মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ দেখিয়ে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বর্জন করেছে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি।
মুক্তিযোদ্ধা ফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন, স্থানীয় নেতা-কর্মীদের আসন বিন্যাস ও সম্মাননা স্মারক বিতরণে প্রটোকল নিয়ে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ তুলে আজ মঙ্গলবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই দুই দলের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের সব অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণাও দেন তাঁরা। তবে উপজেলা প্রশাসন বলছে, সবকিছু নিয়ম অনুযায়ীই হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরের অনুষ্ঠান চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধা ফলকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের পরই মির্জাগঞ্জ থানার পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ওসি মো. হাফিজুর রহমান। এতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ।
এ ছাড়া পটুয়াখালী–১ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদারের পক্ষে প্রথম সারিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেননি জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা। এ নিয়ে তাঁরাও ক্ষুব্ধ।
উপজেলা পরিষদ মাঠে কুচকাওয়াজ চলাকালীন ওই দুই দলের নেতাদের আসন বিন্যাস ও সম্মাননা স্মারক বিতরণকালে প্রটোকল নিয়েও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এরপর পরবর্তী অনুষ্ঠানের সব কার্যক্রম যৌথভাবে বর্জন করে মাঠ ত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন জুয়েল ব্যাপারী বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর যাবৎ জাতীয় অনুষ্ঠানগুলোতে উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের পরই উপজেলা আওয়ামী লীগ শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সব কার্যক্রমে অংশ নেয়। কিন্তু এবারের অনুষ্ঠানে ওসি হাফিজুর রহমান আওয়ামী লীগের নাম কেটে দেন, তাঁদের পরই শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। বিষয়টি ইউএনও সাহেবকে জানালেও কর্ণপাত করেননি। এতে আমরা পুরো আওয়ামী লীগ পরিবার অসম্মানিত হয়েছি। তাই বাধ্য হয়েই অনুষ্ঠান বর্জন করেছি এবং পরবর্তী সময়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সব অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছি।’
তবে ওসির দাবি, অনুষ্ঠানের আয়োজক উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসনের তৈরি করা সিরিয়াল অনুযায়ী তাঁরা অংশ নিয়েছেন। এখানে কোনো সংগঠনের নাম কাটার এখতিয়ার তাঁর নেই বলেও উল্লেখ করেন।
জাতীয় পার্টির মির্জাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ড. আবদুর রহমান বলেন, ‘পটুয়াখালী–১ আসনের এমপি জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। তাই তাঁর পক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমরা ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই। সংসদ সদস্যের নামের ফুলের ডালা নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হয়েছে প্রশাসনের পরে, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জার বিষয়। এ ছাড়া অন্য প্রোগ্রামগুলোতেও কোনো প্রটোকল না মানায় আমরাও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে সমর্থন জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান বর্জন করেছি।’
অভিযোগের বিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সদ্য যোগদান করেছি। তাই সবাইকে চিনিও না। যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে তবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।’

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ দেখিয়ে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বর্জন করেছে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি।
মুক্তিযোদ্ধা ফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন, স্থানীয় নেতা-কর্মীদের আসন বিন্যাস ও সম্মাননা স্মারক বিতরণে প্রটোকল নিয়ে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ তুলে আজ মঙ্গলবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই দুই দলের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের সব অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণাও দেন তাঁরা। তবে উপজেলা প্রশাসন বলছে, সবকিছু নিয়ম অনুযায়ীই হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরের অনুষ্ঠান চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধা ফলকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের পরই মির্জাগঞ্জ থানার পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ওসি মো. হাফিজুর রহমান। এতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ।
এ ছাড়া পটুয়াখালী–১ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদারের পক্ষে প্রথম সারিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেননি জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা। এ নিয়ে তাঁরাও ক্ষুব্ধ।
উপজেলা পরিষদ মাঠে কুচকাওয়াজ চলাকালীন ওই দুই দলের নেতাদের আসন বিন্যাস ও সম্মাননা স্মারক বিতরণকালে প্রটোকল নিয়েও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এরপর পরবর্তী অনুষ্ঠানের সব কার্যক্রম যৌথভাবে বর্জন করে মাঠ ত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন জুয়েল ব্যাপারী বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর যাবৎ জাতীয় অনুষ্ঠানগুলোতে উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের পরই উপজেলা আওয়ামী লীগ শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সব কার্যক্রমে অংশ নেয়। কিন্তু এবারের অনুষ্ঠানে ওসি হাফিজুর রহমান আওয়ামী লীগের নাম কেটে দেন, তাঁদের পরই শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। বিষয়টি ইউএনও সাহেবকে জানালেও কর্ণপাত করেননি। এতে আমরা পুরো আওয়ামী লীগ পরিবার অসম্মানিত হয়েছি। তাই বাধ্য হয়েই অনুষ্ঠান বর্জন করেছি এবং পরবর্তী সময়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সব অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছি।’
তবে ওসির দাবি, অনুষ্ঠানের আয়োজক উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসনের তৈরি করা সিরিয়াল অনুযায়ী তাঁরা অংশ নিয়েছেন। এখানে কোনো সংগঠনের নাম কাটার এখতিয়ার তাঁর নেই বলেও উল্লেখ করেন।
জাতীয় পার্টির মির্জাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ড. আবদুর রহমান বলেন, ‘পটুয়াখালী–১ আসনের এমপি জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। তাই তাঁর পক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমরা ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই। সংসদ সদস্যের নামের ফুলের ডালা নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হয়েছে প্রশাসনের পরে, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জার বিষয়। এ ছাড়া অন্য প্রোগ্রামগুলোতেও কোনো প্রটোকল না মানায় আমরাও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে সমর্থন জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান বর্জন করেছি।’
অভিযোগের বিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সদ্য যোগদান করেছি। তাই সবাইকে চিনিও না। যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে তবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।’

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
৪ ঘণ্টা আগে