল্লা নামে এক বিএনপি নেতা। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুজাম্মেলকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’
আসামিরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আক্তারুজ্জান ফুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জান অনিক ও সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ সজল। একই সঙ্গে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হক খান পান্না, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম বায়েজিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুমন, মাসুম খান রাজ, শেখ শিহাব উদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি গোলাম মাওলা নকীব, খান মো. আলাউদ্দিন, শেখ মো. ফিরোজ, ইরতিজা হাসান রাজু, সুমন সিকদার, জিদান আহমেদ জসিম ও শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা ৪ আগস্ট দুপুরে হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শহরের পোস্ট অফিস সড়কে বিএনপির কার্যালয় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় শহরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। আসামিরা বিএনপি কার্যালয় গিয়ে দা, লোহার রড, জিআই পাইপ, হকিস্টিক ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
ওই সময় আসামিরা কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। পরে আসবাব ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ও একটি এলইডি টিভি ভেঙে তছনছ করে।

পিরোজপুরে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার সদর থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলাটি দায়ের করেন মো. এনামূল হক মোল্লা নামে এক বিএনপি নেতা। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুজাম্মেলকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’
আসামিরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আক্তারুজ্জান ফুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জান অনিক ও সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ সজল। একই সঙ্গে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হক খান পান্না, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম বায়েজিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুমন, মাসুম খান রাজ, শেখ শিহাব উদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি গোলাম মাওলা নকীব, খান মো. আলাউদ্দিন, শেখ মো. ফিরোজ, ইরতিজা হাসান রাজু, সুমন সিকদার, জিদান আহমেদ জসিম ও শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা ৪ আগস্ট দুপুরে হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শহরের পোস্ট অফিস সড়কে বিএনপির কার্যালয় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় শহরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। আসামিরা বিএনপি কার্যালয় গিয়ে দা, লোহার রড, জিআই পাইপ, হকিস্টিক ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
ওই সময় আসামিরা কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। পরে আসবাব ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ও একটি এলইডি টিভি ভেঙে তছনছ করে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে