পটুয়াখালী প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় মিধিলির আঘাতে পটুয়াখালীতে ঘরবাড়ি-গাছপালার তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, আমনখেতের ধানে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এই অঞ্চলের কৃষকেরা। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করেনি কৃষি অধিদপ্তর। এ ছাড়া জেলায় নৌপথে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘জেলায় এখন মাঠে ১ লাখ ৯১ হাজার ১১৯ হেক্টর জমিতে আমন ধান আছে। এরমধ্যে পাঁচ ভাগ ধান পেকেছে, যা কৃষক কাটা শুরু করেছে। ২০ ভাগ ধান আধা পাকা। এ ছাড়া ৭৫ ভাগ ধানের শিষে ফুল আছে, ঝড়-বৃষ্টিতে এসব শিষে চিটা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের সিকান্দার মিয়া বলেন, ‘ধানে ফুল এসেছে এই সময়ে অতিবৃষ্টি ও বাতাসের কারণে ধানের চিটা ঝরে যাবে। ধান যখন ঘরে তোলা হবে তখন ধানের বদলে চিটা বেশি পাওয়া যাবে। বর্তমানে বেশি ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় ধান পানিতে ডুবে আছে। এতে কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
এদিকে পটুয়াখালী-ঢাকাসহ সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। পটুয়াখালী নদী বন্দর কর্মকর্তা মো. মামুন অর রশিদ জানান, মিধিলির প্রভাবে ঝোড়ো-বাতাস থাকায় ঢাকা-পটুয়াখালীসহ সব রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।
ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে পটুয়াখালীতে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে বলে জানান পটুয়াখালীর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ মাহবুবা সুখী। তিনি বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ২০১ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে এখন ৩ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নুর কুতুবুল আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, বেশ কিছু গাছপালার ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া আমনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।’

ঘূর্ণিঝড় মিধিলির আঘাতে পটুয়াখালীতে ঘরবাড়ি-গাছপালার তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, আমনখেতের ধানে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এই অঞ্চলের কৃষকেরা। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করেনি কৃষি অধিদপ্তর। এ ছাড়া জেলায় নৌপথে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘জেলায় এখন মাঠে ১ লাখ ৯১ হাজার ১১৯ হেক্টর জমিতে আমন ধান আছে। এরমধ্যে পাঁচ ভাগ ধান পেকেছে, যা কৃষক কাটা শুরু করেছে। ২০ ভাগ ধান আধা পাকা। এ ছাড়া ৭৫ ভাগ ধানের শিষে ফুল আছে, ঝড়-বৃষ্টিতে এসব শিষে চিটা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের সিকান্দার মিয়া বলেন, ‘ধানে ফুল এসেছে এই সময়ে অতিবৃষ্টি ও বাতাসের কারণে ধানের চিটা ঝরে যাবে। ধান যখন ঘরে তোলা হবে তখন ধানের বদলে চিটা বেশি পাওয়া যাবে। বর্তমানে বেশি ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় ধান পানিতে ডুবে আছে। এতে কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
এদিকে পটুয়াখালী-ঢাকাসহ সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। পটুয়াখালী নদী বন্দর কর্মকর্তা মো. মামুন অর রশিদ জানান, মিধিলির প্রভাবে ঝোড়ো-বাতাস থাকায় ঢাকা-পটুয়াখালীসহ সব রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।
ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে পটুয়াখালীতে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে বলে জানান পটুয়াখালীর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ মাহবুবা সুখী। তিনি বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ২০১ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে এখন ৩ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নুর কুতুবুল আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, বেশ কিছু গাছপালার ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া আমনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে